× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, বুধবার , ১৪ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২০ সফর ১৪৪৩ হিঃ

কেমন আছেন ফরিদপুরের আশ্রয়ণ প্রকল্পের সুবিধাভোগীরা?

বাংলারজমিন

ফরিদপুর প্রতিনিধি
২৪ জুলাই ২০২১, শনিবার

‘দেশের ছিন্নমূল জনগোষ্ঠীর একজনও গৃহহীন থাকবে না’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন নির্দেশে সারা দেশের ন্যায় ফরিদপুরের ৯টি উপজেলায় ৩ দফায় সর্বমোট ৩ হাজার ৬০৭টি ঘর নির্মিত হয়। গত বছরের নভেম্বর থেকে এ সকল ঘরের নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। ইতিমধ্যে ঘরগুলো নির্মাণ শেষ পর্যায়ে। তবে বেশিরভাগ ঘর সুবিধাভোগীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে।
সরজমিন গিয়ে দেখা যায়, পাকা রাস্তার ধারে কিংবা ক্ষেতের মধ্যে খাস জমিতে একটি লাল টিনের ঘর। ঘরে রয়েছে বারান্দাসহ দু’টি বেডরুম, রান্না ঘর, টয়লেট। ঘরসহ দুই শতাংশের বরাদ্দ পাওয়া সুবিধাভোগীরা নতুন করে সংসার গোছানোয় নানা ধরনের পরিকল্পনায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। কেউ হাস-মুরগি কিংবা গবাদি পশু পালন করছেন। কেউ আবার স্বল্প জমিতে ফলদ গাছের পাশাপাশি নানা ধরনের গাছ লাগাচ্ছেন।
নতুন ঘর হলেও এটাই তাদের স্থায়ী বসবাসের ঠিকানা, তাই যেটুকুই পেয়েছেন তার মধ্যে জীবন গড়ার প্রত্যয়ে স্বপ্নে বিভোর এসব আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দারা।
আলফাডাঙ্গার অন্ধ ভিক্ষুক মেহেরুন নেছা জানান, ভাবতেই পারছি না আমার মতো অন্ধ মানুষের একটা বাসস্থান হবে। ঘর পেয়ে আমি অত্যন্ত খুশি। প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদের পাশাপাশি তার দীর্ঘায়ু কামনা করেন তিনি। সদর উপজেলার ডিগ্রিরচর ইউনিয়নের রহিমা খাতুন, জাহাঙ্গীর শেখ ও রুবিয়া বেগম বলেন, আমরা এখানে এসেছি সপ্তাহ খানেক আগে। ১২ ঘরে আমরা বিভিন্ন স্থানের ১২টি পরিবার নতুনভাবে বসবাস করছি। নতুন ঘরে নতুন পরিবারের সঙ্গে মানিয়ে নিচ্ছি। এবারের ঈদটি আমাদের কাছে উৎসবের মধ্য দিয়ে কাটবে।
ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুম রেজা বলেন, তিনটি ধাপে ফরিদপুর সদর উপজেলায় মোট ৪৬৫টি ঘর বরাদ্দ পায়। এরমধ্যে বেশিরভাগ ঘরের কাজ সম্পন্ন হয়ে গেছে। সরকার আশ্রয়ণ প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের একটি দৃষ্টিনন্দন ঘর ছাড়াও পানি, বিদ্যুৎ সব ধরনের সুবিধা পাচ্ছে বিনা খরচে।
নগরকান্দা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা জেতি প্রু বলেন, আমার উপজেলায় ৩২৫টি ঘর বরাদ্দ পেয়েছি। যার মধ্যে ১০৫টি ঘর নির্মাণ শেষে গৃহহীনদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। বাকি কাজ চলমান রয়েছে। দ্রুত এর কাজ সম্পন্ন করা হবে। আলফাডাঙ্গা উপজেলার চরকাতলাসুরে নির্মিত হচ্ছে ‘স্বপ্ন বিলাস’। যার মধ্যে রয়েছে ৩০০টি ঘর। এখানে রয়েছে মসজিদ-মন্দির, ঈদগা, খেলার মাঠ, শিশু পার্ক, ইকো-পার্ক, কবরস্থান, শ্মশান, বাজারসহ সব ধরনের সুবিধা এমনটি বললেন, উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদ এলাহী।
জেলা প্রশাসক অতুল সরকার বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের সমন্বয়ে মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর বিশ্বনন্দিত মহতি এই উদ্যোগটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমরা টিম হিসেবে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। জেলার এসব আশ্রয়ণ প্রকল্পের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবন মান উন্নয়ন হবে বলে আশা করছি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর