× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, সোমবার , ৪ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১১ সফর ১৪৪৩ হিঃ

করোনার বছরে রেকর্ড বাণিজ্য ঘাটতি

দেশ বিদেশ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার
৫ আগস্ট ২০২১, বৃহস্পতিবার

মহামারি করোনার কারণে বেড়েছে আমদানি ব্যয়। তবে সে অনুযায়ী রপ্তানি করতে পারেনি দেশ। যার প্রভাব পড়েছে বৈদেশিক বাণিজ্যে। বেড়েছে ঘাটতির পরিমাণ। ২০২০-২১ অর্থবছরে (জুলাই-জুন) শেষে প্রায় দুই হাজার ২৮০ কোটি ডলার বাণিজ্য ঘাটতিতে পড়েছে বাংলাদেশ। দেশীয় মুদ্রায় ঘাটতির পরিমাণ প্রায় এক লাখ ৯৩ হাজার ৭৯১ কোটি টাকা। বাণিজ্য ঘাটতির এ পরিমাণ ইতিহাসে সর্বোচ্চ। বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২০-২১ অর্থবছরের জুলাই-জুন বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাবে ভারসাম্যের (ব্যালেন্স অব পেমেন্ট) ওপর করা হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০২০-২১ অর্থবছরের ইপিজেডসহ রপ্তানি খাতে বাংলাদেশ আয় করেছে ৩ হাজার ৭৮৮ কোটি ডলার। এর বিপরীতে আমদানি বাবদ ব্যয় করেছে ৬ হাজার ৬৮ কোটি ডলার। এ হিসাবে পণ্য বাণিজ্যে সার্বিক ঘাটতি দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ২৮০ কোটি লাখ (২২.৮০ বিলিয়ন) ডলার। ঘাটতির এ পরিমাণ ২০১৯-২০ অর্থবছরের চেয়ে ২৭.৬৭ শতাংশ বেশি।
এ সময়ে পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ আগের বছরের তুলনায় ১৫.৩৮ শতাংশ বেশি আয় করেছে। বিপরীতে পণ্য আমদানির ব্যয় আগের বছরের চেয়ে ১৯.৭১ শতাংশ বেড়েছে। এ সময় দেশের প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স প্রবাহও চাঙা ছিল। গেল অর্থবছরে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৩৬.১১ শতাংশ। এদিকে বীমা, ভ্রমণ ইত্যাদি খাতের আয়-ব্যয় হিসাব করে সেবা খাতের বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ করা হয়। করোনাকালীন মানুষ ভ্রমণ কম করেছে। তবে আমদানি-রপ্তানি বেশি হওয়া বীমার খরচও বেড়েছে। ফলে সেবা খাতের বাণিজ্য ঘাটতিও বেড়েছে। গেল অর্থবছরের এ খাতের ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৩০০ কোটি ৮০ লাখ ডলার। ২০১৯-২০ অর্থবছরের এই ঘাটতি ছিল ২৫৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার। মহামারির মধ্যেও প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের (এফডিআই) পরিমাণ বেড়েছে। গেল অর্থবছরে ৩৫০ কোটি ১০ লাখ ডলারের এফডিআই পেয়েছে বাংলাদেশ। তার আগের অর্থবছরে যা ছিল ৩২৩ কোটি ১০ লাখ ডলার।
বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে সরাসরি মোট যে বিদেশি বিনিয়োগ আসে তা থেকে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান মুনাফার অর্থ নিয়ে যাওয়ার পর যেটা অবশিষ্ট থাকে সেটাকে নিট এফডিআই বলা হয়। আলোচিত সময়ে নিট বিদেশি বিনিয়োগও আগের বছরের চেয়ে ৩৯.৩৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ১৭৭ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরে যা ছিল ১২৭ কোটি ডলার। এদিকে সার্বিক রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ার কারণে ওভারঅল ব্যালেন্স ৯২৭ কোটি ডলারের বেশি উদ্বৃত্ত ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৩১৭ কোটি ডলার।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর