× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ১৮ অক্টোবর ২০২১, সোমবার , ২ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ

করোনার চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথিক ঔষধ।

শরীর ও মন

মেহবুবা রহমান
১৭ আগস্ট ২০২১, মঙ্গলবার

একবিংশ শতাব্দিতে এসে বিশ্বে যখন বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রার জয়জয়কার ঠিক তখনি বিশ্ববাসী টের পেল করোনার ভয়ংকর তান্ডব। করোনা ভাইরাস রূপ নিল মহামারিতে। প্রতিদিন যেন বাড়ছে লাশের মিছিল। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানও যেন কিছুটা থমকে দাঁড়াল। প্রচলিত চিকিৎসা বিজ্ঞান যেন কোন ভাবেই থামাতে পারছে করোনা আক্রান্ত হওয়া ও মৃত্যুর সংখ্যা।

নতুন এ মহামারি থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হচ্ছে কার্যকর ভ্যাক্সিন বের করা। ইতিমধ্যেই বিজ্ঞানীরা অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে বেশ কিছু ভ্যাক্সিন বের করলেও, নতুন এই ভ্যাক্সিন গুলো করোনা মহামারি ঠেকাতে কতটুকু কার্যকরি? প্রকৃতপক্ষে একটি রোগের প্রায় শতভাগ কার্যকর ভ্যাক্সিন বের করতে আরও অনেক সময় প্রয়োজন। কিন্তু ততদিন কি থেমে থাকবে মানব সভ্যতার এই অগ্রযাত্রা?

এই দূর্যোগের সময় প্রচলিত চিকিৎসা ব্যবস্থার পাশাপাশি অগ্রনী ভূমিকা পালন করতে পারে আধুনিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা। প্রচলিত চিকিৎসা বিজ্ঞানের সাথে পাল্লা দিয়ে হোমিও প্যাথিক চিকিৎসাও আজ বেশ পরিণত।
প্রচলিত চিকিৎসায় করোনার ঔষধ আবিষ্কৃত না হলেও হোমিওপ্যাথিকে এর ঔষধ ও চিকিৎসা বিদ্যমান। কেননা, হোমিওপ্যাথিক এর মূলনীতি অনুসারে নতুন কোন রোগের জন্য নতুন ঔষধ আবিষ্কার করবার প্রয়োজন নেই। করোনার মত সম্পূর্ন নতুন অথবা পুরাতন যে রোগই হোক না কেন, হোমিও প্যাথিক এ যেকোন রোগের চিকিৎসা করা হয় সে রোগের লক্ষন এর উপর ভিত্তি করে। তাহলে জানা প্রয়োজন করোনার লক্ষন গুলো কি কি?
জ্বর, শুকনো কাশি, শ্বাসকষ্ট, ঘ্রানশক্তি লোপ পাওয়া, শরীর ব্যথা, মাথা ব্যথা, ডায়রিয়া, স্কিনে র্যারশ ইত্যাদি । এ সমস্ত লক্ষণের অনেক কার্যকরি ঔষধ রয়েছে হোমিওপ্যাথিতে, যারই ফলশ্রুতিতে এই করোনাকালীন সময়ে মানুষ নতুন করে ভাবছে এই হোমিওপ্যাথি নিয়ে।

হোমিওপ্যাথির বেশ কিছু ডাক্তার এবং প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা এই করোনাকালিন সময়ে বেশ গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করছেন। এর মধ্যে ভার্টেক্স ল্যাবরেটরিজ এর প্রতিষ্ঠাতা ডা. মোঃ আজিজুর রহমান রয়েছে অন্যতম। যিনি ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের হোমিওপ্যাথি ডাক্তারদের মধ্যে অগ্রগন্য এবং বর্তমানে করোনার চিকিৎসায় তার অবদান ভূয়সী প্রশংসনীয়। তার প্রতিষ্ঠানের “ফেরাম ফস ২৮” বা “Ferrum Phosphoricum 28” করোনা চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত একটি ঔষধ। বয়স্ক ব্যক্তি অথবা ডায়াবেটিস আক্রান্ত করোনা রোগীদের ক্ষেত্রেও এর ফলাফল আশাব্যঞ্জক।

এটি একজন করোনা আক্রান্ত রোগীর শরীরের ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে। শুধু তাই নয়, অনেক হোমিও ডাক্তার এখনকার সময়ে “ফেরাম ফস ২৮” ঔষধটিকে পরিবারের সকল সদস্যদেরকে সেবনের পরামর্শ দিয়ে থাকে, যাতে করে করোনা অথবা করোনার লক্ষন জাতীয় রোগ গুলোর বিরুদ্ধে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

“ফেরাম ফস ২৮” হোমিও ঔষধটি সম্পর্কে আরো বিশদভাবে জানলে আমরা এর কার্যকারিতার আরো দিক সম্পর্কে অবগত হতে পারব।

ফেরাম ফস ২৮ কি?
“ফেরাম ফস ২৮” ভার্টেক্স ল্যাবরেটরিজের উৎপাদিত একটি হোমিও পোটেন্সি মেডিসিন। এটি মানবদেহের জীবনীশক্তি বাড়িয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

কখন খাবে?
জ্বর, ঠান্ডা, হাঁচি, কাশি, গলা ব্যথা, শ্বাস কষ্ট, শরীর ব্যথা, মাথা ব্যথা, অবসাদ, স্বাদ ও গন্ধহীনতা, চক্ষু প্রদাহ, পাতলা পায়খানা ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দেয়া মাত্রই এ ঔষধ সেবন শুরু করতে হবে। এর সেবনের মাত্রা রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের নির্দেশিকা অনুযায়ী নির্ধারিত হয়ে থাকে। এছাড়া একজন মানুষ সুস্থ শরীরে এ ঔষধ সেবন করলে উপরোক্ত লক্ষণ বা সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে কমে যায়। কেননা “ফেরাম ফস ২৮” উপরোক্ত লক্ষণের বিরুদ্ধে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

গর্ভাবস্থায় অথবা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যঃ
“ফেরাম ফস ২৮” গর্ভাবস্থায় এবং ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সম্পূর্ন নিরাপদ এবং পুরোপুরি কার্যকরি।

রোগীর বয়সঃ
“ফেরাম ফস ২৮” ঔষধটি ৩ বছরের শিশু থেকে ৮০/৯০ বছরের বৃদ্ধের জন্য উপযোগী। তবে অবশ্যই বয়সভেদে ঔষধের মাত্রার তারতম্য হবে। সেক্ষেত্রে একজন রেজিস্টার্ড হোমিও ডাক্তার রোগীর বয়স এবং রোগের তীব্রতা অনুযায়ী সেবনের মাত্রা নির্ধারিত করবেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর