× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, বুধবার , ৭ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৩ সফর ১৪৪৩ হিঃ

সিমেন্ট কারখানা বন্ধ থাকায় সরকারি প্রকল্পে প্রভাব পড়ার শঙ্কা

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার
৩০ জুলাই ২০২১, শুক্রবার

 চলমান কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যেও দেশের বড় প্রকল্পগুলোর কাজ অব্যাহত রেখেছে সরকার। আর এই প্রকল্পগুলোর নির্মাণ উপকরণের মধ্যে সিমেন্ট হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়া সিমেন্ট উৎপাদনের পর তা দ্রুত ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু কারখানা বন্ধ থাকায় গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলোতে নিরবচ্ছিন্নভাবে সিমেন্ট সরবরাহ করা যাচ্ছে না। ফলে প্রকল্প কাজের গতি কমে যাচ্ছে; এমনকি এতে গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প কাজগুলো থেমেও যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, বড় প্রকল্পগুলোতে সিমেন্ট সরবরাহ অব্যাহত রাখার স্বার্থে হঠাৎ করেই কারখানার কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করা যায় না। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সিমেন্ট রক্ষণাবেক্ষণের কাজগুলো শেষ করতে হয়। অথচ নির্মাণ উপকরণের কারখানাগুলো বন্ধ রাখায় পদ্মা সেতু রেল সংযোগ, কর্ণফুলী টানেল এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো বড় বড় প্রকল্প কাজে প্রভাব ফেলেছে।
কাজের গতি কমার সঙ্গে সঙ্গে সেগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।
বড় প্রকল্পের নির্মাণকাজে পাথর, ইস্পাত, সিমেন্টসহ নানা উপকরণ ব্যবহৃত হয়। এর মধ্যে ইস্পাত পণ্য বিশেষ করে রড ও সিমেন্ট দেশেই উৎপাদিত হয়। কিন্তু প্রকল্প কাজের জন্য যে উৎপাদিত সিমেন্ট সেগুলো এক সপ্তাহের মধ্যেই ব্যবহার করতে হয়। তাছাড়া দেশের বড় প্রকল্পের কাজ অব্যাহত রাখতে এবং নির্মাণ উপকরণের সরবরাহ নিশ্চিত করতে হলে কারখানা চালু রাখার বিকল্প নেই বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
জানা যায়, কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পে চলতি বছরের মে পর্যন্ত ভৌত অগ্রগতি হয়েছে ৬৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ। আগামী ২০২২ সালের ডিসেম্বরে কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পের নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এদিকে পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের চিঠিতে প্রকল্প কাজ অব্যাহত রাখতে সিমেন্ট সরবরাহ অব্যাহত রাখা দরকার বলে জানানো হয়েছে। এ ছাড়া নির্মাণ উপকরণ সরবরাহকারীদের কারখানা মূলত ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জে অবস্থিত। এসব কারখানাকে বিধিনিষেধের মধ্যে নির্মাণ উপকরণের সরবরাহ ঠিক রাখতে প্রকল্প কার্যালয় থেকে চিঠি দেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে প্রিমিয়ার সিমেন্ট কোম্পানির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (মার্কেটিং) ফেরদৌস আমিন বলেন, সরকার মানুষের জীবনের চিন্তা করেই লকডাউন দিয়েছে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ চালু রেখেছে। কল-কারখানা বন্ধ রাখা হয়েছে। এখানেই সমস্যা। কল-কারখানা বন্ধ থাকায় নির্মাণ সামগ্রী সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। বিষয়টি বিবেচনায় নিলে প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে যাবে। বিষয়টি ভেবে দেখার অনুরোধ করছি কর্তৃপক্ষকে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর