× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, বুধবার , ৬ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৩ সফর ১৪৪৩ হিঃ

কয়রায় ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা থেকে
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, বুধবার

খুলনার কয়রায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের জন্য প্রিজাইডিং, সহকারী প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ভোটগ্রহণের জন্য এসব কর্মকর্তা নিয়োগে পদমর্যাদা কিংবা বেতনের গ্রেড অনুযায়ী সিনিয়র জুনিয়র বিবেচনা না করা, অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের নিয়োগ, কর্মস্থলের ওয়ার্ডের ভোটকেন্দ্রে পোস্টিং, নিজের ভোটার এলাকা থেকে মাত্র এক কিলোমিটারেরও কম দূরত্বের কেন্দ্রে পোস্টিংসহ যে ইউনিয়নের ভোটার সেই ইউনিয়নেই দেয়া হয়েছে অনেকের ভোটগ্রহণের দায়িত্ব। উপজেলা নির্বাচন অফিসের অফিস সহকারী আব্দুর রহমানের যোগসাজশে এসব অনিয়ম হয়েছে বলে অভিযোগ। ফলে গ্রেড অনুযায়ী যথাযথ নিয়োগ না পাওয়া একাধিক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মনে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। অনেকে জুনিয়রের আওতায় কাজ করতে আগ্রহী না হওয়ায় অব্যাহতি দিয়ে নিজেকে সরিয়ে নিচ্ছেন। অপরদিকে একই ইউনিয়নের ভোটাররা ভোটগ্রহণের দায়িত্ব পাওয়ায় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যেও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ নিয়ে শঙ্কা কাজ করছে। উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, আগামী ২০শে সেপ্টেম্বর কয়রা উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে প্রথম ধাপের স্থগিত হওয়া নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে উপজেলার ১ লাখ ৬৮ হাজার ৩১৩ জন ভোটারের ভোটগ্রহণের জন্য ৬৫টি কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
৬৫ জনকে প্রিজাইডিং, ৪৯৫ জনকে সহকারী প্রিজাইডিং ও ৯৯০ জনকে পোলিং অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে।
জানা যায়, ভোটগ্রহণ অফিসার নিয়োগে সরকারি কলেজের প্রভাষকসহ বিএম শাখা ও আলীম মাদ্রাসায় কর্মরত প্রভাষককে নিয়োগ দেয়া হয়েছে নিম্ন ব্যাংকের কর্মকর্তার আওতায় সহকারী প্রিজাইডিংয়ের দায়িত্ব। এমনকি একাধিক সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তার আওতায় পোলিং অফিসার রাখা হয়েছে উচ্চ গ্রেডে কর্মরত ব্যক্তিদের। বিশেষ করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের ১৪ থেকে ১৬ গ্রেডে কর্মরতদেরকে রাখা হয়েছে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে।
কয়রা মদিনাবাদ মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষক জানিয়েছেন, তিনি ১০ গ্রেড এ বেতন পান। তাকে দেয়া হয়েছে পোলিং অফিসার। অথচ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের আওতায় কর্মরত তার থেকে নিচের গ্রেড (১৪ থেকে ১৬ গ্রেড) এর একাধিক ব্যক্তিকে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার করা হয়েছে। এছাড়া তিনি আরও বলেন, অর্থ ছাড়া কোনো কাজ নিয়ে গেলে নির্বাচন অফিসের অফিস সহকারী আব্দুর রহমান খুব দুর্ব্যবহার করেন। এ বিষয়ে অভিযোগ অস্বীকার করে আব্দুর রহমান বলেন, আমি ছোট কর্মচারী। নিয়ন্ত্রণ করবো কীভাবে তিনি আরও বলেন, অফিসের কম্পিউটার অপারেটররা স্যারের নির্দেশে সব কাজ করেছেন। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. হযরত আলী জানান, অনেকগুলো কাজ একসাথে করতে যেয়ে একটু এলোমেলো হয়েছে। তবে আমরা যেগুলোর অভিযোগ পেয়েছি সেগুলো ঠিক করে দিয়েছি। তিনি আরও বলেন, আব্দুর রহমান স্থানীয় চেনা-জানা হওয়ায় তাকে এ কাজের দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। তবে তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এ ব্যাপারে খুলনা জেলা নির্বাচন অফিসার এম. মাজহারুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনে দায়িত্ব বণ্টনের সময় গ্রেড অনুযায়ী সিনিয়র জুনিয়র দেখতে হবে। কয়রার কিছু সমস্যার কথা শুনেছি। ওরা ভুল করেছে, সেগুলো ঠিক করে দেওয়ার জন্য বলেছি। আরও অভিযোগ থাকলে সেগুলো উপজেলা নির্বাচন অফিসারের কাছে পেঁছালে তিনি ঠিক করে দেবেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর