× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার , ১৩ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৯ সফর ১৪৪৩ হিঃ

ফোনালাপ ফাঁস নিয়ে যা বললেন ভিকারুননিসার অধ্যক্ষ

অনলাইন

অনলাইন ডেস্ক
(২ মাস আগে) জুলাই ২৬, ২০২১, সোমবার, ৯:১৬ অপরাহ্ন

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ কামরুন নাহার ও অভিভাভবক ফোরামের নেতা মীর সাহাবুদ্দিন টিপুর মধ্যকার ফাঁস হওয়া ফোনালাপ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা আলোচনা সমালোচনা হচ্ছে।

এতে দেখা যায় অধ্যক্ষ এক পর্যায়ে বলেন, ‘আমি বালিশের নিচে পিস্তল রাখি। কোনো ... বাচ্চা যদি আমার পেছনে লাগে আমি কিন্তু ওর পেছনে লাগব, আমি শুধু ভিকারুননিসা না আমি তাকে দেশছাড়া করব। ’

এটি ভিত্তিহীন ও সুপার এডিট করা বলে মন্তব্য করেছেন কলেজের অধ্যক্ষ কামরুন নাহার।

গণমাধ্যমে দেয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, আমি ক্যাম্পাসে আসার তিন দিনের মাথায় ওরা আমাকে গালিগালাজ শুরু করে। ওদের কথামত নাকি আমাকে চলতে হবে। এর আগের প্রিন্সিপালকে তারা মোবাইল ছুঁড়ে মেরেছে। আমার বাসায় ঢিল মারে।
আমার দরজায় লাথি মারছে। লাথি মেরে আমার চেয়ার ফেলে দিয়েছে।

তিনি বলেন, ওরা চায় (অভিভাবক ফোরাম) আমি কিছু আসন ফাঁকা রাখি যাতে তারা ভর্তি বাণিজ্য করতে পারে। আমি বলেছি শিক্ষামন্ত্রী আমাকে এখানে থাকতে বলেছেন। এ প্রতিষ্ঠানকে ঠিক করার দায়িত্ব আমাকে দিয়েছেন। আমি যদি এদের কথায় ভর্তি বাণিজ্যের অনিয়ম করে বেড়াই মন্ত্রীর কাছে আমি তখন কি জবাব দেবো। আমার ইতিহাসে অন্যায়ের কোন দাগ নেই। এর আগের কোন প্রিন্সিপাল এখানে কেন থাকতে পারেনি এখন বুঝতে পেরেছি।

তিনি বলছিলেন, এবারের ভর্তির লটারির সময়ও তারা ১২০ সিট খালি রেখেছে। এছাড়া কিছু শিক্ষার্থী ভর্তি হয়নি। সবমিলিয়ে প্রায় ১৫০-৬০ সিট খালি আছে। মূলত সেগুলোতে অবৈধ ভর্তি করতে তারা আমাকে অনেক আগে থেকে চাপ দিচ্ছে। আমি তাদের কথা না শোনায় যত কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মূলত ভর্তি বাণিজ্য নিয়ে পেরে না উঠে আমাকে ফাঁসানোর জন্য এ ষড়যন্ত্র করছেন জিবি সদস্য ও অভিভাভবক ফোরামের লোকজন। আমি এ প্রতিষ্ঠান বাঁচাতে চাই। এক্ষেত্রে সবার সহযোগিতা চাই। প্রতিষ্ঠানটিকে ধ্বংস করতে এটি তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা। আমি প্রতিষ্ঠানটিকে বাঁচাতে চাই। আপনারা সবাই এগিয়ে আসুন।

তিনি বলেন, তারা অনেকগুলো গ্রুপ ছিল। এখন ভর্তি বাণিজ্য করতে সবাই আমার বিরুদ্ধে এক হয়েছে। আমি এ প্রতিষ্ঠানে থাকতে চাই। যারা অন্যায় করবে তাদের বিরুদ্ধে আপনাদের সবাইকে নিয়ে লড়তে চাই। কোন অনিয়মকে কখনো প্রশ্রয় দিইনি দেবোও না।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
রাহমান মনি
২৭ জুলাই ২০২১, মঙ্গলবার, ৫:২৭

নুন্যতম ব্যক্তিত্ববোধ থাকলে অবিলম্বে পদত্যাগ করে চলে যান ।

KAYES
২৬ জুলাই ২০২১, সোমবার, ১০:১৯

Ok. It's all about admission business ? Then how come a principal using these words ?

হাবিব
২৬ জুলাই ২০২১, সোমবার, ১১:১৯

আমার মনে হয় অধ্যক্ষ মহোদয় ঠিক বলছেন। আমাদের সকলের উচিত তাকে সহযোগিতা করা।

অন্যান্য খবর