× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, বুধবার , ১৪ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২০ সফর ১৪৪৩ হিঃ

কঠোর লকডাউনে স্বাভাবিক সরাইল মহাসড়কে বেপরোয়া অটোরিকশা

বাংলারজমিন

সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
২৪ জুলাই ২০২১, শনিবার

তৃতীয় দফা কঠোর লকডাউনে সরাইলে যানবাহন চলাচল ছিল একেবারে স্বাভাবিক। আর ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সরাইলের বিশ্বরোড মোড় থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আশুগঞ্জ, ভৈরব, সরাইল, নাসিরনগর ও কুট্টাপাড়া হাইওয়ে থানার সামনে থেকে চান্দুরা মাধবপুরের দিকে বেপরোয়া গতিতে চলছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা। নির্বিঘ্নে পুলিশের উপস্থিতিতেই চলছে এসব যানবাহন। চলছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাও। গতকাল সরজমিন সকাল ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত সরাইলের সড়ক মহাসড়ক ঘুরে দেখা যায়, আগের ১৪ দিনের লকডাউন থেকে আরো ঢিলেঢালাভাবে চলছে এখনকার কঠোর লকডাউন। সরাইলের প্রধান সড়কে অটোরিকশা লাইন ধরে দাঁড়িয়ে যাত্রীদের ডাকছেন। নির্বিঘ্নে নিশ্চিন্তে ঠাসাঠাসি করে যাত্রী নিয়ে যাচ্ছেন চুন্টা অরূয়াইল ও পাকশিমুল। স্বাভাবিকভাবেই তারা চলছে সড়কে।
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের চিত্র আরো ভিন্ন। কট্টাপাড়া মোড় এলাকায় হাইওয়ে থানার সামনে পুলিশের উপস্থিতিতেই মহাসড়কে ৬-৭টি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ইচ্ছামতো যাত্রী টানছে। যাবে শাহবাজপুর, চান্দুরা ও মাধবপুর। অপরদিক থেকে খুবই স্বাচ্ছন্দ্যে যাত্রী নিয়ে আসছেন চালকরা। বিশ্বরোড মোড়ের তিনদিকে মহাসড়কের উপর দাঁড়িয়ে আছে ১৫-২০টি করে সিএনজিচালিত অটোরিকশা। ঠাসাঠাসি করে যাত্রীরা যাচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে, আশুগঞ্জ ও ভৈরবে। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সেনা সদস্যদের নিয়ে বিশ্বরোড মোড়ে অবস্থান নেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাজ কুমার বিশ্বাস। তিনি হাইওয়ে থানার পুলিশ সদস্যদের ডেকে এনে বলেন, মহাসড়কে কোনো অটোরিকশা চলবে না। চললে ব্যবস্থা নেবেন। তখনও মোড়ের পশ্চিম-দক্ষিণ পাশে ৮-১০টি অটোরিকশা অবস্থান করছিল। খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহজালাল আলম বলেন, লকডাউন চলাকালে অটোরিকশা কেন যন্ত্রচালিত কোনো যানই অনুমতি ব্যতীত বা যৌক্তিক কারণ ছাড়া বের হতে পারবে না। কিছু লোক নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে দীর্ঘ সময় থানায় বা আশপাশে বসে থাকেন। তাদের কোনো কাজ আছে কিনা জানি না। কতিপয় ব্যক্তি থানার জনৈক পুলিশ সদস্যের সঙ্গে কথা বলে অটোরিকশা থেকে মাসিক টাকা উত্তোলন করে ভাগবাটোয়ারার বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি খোজখবর নিয়ে অবশ্যই ব্যবস্থা নেবো।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর