× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, সোমবার , ৪ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১১ সফর ১৪৪৩ হিঃ

‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এরপরও মিথ্যা মামলায় ফেরারি!’

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, কিশোরগঞ্জ থেকে
২৭ জুলাই ২০২১, মঙ্গলবার

২০১৭ সালের ৭ই এপ্রিল সম্মেলনের মাধ্যমে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার বুরুদিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন তৎকালীন ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. দেলোয়ার জাহান সুমন। ওই সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের তৎকালীন এমপি এডভোকেট মো. সোহ্‌রাব উদ্দিন। ফলে সাবেক এমপি সোহ্‌রাব উদ্দিনের লোক হিসেবে গায়ে তকমা লাগে দেলোয়ার জাহান সুমনের। বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নে এ আসনের এমপি নির্বাচিত হন সাবেক আইজিপি নূর মোহাম্মদ। কেবল নিজে যুবলীগ করেন বলেই নয়, দলের জন্য নিবেদিত এক আওয়ামী পরিবারের সন্তান হিসেবে দলীয় এমপি’র প্রতি পূর্ণ আনুগত্য প্রকাশ করেন। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে পাকুন্দিয়া আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কোন্দল ও দ্বন্দ্বের জের ধরে পর পর দু’টি মামলায় তাকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বশেষ বর্তমান এমপি নূর মোহাম্মদ সমর্থক হিসেবে পরিচিত এগারসিন্দুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদেক হোসেন বাদী হয়ে গত ২৫শে জুলাই পাকুন্দিয়া থানায় দায়ের করা মামলার এজাহারনামীয় ২২ আসামির মধ্যে রয়েছে বুরুদিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মো. দেলোয়ার জাহান সুমনের নামও। তাকে মামলার ৮ নং আসামি করা হয়েছে।
মামলায় আসামি হওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে ওইদিন রাতেই নিজের ফেসবুক আইডি থেকে একটি স্ট্যাটাস দেন মো. দেলোয়ার জাহান সুমন, যা ফেসবুকে ভাইরাল হয়। সেখানে তিনি লিখেন, ‘কি অপরাধ ছিল আমার? আমি কি শিবিরের লোক? আমি কি জামাতের লোক? আমি কি বিএনপি’র লোক? নাকি থানার ঘাটের নাটকের সঙ্গে সম্পৃক্ত? কেন আমার নামে এই মিথ্যা মামলা, কি অপরাধ ছিল আমার? জানি এসব মামলায় আমার ফাঁসি/ যাবজ্জীবন সাজা হবে না। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও যদি কিছুদিন পরপর এভাবে মিথ্যা অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে পালিয়ে বেড়াতে হয়, এর চেয়ে বড় কষ্ট আর কি হতে পারে?’
এ ব্যাপারে মোবাইল ফোনে মো. দেলোয়ার জাহান সুমনের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, আমার নানা ডা. আব্দুল মান্নান বুরুদিয়া ইউনিয়নের তিনবারের সাবেক চেয়ারম্যান ও বুরুদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে আমৃত্যু আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। আমার বাবা মো. নূরুজ্জামান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ছিলেন। আমার মামা মাহবুবুর রহমান বুরুদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি। আমি নিজে ছাত্রলীগের রাজনীতি করে ইউনিয়ন যুবলীগের দায়িত্ব পালন করছি। এরপরও উপজেলার রাজনৈতিক খেলায় জড়িয়ে আমাকে একের পর এক মিথ্যা মামলার জালে জড়ানো হচ্ছে। ইউপি চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আমার নাম আসায় এমনটা হচ্ছে বলে আমি মনে করছি।
দেলোয়ার জাহান সুমন জানান, এর আগেও তাকে আরেকটি মামলার আসামি করা হয়েছিল। ওই মামলার ঘটনার সময় এক স্বজনের জানাজায় অংশগ্রহণ ও শত শত মানুষের সামনে বক্তব্য রাখলেও পাকুন্দিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রফিকুল ইসলাম রেনুসহ অন্যদের সঙ্গে তাকে আসামি করা হয়। গাড়ি ভাঙচুরের এই মিথ্যা মামলাটি গত ২৮শে মার্চ আদালত খারিজ করে দেয়। গত ২২শে জুলাই পাকুন্দিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক হিসেবে সাবেক এমপি এডভোকেট মো. সোহরাব উদ্দিনের নাম ঘোষণার পর তাকে অভিনন্দন জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেয়ার কারণে আবারো তাকে মামলার আসামি করা হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর