× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, বুধবার , ১৪ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২০ সফর ১৪৪৩ হিঃ

চিলমারীতে লকডাউনেও চলছে নৌযান, দ্বিগুণ ভাড়া গুনতে হচ্ছে যাত্রীদের

বাংলারজমিন

চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
২৪ জুলাই ২০২১, শনিবার

লকডাউন ঘোষণা থাকলেও আইনকে তোয়াক্কা না করেই অনায়াসে চলছে নৌযান। নৌকা চলাচল করলেও লকডাউনের ফাঁদে পড়ে দ্বিগুণ ভাড়া গুনতে হচ্ছে যাত্রীদের। হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে ঘাট কর্তৃপক্ষ। হয়রানি হচ্ছে যাত্রী। নীরব প্রশাসন। জানা গেছে, কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার রমনা ঘাট থেকে রৌমারী ও রাজিবপুর নৌকা চলাচল অব্যাহত রয়েছে এবং অনায়াসে রৌমারী ও রাজিবপুর থেকে চিলমারী রমনা ঘাটে ভিড়ছে নৌকা। লকডাউনে নৌকা চলাচল বন্ধ থাকার কথা থাকলেও আইনকে তোয়াক্কা না করেই নৌকা চলাচল অব্যাহত রেখেছে কর্তৃপক্ষ। নৌকা চলাচল অব্যাহত রাখলেও লকডাউনের ফাঁদে ফেলে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়সহ মালামাল উঠা-নামায়ও নেয়া হচ্ছে দ্বিগুণ টাকা।
লকডাউনের প্রথম দিন গতকাল সরজমিন রমনা ঘাটে গিয়ে রাজিবপুর থেকে আসা নৌকার যাত্রী আসরাফুল, মিলনসহ কথা হয় অনেকের সঙ্গে তারা বলেন, ১৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকা করে নেয়া হয়েছে তবে চিলমারী থেকে রাজিবপুর ও রৌমারীগামী যাত্রীদের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে ২৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা করে। বেলা প্রায় ১২টা রমনা ঘাটে দু’টি নৌকায় যাত্রী উঠানো হচ্ছে, উঠানো হচ্ছে মোটরসাইকেল। কথা হলে যাত্রীরা বলেন, ঘাট কর্তৃপক্ষ কৌশলে তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে। এ সময় আব্দুর রশিদ নামে এক যাত্রী জানান, রাজিবপুর যাচ্ছেন এই জন্য তাকে ভাড়া দিতে হয়েছে ৩০০ টাকা। অতচ এর আগে ৮০ থেকে ১০০ টাকা করে নেয়া হয়েছিল। এ সময় অনেকে বলেন, লকডাউন অতচ নৌকা তো চলছেন তাহলে কেন যাত্রীদের হয়রানি করা হচ্ছে এ ছাড়াও ভাড়াও দ্বিগুণ নেয়া হচ্ছে। রমনা ঘাটের দায়িত্বে থাকা ফাইদুল ইসলাম বলেন, অনেক টাকা দিয়ে ঘাটটি নিয়েছেন নৌকা বন্ধ থাকলে পুঁজি হারাতে হবে তাকে। তিনি আরও বলেন, রৌমারী ও রাজিবপুর থেকে নৌকা তো আসছে তাহলে এখান থেকে গেলে সমস্যা কোথায়। তবে একটি সূত্র জানায়, দায়িত্বরতদের ম্যানেজ করেই ঘাট চলছে না হলে কী নৌকা চলতে পারে। এদিকে নৌকা চলাচল অব্যাহত ও যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়া হলেও অজ্ঞাত কারণে নিরব রয়েছেন প্রশাসন। লকডাউনেও নৌকা চলাচল ও রমনা ঘাটে যাত্রীদের ভিড় বেড়েই চলছে ফলে ঝুঁকি বাড়বে বলে মন্তব্য করেন সচেতন মহল। কথা হলে চিলমারী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ঘাটে আমাদের একটি টিম আছে নৌকা চলাচল বন্ধ থাকার কথা। তবে বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখবো। বিষয়টি নিয়ে মুঠোফোনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাহবুবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর