× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, বুধবার , ৬ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৩ সফর ১৪৪৩ হিঃ

একটি ব্রিজের অপেক্ষায় ৫০ বছর

বাংলারজমিন

এম কারিকুল ইসলাম সুমন, কামারখন্দ (সিরাজগঞ্জ) থেকে
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার

একটি ব্রিজের অপেক্ষায় ৫০ বছর ধরে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার দশশিকা-ধুনচি এলাকাবাসী। প্রতিদিন হাজারও জনগণের যাতায়াত ফুলজোড় নদীর এই খেয়াঘাট দিয়ে। ঝুঁকিপূর্ণভাবে ওই খেয়াঘাট দিয়ে কামারখন্দ উপজেলাসহ বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, হাট-বাজারে প্রতিনিয়ত যেতে হচ্ছে তাদের। বুকভরা আশা নিয়ে বারবার ছুটেছেন তারা জনপ্রতিনিধিদের কাছে। সব শেষ স্থানীয় এমপি অধ্যাপক ডা. হাবীবে মিল্লাত মুন্নার কাছেও ব্রিজটি নির্মাণের দাবি জানান ভুক্তভোগীরা। তারই আশ্বাস প্রদানে এখনো অপেক্ষমাণ ফুলজোড় নদীর দশশিকা-ধুনচি খেয়াঘাটের উভয়পাড়ের হাজার হাজার লোকজন। খেয়াঘাটের মাঝি হাসান জানান, নদীর দু’দিকে দুর্গাপুর তেঁতুলিয়া, ধুনচি, দশশিকা, পেচরপাড়া, সড়াবাড়ি, বড় কুড়া, ছোট কুড়া, মুগবেলাই, ঝাঁটিবেলাই, গাড়াবাড়ীসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের হাজার হাজার জনগণের বসবাস। অথচ স্বাধীনতার পর অর্ধশতাব্দী পার হয়ে গেলেও আজও তাদের যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়ন হয়নি।
জামতৈল ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন শেখ জানান, এ এলাকার জনগণ খুবই অবহেলিত। একজন ইউপি চেয়ারম্যানের পক্ষে পাকা সড়ক ও ব্রিজ নির্মাণ আদৌ কি সম্ভব? তিনি বারবার ব্রিজ নির্মাণের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে এনেছেন। যার কারণে ঊর্র্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আমলে নিয়েছে এবং ব্রিজ নির্মাণের জন্য সয়েল টেস্ট হয়েছে। কামারখন্দ উপজেলা প্রকৌশলী এসএম সানজিদ আহমেদ জানান, ব্রিজটি ইতিমধ্যেই সয়েল টেস্ট হয়েছে। অল্পদিনের মধ্যেই টেন্ডার প্রক্রিয়া হবে বলে আমি আশাবাদী। ব্রিজটি নির্মাণ হলে এ এলাকার হাজার হাজার জনগণের যাতায়াতে দুর্ভোগ লাঘব হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর