× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, বুধবার , ৭ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৩ সফর ১৪৪৩ হিঃ

যে কারণে পর্দায় নেই সুচরিতা

বিনোদন

মুজাহিদ সামিউল্লাহ
৩ আগস্ট ২০২১, মঙ্গলবার

ঢাকাই সিনেমা প্রেমিকদের ‘বাবলু’ ছবির সেই ছোট্ট শিশুর কথা নিশ্চয়ই  মনে আছে, যে একজন মেয়ে হয়েও বালক চরিত্রে দুর্দান্ত অভিনয় করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন বেবী হেলেন। সময়ের পরিক্রমায় বেবী হেলেন বনে যান নায়িকা সুচরিতা। ১৯৬৯ সালে ‘বাবলু’ ছবিতে শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয় করে ১৯৭২ সালে ‘স্বীকৃতি’ ছবিতে তিনি নায়িকা হয়ে এলেন। এই নবীন নায়িকা তার গালে টোলপড়া মিষ্টি চেহারা দিয়ে দর্শকদের মন জয় করে নেন। ঢাকাই সিনেমায় ধীরে ধীরে অভিনয়গুণে তার চাহিদা বাড়তে থাকে। সেই সময় শাবানা, ববিতা, কবরীর দাপট সিনেমায়। সুচরিতার সৌভাগ্যই বলতে হয় যে তিনি নিজের একটি জায়গা তৈরি করতে সক্ষম হন।
তার সাবলীল অভিনয়, কণ্ঠস্বর, মিষ্টি হাসি দর্শকদের মাঝে ঝড় তোলে। ‘যাদুর বাঁশি’- ছবিতে তিনি আকাশ ছোঁয়া জনপ্রিয়তা পান। প্রযোজক-পরিচালকরা নির্ভর করতে থাকেন সুচরিতার ওপর। এই শিল্পী তার অভিনীত ‘দাঙ্গা’, ‘হাঙ্গর নদী গ্রেনেড’, ‘দি ফাদার’, ‘ত্রাস’, ‘জীবন নৌকা’, ‘আঁখি মিলন’, ‘নাগরদোলা’ প্রভৃতি ব্যবসা সফল ছবি দিয়ে দর্শকদের মাতিয়ে রাখেন। সুচরিতা ১৯৮০ সালে আমজাদ হোসেনের ‘হীরামতি’ ছবিতে অভিনয়ের সময় হঠাৎ করে বিয়ে করে বসেন নায়ক জসিমকে। এ  কারণে আমজাদ হোসেন ‘হীরামতি’ ছবি থেকে তাকে বাদ দিয়ে নায়িকা দিতিকে সুযোগ করে দেন। কিন্তু জসিমের সঙ্গে বেশিদিন সংসার করতে পারেননি, ডিভোর্স হয়ে যায় তাদের। ১৯৮৯ সালে তিনি বিয়ে করেন বিশিষ্ট প্রযোজক, প্রদর্শক কে. এম. আর মঞ্জুরকে। এই দম্পতির ৩ সন্তান রয়েছে। ২০১২ সালে সুচরিতার আবার ডিভোর্স হয়ে যায়। এরপর থেকে ৩ সন্তান নিয়ে সময় পার করছেন সুচরিতা। এই গুণী শিল্পী ১৯৯৭ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান ‘হাঙ্গর নদী গ্রেনেড’ ছবিতে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য। ২০১৮ সালে দ্বিতীয়বারের মতো ‘মেঘ কন্যা’ ছবিতে পার্শ্ব চরিত্রে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। তবে সামাজিক অনুষ্ঠানে খুব কমই দেখা যায় এখন তাকে। বছর তিনেক আগে শিল্পী সমিতির পিকনিকে এসেছিলেন। বিগত কয়েক বছর ধরে রূপালী পর্দায় সুচরিতার উপস্থিতি একেবারেই কম। কারণ পরিবার নিয়েই তার এখনকার ব্যস্ততা। তার সন্তানরা দার্জিলিংয়ে লেখাপড়া করছেন। তাদের পড়াশোনা ও সংসারের দেখভাল করেই বেশির ভাগ সময় পার করছেন সুচরিতা। এদিকে সম্প্রতি এই শিল্পী ওমরাহ পালন করে এসেছেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর