× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, বুধবার , ৭ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৩ সফর ১৪৪৩ হিঃ

গার্মেন্টস খুলে দেয়ায় ফের বাড়বে করোনা সংক্রমণ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার
(১ মাস আগে) আগস্ট ১, ২০২১, রবিবার, ৪:১৪ অপরাহ্ন

চলমান লকডাউন নিষেধাজ্ঞার মধ্যে গার্মেন্টস খুলে দেয়ায় করোনা সংক্রমণ আরও বাড়বে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এক কোটি মানুষকে করোনা টিকার আওতায় নিয়ে আসা হবে । আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর মহাখালীর বিসিপিএস মিলনায়তনে প্রথমবর্ষের এমবিবিএস ক্লাসের (২০২০-২১) উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে গণমাধ্যমকে এ কথা জানান তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আজ থেকে পোশাক কারখানা খুলে দেয়ায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ কর্মস্থলে এসে যোগ দিয়েছে। কিন্তু তারা স্বাস্থ্যবিধি মানেনি যার জন্য সংক্রমণ বাড়বে। তিনি আরও বলেন, সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে সরকারকে সব দিক বিবেচনা করতে হয়।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, দেশের উত্তরাঞ্চলে সংক্রমণ কম এবং মধ্যাঞ্চলে সংক্রমণ পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে। তিনি বলেন, পূর্বাঞ্চলে সংক্রমণ বাড়ছে কিন্তু সেখানে হাসপাতালের শয্যা বাড়ানোর কোনো সুযোগ নেই।
এছাড়া আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এক কোটি মানুষকে করোনা টিকার আওতায় নিয়ে আসা হবে বলেও জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
টিকার জন্য কোনরূপ পূর্ব নিবন্ধনের প্রয়োজন হবে না বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মন্ত্রী বলেন, ভোটার আইডি কার্ড নিয়ে টিকা কেন্দ্রে গেলেই হবে। যাদের কার্ড নেই তাদের বিশেষ ব্যবস্থার আওতায় টিকা দেয়া হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Abu Saleh Chy
২ আগস্ট ২০২১, সোমবার, ১২:১৩

শুধু করোনা নয় অনেক কিছু হতে পারে। যেমন খেঁটে খাওয়া মানুষকে কাজে যোগ দিতে বলা হয়েছে। বেঁচে থাকলে কোরোনার ভয়ের চেয়ে চাকরির ভয় বেশি। কারণ চাকরি খাওয়ার ব্যাবস্থা করে। খাওয়া না থাকলে এমনিতেই মরতে হবে। সেকারণে হয়তো চাকরি হারানোর ভয় থেকে বাসে ও লঞ্চে ধারণ ক্ষমতা ২০ জন হলে বুজাই হবে ৫০ জন বা আরো বেশি। পরে দুর্ঘটনা ঘটে মরতে পারে। তারপর দেখা যাবে বাস বা লঞ্চের মালিকে পুলিশ ধরে নিয়ে রিমান্ড দিচ্ছে। আর সকল কর্ম কর্তা, রাজনৈতিক , বুদ্ধিজীবী মিলে বের করবেন এই ছিলোনা , ঐ ছিলোনা , দেখার কেউ ছিলোনা , সবাইকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে ইত্যাদি নানা কথা। অথচ এরকম হটাৎ করে সব রেস্টিকশন উঠিয়ে দিতে ১০ বছরের অবুজ ও চিন্তা করবেনা। কিন্তু এ কথাটি আমরা বুজলে উদ্যোক্তা ( গার্মেন্টস ব্যাবসায়ী ) , পরিকল্পনাকারী ( প্ল্যান মেকার ) ও সরকার সবাই যে বুজেননি তা নয়। বরং জেনে কোনো সুদূর উদ্দেশ্য নিয়েই করেছেন। তাই অতিরিক্ত বুজাইয়ে মানুষ মরলে সে হত্যা কাণ্ডের দায় এ সকলের। যদিও পরে জেল কাটবে একাই বাস বা লঞ্চের মালিক।

অন্যান্য খবর