× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, বুধবার , ৬ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৩ সফর ১৪৪৩ হিঃ

ইসলামপুরে চিকিৎসকের অবহেলায় সর্বস্বান্ত হাঁস খামারি

বাংলারজমিন

ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি
২৮ জুলাই ২০২১, বুধবার

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্তব্যরত চিকিৎসকের অবহেলায় ৮শ’ হাঁস মারা গেছে। এ ঘটনায় সর্বস্বান্ত হয়েছেন হাঁসের খামারি উপজেলার পলবান্ধা ইউনিয়নের উত্তর সিরাজাবাদ এলাকার আবুল হাসেম খানের ছেলে আব্দুল আওয়াল খান জিন্নাত (২৮)। জানা গেছে, গত চার মাস আগে নেত্রকোনার সরকারি হাঁসের ফার্ম থেকে ১ হাজার ২৫টি বেইজিং জাতের হাঁসের বাচ্চা নিয়ে এসে খামার গড়ে তোলেন জিন্নাত। খামারে যথারীতি হাঁসের বাচ্চার যত্ন ও খাওয়ানোর পর বেশ বড় হয়ে ওঠে। হাঁসগুলোর বর্তমান বয়স ৪ মাস ১০ দিন। আর মাত্র ১৫ থেকে ১৬ দিন পরে হাঁসগুলো ডিম পাড়তে শুরু করবে। এর মধ্যে গত রোববার রাতে ৩-৪টি হাঁস অসুস্থ হয়ে মারা যায়। সোমবার সকালে একটি মরা হাঁস নিয়ে উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন আব্দুল আলিমের কাছে যান তিনি।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত হাঁসটিকে পোস্টমর্টেম করে প্রেসক্রিপশন করে দেন। সেই মোতাবেক ওষুধ খাওয়ানোর পর খামারজুড়ে মড়ক শুরু হয়। মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে সোমবার সন্ধ্যা পযন্ত হাঁসগুলো মাথা ঘুরে পড়ে মারা যায়। ভুক্তভোগী খামারি আব্দুল আওয়াল খান জিন্নাতের অভিযোগ, ওষুধ খাওয়ার পর হাঁসগুলো মারা যেতে শুরু করে, পুনরায় ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে খামারে আসেনি। ডাক্তার খামারে না আসার নানান অজুহাত দেখিয়েছে। ভুক্তভোগী খামারি আরও জানান, ‘আমার এত বড় ক্ষতিতে এখন যেন আকাশ ভেঙে মাথার ওপর পড়েছে। আমি বেকারত্ব থেকে স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য খামার গড়ে তুললেও প্রাণিসম্পদ বিভাগের কেউ কোনো খোঁজখবর নেননি। ঠিকমতো চিকিৎসাও দেননি। ফলে আমার পরিশ্রমের খামারের হাঁস মরে গিয়ে অন্তত ৪ লাখ টাকার ক্ষতি হলো।’ এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ভেটেরিনারি সার্জন ডাক্তার আব্দুল আলিম বলেন, ‘মৃত একটি হাঁসকে পোস্টমর্টেম করে ওষুধ লিখে প্রেসক্রিপশন করে দিয়েছি। লকডাউনের কারণে আমি লাইভ রিস্কস নিয়ে তার খামারে যেতে পারেনি। এসব বিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ছানোয়ার হোসেন বলেন, ‘এতগুলো হাঁস মারা গেল, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। হাঁসগুলো কি কারণে মারা গেছে খামারির বাড়িতে গিয়ে খোঁজখবর নেবো।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর