× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার , ৬ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১২ সফর ১৪৪৩ হিঃ

জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫.৪৭%, মাথাপিছু আয় ২২২৭ ডলার

অনলাইন

অর্থনৈতিক রিপোর্টার
(১ মাস আগে) আগস্ট ৫, ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৮:৩১ অপরাহ্ন

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যেও গত অর্থবছরে (২০২০-২১) বাংলাদেশে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫.৪৭ শতাংশ। স্থিরমূল্যে এই জিডিপির আকার দাঁড়িয়েছে ৩০ লাখ ১১ হাজার ৬৪ কোটি টাকা। আর মাথাপিছু আয় ২০২৪ ডলার থেকে বেড়ে ২২২৭ ডলারে পৌঁছেছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) বৃহস্পতিবার দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রাথমিক এই তথ্য প্রকাশ করেছে। ২০২০-২১ অর্থবছরের নয় মাসের (২০২০ সালের ১ জুলাই-২০২১ সালের ৩০ মার্চ) হিসাব কষে এই তথ্য প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

তবে, এর আগের অর্থবছরের (২০১৯-২০) চূড়ান্ত হিসাবে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বেশ খানিকটা কমেছে। প্রাথমিক হিসাবে এই প্রবৃদ্ধি ৫.২৪ শতাংশ বলা হলেও বৃহস্পতিবার প্রকাশিত চূড়ান্ত হিসাব দেখা গেছে, ওই অর্থবছরে প্রকৃত জিডিপি অর্জন ছিল ৩.৫১ শতাংশ।

স্থিরমূল্যে চূড়ান্ত হিসাবে ২০১৯-২০ অর্থবছরে জিডিপির আকার ছিল ২৭ লাখ ৩৯ হাজার ৩৩২ কোটি টাকা। প্রাথমিক হিসাবে ওই অর্থবছরে জিডিপির আকার ২৭ লাখ ৯৬ হাজার ৩৭৮ কোটি টাকা হয়েছিল বলে এর আগে জানায় বিবিএস।
করোনাভাইরাস মহামারির কঠিন সময়ে গত অর্থবছর ৫.৪৭ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধিকে আশাব্যঞ্জক মনে করছেন বিবিএসের মহাপরিচালক (ডিজি) তাজুল ইসলাম এবং অর্থনীতির গবেষক আহসান এইচ মনসুর।
তাজুল ইসলাম বলেন, ‘গত অর্থবছরের পুরোটা সময় দেশ কোভিড-১৯ মহামারির মধ্যে ছিল। এরমধ্যেও ৫.৪৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি খুবই ভালো অর্জন বলে আমি মনে করি। আগামী দুই-তিন মাসের মধ্যে জিডিপির চূড়ান্ত হিসাব প্রকাশ করা হবে বলে তিনি জানান।

২০২০-২১ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ছিল ৮.২ শতাংশ।
তার আগের অর্থবছরেও (২০১৯-২০) একই লক্ষ্য ছিল; ৮.২ শতাংশ। মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে ১লা জুলাই শুরু হওয়া ২০২১-২২ অর্থবছরে অবশ্য জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য কমিয়ে ৭.২ শতাংশ ধরেছে সরকার। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশে ৮.১৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়, যা ছিল দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ছিল ৭.৮৬ শতাংশ। আর ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ছিল ৭.২৮ শতাংশ।
২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয়ের পরিমাণ ছিল ২০২৪ ডলার। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ছিল ১৯০৯ ডলার। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ছিল ১৭৫১ ডলার। তার আগের ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ছিল ১৬১০ ডলার।

সাধারণত, প্রতি বছর এপ্রিল-মে মাসের দিকে ওই অর্থবছরের নয় মাসের তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে জিডিপির একটি প্রাথমিক হিসাব তৈরি করে থাকে বিবিএস। পরে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসের দিকে পুরো অর্থবছরের তথ্য-উপাত্ত হাতে পেয়ে জিডিপির চূড়ান্ত হিসাব করা হয়। তবে মহামারির কারণে ২০১৯-২০ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব এবং ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রাথমিক হিসাব দেরিতে প্রকাশ করল পরিসংখ্যান ব্যুরো।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
nasym
৬ আগস্ট ২০২১, শুক্রবার, ১০:৩৯

IF A COUNTRY HAS A DESK TOP COMPUTER LIKE BBS AND ACCOUNTANT FM,GDP GROWTH AND PER CAPITA INCOME INCREASE IS POSIBBLE EVERY SUNDAY.WHEN THREE AND A HALF CRORE INFORMAL SECTOR WORKERS ARE OUT OF FULL TIME JOB FOR LONG ONE YEAR AND A HALF,ONLY MAGIC WAND OF FM CAN INCREASE PER CAPITA INCOME AND GDP.HE IS ENVY OF RICH COUNTRY FMS.

ismail
৬ আগস্ট ২০২১, শুক্রবার, ৫:০০

বুঝিনি আমি কিসের উপর নির্ভর এই তত্ত্ব দিয়েছেন আপনারা।অথচ আমি ১৫ মাস বেকার! তবে কি ধনীদের উপর গবেষণা করে এই তত্ত্ব দিয়েছেন?

অন্যান্য খবর