× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার , ৬ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১২ সফর ১৪৪৩ হিঃ

বান্দরবানে নির্মাণ হচ্ছে ৫০০ ফুট দীর্ঘ টানেল

বাংলারজমিন

নুরুল কবির, বান্দরবান থেকে
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, বুধবার

বান্দরবানে সড়ক যোগাযোগ সহজ করতে নির্মাণ হচ্ছে ৫০০ ফুট দীর্ঘ একটি টানেল। এই টানেল বর্তমান শহরের বাস স্টেশনের সঙ্গে কেন্দ্রীয় টার্মিনাল (হাফেজঘোনা) সড়ককে সংযোগ করবে। এটি পর্যটন শহর বান্দরবানের সৌন্দর্যকে বাড়িয়ে দেবে। পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে ১০ কোটি ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে টানেলটির নির্মাণ কাজ চলমান। আর এটি পার্বত্য জেলা বান্দরবানের জন্য প্রথম টানেল।
জানা গেছে, বান্দরবান বর্তমান বাস স্টেশনের জায়গা কম হওয়ায় পাশেই হাফেজঘোনায় বিশাল এলাকা নিয়ে কেন্দ্রীয় টার্মিনাল গড়ে তোলা হয়। কিন্তু টার্মিনালে যাওয়ার ওই সড়কের দু’পাশে পাহাড়। আগে এ সড়কটি নির্মাণ হলেও বৃষ্টি হলেই পাহাড় ধসের কারণে রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়।
এ ছাড়া রাস্তাটির দু’পাশে পাহাড় থাকায় যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলও ঝুঁকিপূর্ণ। তাই কেন্দ্রীয় টার্মিনালটি নির্মাণের অনেক বছর পরও সেখানে বাস যায় না। কিন্তু বর্তমান স্টেশনটি খুবই ছোট হওয়ায় দিন দিন বাস বাড়ায় সেখানে স্থান সংকুলান হয় না। ফলে সবসময়ই যানজট ও ভোগান্তি লেগে থাকে। এই দুর্ভোগ ও কেন্দ্রীয় টার্মিনাল চালু করার লক্ষ্যে পাহাড়ি সড়কটিতে টানেল নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়।
পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বিন ইয়াছির আরাফাত বলেন, দু’দফায় মোট ১০ কোটি ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ৫০০ ফুট দীর্ঘ এই টানেলটি নির্মাণ করা হবে। প্রথম দফায় ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। পরে সংশোধন করে টানেলটি ৫০০ ফুট দীর্ঘ করে আরও ৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা বরাদ্দ বাড়ানো হয়। টানেলটি নির্মাণ কাজ করছে এমএম ট্রেডার্স নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। আগামী বছরের ডিসেম্বর মাসে এটির নির্মাণ কাজ শেষ হলে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি এটি উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, এই টানেলটি কেবল সড়ক যোগাযোগেই নয়, বান্দরবান শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি হবে, পর্যটন শহরের গুরুত্ব বৃদ্ধি পাবে, পাশাপাশি মানুষের দুর্ভোগ লাঘব হবে। তিনি জানান, বর্তমানে টানেলটির ৬৫ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। করোনা অবশিষ্ট কাজ আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর