× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার , ১৩ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৯ সফর ১৪৪৩ হিঃ

প্রবীণ ফটোসাংবাদিক লুৎফর রহমান বীনু আর নেই

অনলাইন

অনলাইন ডেস্ক
(২ মাস আগে) জুলাই ২৬, ২০২১, সোমবার, ৩:২৪ অপরাহ্ন

প্রবীণ ফটোসাংবাদিক, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সদস্য মো. লুৎফর রহমান বীনু আর নেই। আজ সোমবার দুপুর ১২টায় খিলগাঁও এর বাসায় অসুস্থ হয়ে পড়লে ধানমন্ডি ইবনে সিনা হাসপাতালে নেয়ার পথে হৃদযন্ত্রে ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী ও গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

মোঃ লুৎফর রহমান বীনু অত্যন্ত প্রতিভাবান একজন ফটো সাংবাদিক ছিলেন। তিনি সর্বশেষ দৈনিক ইনকিলাবে সিনিয়র ফটো সাংবাদিক হিসেবে অবসর নেন। এ ছাড়াও তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত ফটো সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রকাশনা হচ্ছে (ফটো এ্যালবাম ও ছবির বই) ঢাকা-৭১, ঝঃৎঁমমষব ভড়ৎ উবসড়পৎধপু, আমাদের প্রধানমন্ত্রী, এ চলার শেষ নেই। আজ বাদ আসর খিলগাঁও এ স্থানীয় মসজিদে নামাজে জানাজার পর পারিবারিক গোরস্থ্ানে তাঁকে দাফন করা হবে।

জাতীয় প্রেস ক্লাব সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন ও সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান এক বিবৃতিতে ক্লাব সদস্য মোঃ লুৎফর রহমান বীনু-এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
নেতৃবৃন্দ শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
ফজলু
২৬ জুলাই ২০২১, সোমবার, ৬:০০

মৃত্যুই যখন নিয়তি তখন, মৃত্যুকে আমরা সমীহ করে অন্য নামে সম্ভাষণ করতে পারি না? স্বীকার করি বা নাই করি, সত্য কথা হচ্ছে কোভিড এর সাথে প্রতিযোগিতায় আমরা হেরে গেছি। এখন বিজিতকে আমাদের তোষামোদ করাই শ্রেয়। তাই বলছিলাম যে, মৃত্যু বরণ করেছেন না বলে, আমরা যদি বলতাম “পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন” কিংবা “Advanced team-এ যোগ দিয়েছেন” তাহলে মৃত্যুর প্রতি বুক কাঁপা ভীতিটা যেমন কমতো, ঠিক একইভাবে পরাজিতের মৃত্যুটাও কিছুটা মহিমান্বিত হোত। সব বড়রা এভাবে চলে গেলে এই শুন্যোদ্দানে আমাদের পথিকৃৎ হবেন কারা?

অন্যান্য খবর