× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, সোমবার , ৪ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১১ সফর ১৪৪৩ হিঃ

সরবরাহ বাড়লেও কমেনি নিত্যপণ্যের দাম

দেশ বিদেশ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার
৩১ জুলাই ২০২১, শনিবার

ঈদ এবং চলমান কঠোর বিধিনিষেধের কারণে বাড়ে সবজিসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্যের দাম। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারগুলোতে সরবরাহ বাড়লেও কমেনি কোনো পণ্যের দাম। প্রায় সব ধরনের সবজি বাড়তি দাম স্থিতিশীল রয়েছে। আর ঈদের আগে বেড়ে যাওয়া মাছের দাম এখনো বেশ চড়াই রয়েছে।
গতকাল শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে মাছ ও সবজির সব দোকানই খুলেছেন ব্যবসায়ীরা। গত সপ্তাহে বেশির ভাগ বাজারে দোকান বন্ধ ছিল। তবে এখন সব দোকান খুলে গেছে। প্রতিটি বাজারেই ব্যবসায়ীর সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি পণ্যের সরবরাহ বেড়েছে।
ব্যবসায়ীদের স্বাভাবিক সময়ের মতো দোকান খোলার বিষয়ে খিলগাঁওয়ের ব্যবসায়ী মো. রুবেল বলেন, ঈদের পর বেশকিছু দিন অধিকাংশ দোকান বন্ধ ছিল। তবে দুই-তিনদিন ধরে সবাই চলে এসেছে।
সবারই সংসার আছে, বসে থাকলে চলবে না। তাই ঈদ হোক আর লকডাউন হোক পেট চালাতে গেলে আমাদের দোকান খুলতেই হবে। তিনি বলেন, সবাই দোকান খোলায় এখন বাজারে সবজির সরবরাহ বেড়েছে। তবে সবজির চাহিদা এখনো স্বাভাবিক হয়নি। ঈদের মাংস এখনো অনেকের ঘরে রয়েছে। তাই সবজির চাহিদা এখনো কিছুটা কম। আমাদের ধারণা আগামী সপ্তাহ থেকে সবজির চাহিদা বাড়বে। সেই সঙ্গে দামও কিছুটা বাড়বে।
ব্যবসায়ীদের মতে, আগের মতো এখনো সব থেকে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে গাঁজর ও টমেটো। মানভেদে গাঁজর বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১১০ টাকা কেজি। আর পাকা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকার মধ্যে।
এছাড়া ঝিঙে বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি, করলা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৩০ থেকে ৪০ টাকা, পটোল ২০ থেকে ৩০ টাকা, কাঁচা পেপে ২৫ থেকে ৩০ টাকা এবং কাঁচকলার হালি বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকার মধ্যে। আগের মতো ঢেঁড়স পাওয়া যাচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকার মধ্যে। বরবটি পাওয়া যাচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। এক পোয়া (২৫০ গ্রাম) কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকা। আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা কেজি।
স্বাভাবিক সময়ের মতো সব ধরনের মাছ পাওয়া যাচ্ছে। রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩৮০ টাকা কেজি, মৃগেল ২২০ থেকে ২৫০ টাকা, তেলাপিয়া ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা আর পাবদা বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ থেকে ৬০০ টাকা কেজিতে। তবে গত সপ্তাহে অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়া চিংড়ি মাছের দাম কিছুটা কমেছে। গত সপ্তাহে ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া চিংড়ি এখন ৫৫০ থেকে ৬৫০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। বাজারে সব থেকে কম দামে বিক্রি হচ্ছে পাঙাশ মাছ। ১৩০ থেকে ১৬০ টাকা কেজির মধ্যে পাঙাশ মাছ কিনতে পারছেন ক্রেতারা।
মাছ ব্যবসায়ী বলেন, বাজারে মাছের সরবরাহ বাড়লেও ক্রেতা খুব একটা বাড়েনি। কারণ এখনো অনেকে গ্রামের বাড়িতে রয়েছেন। তাছাড়া কোরবানির মাংসও আছে অনেকের বাসায়। তবে লকডাউন খুললে ক্রেতার সংখ্যা বেড়ে যাবে। তখন মাছের দামও একটু বাড়তে পারে।
এদিকে গত সপ্তাহে গরু ও খাসির মাংসের দোকান বন্ধ থাকলেও এখন প্রায় সবগুলো খুলে গেছে। গরুর মাংস আগের মতোই ৫৮০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ৯৫০ টাকা প্রতি কেজি। এছাড়া আগের মতো ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা কেজিতে, লেয়ার মুরগি ২৩০ থেকে ২৪০ টাকা। আর সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৪০ টাকা প্রতি কেজি।
মুরগি ব্যবসায়ী কাদের বলেন, আমি ঈদের পরের দিন থেকেই দোকান খুলছি। তবে গত বুধবার পর্যন্ত তেমন ক্রেতা ছিল না। কাল থেকে ক্রেতা একটু বাড়ছে। তবে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বিক্রি এখনো অনেক কম।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর