× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ১৮ অক্টোবর ২০২১, সোমবার , ৩ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ
কলকাতা কথকতা

রিমান্ড শেষে সোহেল রানাকে মেখলিগঞ্জ আদালতে তোলা হবে আজ

কলকাতা কথকতা

জয়ন্ত চক্রবর্তী, কলকাতা
(১ মাস আগে) সেপ্টেম্বর ৮, ২০২১, বুধবার, ৯:৩৫ পূর্বাহ্ন

তিনদিনের পুলিশ রিমান্ডের পর আজ মেখলিগঞ্জ আদালতে তোলা হবে চ্যাংড়াবান্ধা সীমান্তে আটক ঢাকার বনানী থানার পুলিশ কর্মকর্তা সোহেল রানাকে। বাংলাদেশি এই পুলিশ অফিসার ১১শ’ কোটি টাকা প্রতারণা করে ভারতকে করিডোর হিসেবে ব্যবহার করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন নেপাল, সিঙ্গাপুর অথবা ব্যাংককে। বিএসএফের ১২৮ নম্বর ব্যাটালিয়ন সোহেল রানাকে আটক করে তুলে দেয় মেখলিগঞ্জ থানার পুলিশের হাতে। রোববার তাকে আদালতে পেশ করা হলে কোর্ট তাকে তিনদিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠায়। আদালতে সাতদিনের পুলিশ হেফাজত চাওয়া হয়েছিল। বুধবার সোহেল রানার তিনদিনের পুলিশ হেফাজতের মেয়াদ শেষ হচ্ছে বলে তাঁকে মেখলিগঞ্জ আদালতের এডিশনাল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এজলাসে তোলা হবে। সাধারণ অনুপ্রবেশকারী হিসেবেই সোহেল রানাকে দেখা হবে বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে। এদিন রানার কাছ থেকে বাজেয়াপ্ত তিনটি বিদেশি মোবাইল ফোন, এটিএম কার্ড, বিদেশি পাসপোর্ট এবং কিছু কাগজপত্রও পেশ করা হবে আদালতে।
ইতিমধ্যে, বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রণালয় ফ্যাগিটিভ আসামি হিসেবে রানাকে তাদের হাতে তুলে দেয়ার আবেদন জানিয়েছে দিল্লির কাছে।
২০১৬ সালের ২৮শে জুলাই ভারত-বাংলাদেশ এগ্রিমেন্ট অনুযায়ী রানাকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেয়া সম্ভব। কিন্তু, আদালতের রায়ের ওপর সব কিছু নির্ভর করবে। বিগত চারদিন পুলিশ লকআপে কাটানো স্মার্ট রানা এখনও মানসিকভাবে দৃঢ় আছেন। কালো ট্রাউজার ও রংবেরঙের টি-শার্ট পরতে ভালোবাসেন রানা। সেই পোশাকেই তাকে দেখা যাচ্ছে লকআপে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Kazi
৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার, ৯:০২

লজ্জার। লজ্জার। লজ্জার ব্যাপার। আইন প্রয়োগ কারির বেআইনি কর্মকাণ্ড। অভ্যাসের ফল। দেশে করতে করতে অভ্যস্ত। আইন প্রয়োগ কারি প্রতিষ্ঠান তাদের সদস্যদের চরিত্র গঠনের দিকে কড়া নজরদারি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । একজনের কর্মকাণ্ড সারা প্রতিষ্ঠানের ইমেজ ধ্বংস করছে ।

অন্যান্য খবর