× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, বুধবার , ১৪ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২০ সফর ১৪৪৩ হিঃ

জোর করে কাবুল দখল করলে স্বীকৃতি পাবেনা তালেবান: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক
(২ মাস আগে) জুলাই ২৮, ২০২১, বুধবার, ৮:৫৪ অপরাহ্ন

আফগানিস্তানের তালেবান ও চলমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে ভারত সফরে রয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। বুধবার তিনি ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এসময় তিনি বলেন, আফগানিস্তানে তালেবান যদি জোর করে ক্ষমতা দখল করতে চায় তাহলে তারা কখনোই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাবে না। এ খবর দিয়েছে বিবিসি।

অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেন, তালেবান ও আফগান সরকারের মধ্যে শান্তি আলোচনার মধ্যে সমাধান খোঁজাই একমাত্র পথ বলে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বাস করে। গত সপ্তাহে আমরা বেশ কয়েকটি জেলা সদরে তালেবানের অগ্রযাত্রা দেখেছি। প্রাদেশিক কয়েকটি রাজধানীও তারা কব্জা করতে চাইছে। যে সব এলাকা তারা দখল করেছে সেখানে নির্যাতন চালানোরও খবর আসছে - যেগুলো সত্যিই বিচলিত করার মতো। পাশাপাশি আমি এটাও বলব তালেবান কিন্তু বহুদিন ধরেই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি চাইছে, চাইছে তাদের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হোক এবং তাদের নেতারা যাতে দুনিয়ায় অবাধে ঘুরে বেড়াতে পারেন।

কিন্তু আফগানিস্তানে জোর করে ক্ষমতা দখল করতে গেলে বা নিজেদের লোকদের ওপর অত্যাচার করে সে লক্ষ্য পূরণ হবে না।

এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানী দিল্লিতে পৌঁছান মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এটিই বাইডেন প্রশাসন ওয়াশিংটনে দায়িত্ব নেয়ার পর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এটাই ছিল প্রথম ভারত সফর। বুধবার সকালে প্রথমে বৈঠক করেন ভারতের সুশীল সমাজের বাছাই-করা জনাকয়েক প্রতিনিধির সঙ্গে। তারপর একে দেখা করেন দেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে। সবগুলো বৈঠকেই আলোচনার একটা বড় অংশ জুড়ে ছিল আঞ্চলিক নিরাপত্তা তথা আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি। তিনি দাবি করেন,  আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহার শুরু হয়ে গেলেও সে দেশে শক্তিশালী একটি দূতাবাস ও নানা উন্নয়নমূলক ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের মধ্যে দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জোরালো প্রভাব ও উপস্থিতি থাকবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
N Islam
২৮ জুলাই ২০২১, বুধবার, ১১:২০

গুজরাটের দাঙ্গায় কয়েক হাজার মুসলিমকে হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ এনে নরেন্দ্র মোদীকে কালো তালিকাভুক্ত করেছিলো যুক্তরাষ্ট্র, সেখানে নরেন্দ্র মোদীর প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছিলো । আর আজকে তাদের অবস্থান দেখুন । এই হলো যুক্তরাষ্ট্র । "যে পাতে ---, সেই পাতেই খায়" - বহুল প্রচলিত প্রবাদটি যুক্তরাষ্ট্রের সাথেই সবচেয়ে বেশী যায় ।

অন্যান্য খবর