× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার , ১৩ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৯ সফর ১৪৪৩ হিঃ

বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুট: ফেরিতে উপচেপড়া ভিড়

অনলাইন

শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি
(২ মাস আগে) জুলাই ২৫, ২০২১, রবিবার, ১:০২ অপরাহ্ন

কঠোর লকডাউনের তৃতীয় দিনেও শিবচরের বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে ফেরিতে থেমে নেই যাত্রী পারাপার। যাত্রীবাহী পরিবহন পারাপার বন্ধ থাকলেও দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে ভেঙে ভেঙে ছোট যানবাহনে ঘাটে আসা যাত্রীরা অনেকটা নির্বিঘ্নেই ফেরিতে উঠতে পারছেন। ঈদের তৃতীয় দিনে রাজধানীমুখী সাধারণ যাত্রীদের ফেরি পারাপার হতে দেখা গেছে। তবে ফেরিতে যাত্রীবাহী কোন বাস, মাইক্রোবাস পার হতে দেয়া হচ্ছে না। প্রাইভেট কার, অ্যাম্বুলেন্সসহ পন্যবাহী ট্রাক এবং কাভার্ড ভ্যান পার হচ্ছে।
বাংলাবাজার ঘাট সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (২৩ জুলাই) ভোর ছয়টা থেকে কঠোর লকডাউন শুরু হলে গণপরিবহনের সাথে সাথে নৌরুটে বন্ধ রাখা হয় লঞ্চ চলাচল। ঈদের দ্বিতীয় দিন গত ২২ জুলাই বৃহস্পতিবার দিনরাত নৌরুট দিয়ে যাত্রীরা রাজধানী ঢাকায় পৌছেছেন। ২৩ জুলাই শুক্রবার সকালে আগের রাতে আটকে থাকা শতাধিক ছোট যানবাহন পার করা হয়। তবে বিভিন্ন যানবাহনে ভেঙে ভেঙে বাংলাবাজার ঘাটে আসা সাধারণ যাত্রীরা অনায়াসেই ফেরিতে পার হতে পারছে।
রবিবার (২৫ জুলাই) সকাল থেকেও নৌরুটে ফেরিতে ছিল যাত্রীদের ভিড়। সাধারণ যাত্রীদের পাশাপাশি মোটরসাইকেল আরোহীদের পদ্মা পার হতে দেখা গেছে।

ঘাট সূত্রে আরো জানা গেছে, ‘সাধারণ যাত্রীরা বিভিন্ন জরুরী অজুহাত দেখিয়ে ফেরিতে উঠে যাচ্ছে। ঘাট এলাকায় কোন যানবাহন প্রবেশ করতে না পারলেও ছোট যানবাহন ঘাটের অদূরে যাত্রী নামিয়ে দিচ্ছে। যাত্রীরা হেটে ঘাটে প্রবেশ করছে।
ঢাকাগামী যাত্রী মো. জামান হোসেন জানান, ‘অফিস খোলা রয়েছে। তাই ঢাকা যাচ্ছি। বরিশাল থেকে ভেঙে ভেঙে বাংলাবাজার ঘাটে এসেছি। লকডাউনে দূরপাল্লার পরিবহন বন্ধ। মাহিন্দ্রা (থ্রি-হুইলার) গাড়িতে করে ঘাটে এসেছি। ফেরিতে ২৫ টাকার টিকিট কেটে উঠেছি। কোন সমস্যা হয় নি।’
আরেক যাত্রী মো. আমিনূর মাদবর বলেন, ‘জরুরি দরকারে ঢাকা যাচ্ছি। পথে পুলিশ জিজ্ঞেস করেছিল। আমি জরুরি দরকারের কথা জানাতে ছেড়ে দিয়েছে। ফেরিতে উঠতে সমস্যা হয়নি।’
বিআইডব্লিউটিসি’র বাংলাবাজার ঘাট সূত্রে জানা গেছে, রবিবার নৌরুটে রোরো ফেরিসহ মোট ৭টি ফেরি চলাচল করছে। নৌরুটে যাত্রীবাহী সকল পরিবহন পারাপার বন্ধ আছে। অ্যাম্বুলেন্স, পণ্যবাহী ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, লাশবাহীগাড়ি এবং জরুরি দরকারে যাওয়া ব্যক্তিগত যানবাহন পার করা হচ্ছে। অ্যাম্বুলেন্সে রোগীর সাথে থাকা স্বজনরা পার হতে পারছেন।

বিআইডব্লিউটিসি’র বাংলাবাজার ঘাটের ব্যবস্থাপক মো. সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান, ‘নৌরুটে রবিবার সকাল থেকে ৭টি ফেরি চলছে। পণ্যবাহী ট্রাকের পাশাপাশি জরুরি যানবাহন পার করা হচ্ছে ফেরিতে। যাত্রীবাহী কোন যানবাহন পার হতে দেয়া হচ্ছে না।'

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
সোহেল
২৫ জুলাই ২০২১, রবিবার, ৫:৪৭

ফেরি কতৃপক্ষ অনেক মানবিক!!! এ রকম মানবিকতা দেখালে করোনা ভয়ে এদেশ ছেড়ে পালাবে।

Kazi
২৫ জুলাই ২০২১, রবিবার, ১২:১১

মৃত্যুর কারণ হতে পারে এই ভীড় । ভারতে কুম্ভ মেলার পর পরই মহামারীর অবনতি হয়েছিল। দেশের বাড়িতে ঈদ করার পরিণাম কি হবে আগামি দিন গুলি বলে দিবে।

অন্যান্য খবর