× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, সোমবার , ৪ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১১ সফর ১৪৪৩ হিঃ

তিন সপ্তাহ ধরে চলছে ক্যালিফোর্নিয়ার দাবানল, পুড়ে গেছে শত শত বাড়ি ও যানবাহন

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক
(১ মাস আগে) জুলাই ২৮, ২০২১, বুধবার, ৬:৩৪ অপরাহ্ন

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া প্রদেশের উত্তর অংশে গত তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলছে ভয়াবহ দাবানল। এতে পুড়ে গেছে ৪ শতাধিক ভবন ও সাড়ে তিনশ গাড়ি। পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে ৪ লাখেরও বেশি একর এলাকার বনাঞ্চল। দাবানল নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে দেশটির দমকলকর্মীরা। এ সপ্তাহে আবার তাপমাত্রা বাড়ছে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে মার্কিন আবহাওয়া দপ্তর। ফলে আগুনের তীব্রতা আরও বাড়তে যাচ্ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পুরো বছরজুড়েই যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক দাবানল দেখা গেছে। এ বছর দেশটিতে দাবানলে ২৮ লাখ ২০ হাজার একর এলাকা আগুনের কবলে পড়েছে।
এর বেশিরভাগই পশ্চিমের প্রদেশগুলোতে। পুড়ে গেছে অন্তত ১৫ লাখ একর এলাকা। সবমিলিয়ে ১২টি অঙ্গরাজ্যে ৭৯টি দাবানলের ঘটনা ঘটেছে এ বছর। এ সপ্তাহেই উত্তর ক্যালিফোর্নিয়া দু’টি দাবানলের ঘটনা ঘটেছে। এর ফলে লাসেন এবং প্লামাস ন্যাশনাল ফরেস্টে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। প্রদেশটির ইতিহাসে এটিকে ১৫তম ভয়াবহ দাবানল বলা হচ্ছে। দাবানলের কারণে পুরো এলাকা থেকে সরিয়ে নিতে হয়েছে ৮ হাজারেরও বেশি মানুষকে। ছাই উড়ছে বাতাসে। এতে করে বাতাসও বিষাক্ত হয়ে পরছে বলে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Professor Dr.Mohamme
২৯ জুলাই ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৫:০০

শ্যামনগরে ১৫ হাজার চিংড়ি ঘের ভেসে যাওয়ার খবর এসেছে যা প্রতি মাসে পূর্ণিমা এবং অমাবস্যায় ঘটে থাকে যা আমাদের কর্মফল । বৃহত্তর খুলনা জেলার পূর্ব ভাগের নদি গুলো মরে যাওয়াতে সরের পানি খোলপেটুয়া বিধৌত বিশেষ করে কয়রা, শ্যামনগর শিবসার নিম্নাঞ্চল, দাকপ এর বিস্ত্রিন এলাকা বর্ষা কালে দুই গোনে এবং গাঙ্গেয় পশ্চিম বঙ্গে জলোচ্ছ্বাসের কারনে ইছামতি নদীতে পানি বৃদ্ধি পেলে কালীগঞ্জের দক্ষিন এলাকা তলিয়ে যায় । ৪০ বছর আগে অত্র এলাকা শস্য শ্যামলা ছিল । কিন্ত স্বৈরাচার এরশাদের এক ফরমান সব কিছুকে পরিবর্তন করে দিল । ঘের মালিকগন, ছোট ,বড় চিংড়ি ঘের সৃষ্টি করে সাধারণ মানুষের আয় উপার্জনের রুদ্ধ করে দিয়েছে । পরিবেশ,গবাদি পশু আর সাক সবজির ক্ষেত ধংস হয়ে গেছে অনেক আগে । মাত্র চার দশকের বাবধানে, আর্থিক দিক দিয়ে উদ্বৃত্ত এই এলাকায় মানুষ কোন ভাবে বেঁচে আছে । স্থানীয় প্রশাসন আর জনপ্রতিনিধিরাও আর এ ব্যাপারে তেমন কোন কার্যকর করতে পারেন নি । এমতাবস্থায়, আমরা দেলটা প্লানের কার্যকর এবং দ্রুত বাস্তবায়ন আশা করছি ।

অন্যান্য খবর