× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২৪ অক্টোবর ২০২১, রবিবার , ৮ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ

মৃত্যুভয়ে কাপঁছে আফগানিস্তানের রূপান্তরকামীরা

অনলাইন


(১ মাস আগে) সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১, শনিবার, ৭:১৮ অপরাহ্ন

গত আগস্টে আফগানিস্তান দখল করেছিল তালেবান । শুরুতে তারা দাবি করেছিল, তারা বদলে গিয়েছে। নারীর অধিকার কিংবা সর্বোপরি মানবাধিকার রক্ষা করেই চলবে তারা। যত সময় গিয়েছে তত জেহাদিদের আসল রূপ সামনে আস্তে শুরু করেছে । আর তত পরিষ্কার হয়ে গেছে, তালেবান আছে তালেবানেই। তাছাড়া সমকামী, রূপান্তরকামী প্রভৃতি অর্থাত্‍ এককথায় এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায় নিয়ে তারা কোনও প্রতিশ্রুতিও দেয়নি। তাই আফগানিস্তানের এলজিবিটিকিউ নাগরিকদের বিরুদ্ধে তালেবান কত কঠোর ধর্মীয় আইন প্রয়োগ করবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি, কিন্তু জুলাই মাসে জার্মানির বিল্ড সংবাদপত্রকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে একজন তালেবান বিচারক বলেছিলেন, সমকামিতার জন্য মাত্র দুটি শাস্তি আছে - পাথর ছুঁড়ে বা দেয়ালের নিচে পিষে মারা ।
সেই কারণে আফগানিস্তানে এই মুহূর্তে ভয়ংকর আশঙ্কার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন ওই সম্প্রদায়ের মানুষরা। 'আমদের ওরা মেরে ফেলবেই। আমাদের এক্ষুনি আফগানিস্তান থেকে সরিয়ে নিয়ে যান।' এমনই কাতর আরজি তাদের। তালেবানের দখলে আফগানিস্তান চলে আসার পর থেকেই চরম বিপন্ন অবস্থায় এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায়ের মানুষরা। যে কোনও সময়েই জেহাদিরা তাদের মেরে ফেলবে, এমন আশঙ্কায় কাটছে দিন। সংবাদ সংস্থা সিএনএনকে ২৫ বছরের এক এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায়ের মানুষ জানাচ্ছেন, 'তালেবান আমার বাড়িতে এসে শাসিয়ে গিয়েছে। বলেছে, আমি বাড়ি ফিরলেই ওরা আমাকে খুন করবে। হ্যাঁ, আমরা এলজিবিটি। এটা আমাদের দোষ নয়। ওরা যেটা করতে পারে তা হলো- আমাদের খুন করা। 'ওই যুবক জানাচ্ছেন, কীভাবে খাদ্য ও অন্যান্য পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে তাদের। কিছু রূপান্তরকামী মানুষ সিএনএনকে বলেছেন যে, তারা কয়েক সপ্তাহ ধরে বেসমেন্টে লুকিয়ে দিন কাটাচ্ছেন , নয়তো ঠায় তাকিয়ে আছেন নিজের ফোনের দিকে। কারণ এই মুহূর্তে বাইরে বেরোনোর পথ খোলা নেই তাদের সামনে। অনেকেরই ভয়, নতুন তালেবান সরকার আগের আমলের আইন মেনে চলবে। শেষবার ক্ষমতায় থাকার সময় এলজিবিটিকিউদের প্রাণদণ্ডের বিধান দিয়েছিল তালিবান প্রশাসন। আশঙ্কা, এখনও একই পথ ধরেই এগোবে তারা। এই মুহূর্তে গোপনে লুকিয়ে থাকতে হচ্ছে তাদের। আফগানিস্তান সম্পর্কে ২০২০ সালের মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, রূপান্তরকমীরা "বৈষম্য, আক্রমণ এবং ধর্ষণের" পাশাপাশি আফগান কর্তৃপক্ষের দ্বারা হয়রানি ও গ্রেপ্তারের মুখোমুখি হয়েছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়, "সমকামিতাকে ব্যাপকভাবে নিষিদ্ধ এবং অশালীন হিসেবে দেখা হয়েছিল সেদেশে ।" আগস্টে রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে, তালেবানের শীর্ষ সিদ্ধান্ত নির্মাতা ওয়াহিদুল্লাহ হাশিমি বলেছিলেন, মৌলবাদী গোষ্ঠীর অধীনে দেশটি "শরিয়া আইন দ্বারা পরিচালিত হবে , সেই আইন অনুযায়ী সমকামিতার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। এই বিপদ থেকে বাঁচতে রাষ্ট্রপুঞ্জের হস্তক্ষেপ চাইছেন এলজিবিটিকিউরা। তাদের নিয়ে কাজ করা এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা জানাচ্ছে, যতদিন না তা হচ্ছে ততদিন তালেবানের রক্তচক্ষু এড়িয়েই গোপনে থাকতে হবে এই সম্প্রদায়ের মানুষদের।

সূত্র : সিএনএন

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
এডভোকেট কামাল হোসেইন
২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, সোমবার, ১:৪৫

LGB = শাস্তির আওতায় আসবে TQ = এদের জন্য নীতিমালা লাগবে

Kazi Hiron
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, রবিবার, ৫:০০

islami act a oder jey sasti howa dorkar seta e kora haowk.

jamal uddin
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, শনিবার, ৫:৩৬

মানবাধিকার এর নামে অবাধ যৌনাচার প্রকৃতি বিরোধী ও রুচিহীন রুপান্তরিত মানুষ নিয়ে মায়া কান্না?? ধর্মীয় অনুশাসনকে হিংস্র হিসাবে উপস্থাপন করাই কী সাংবাদীকথা?

খোরশেদ আলম
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, শনিবার, ২:১০

সমকামিতা সব ধর্মে নিষিদ্ধ, সেই নিষিদ্ধ বিসয়ে নিউজ হয়, বর বৈদ কত বিষয়ে মানুষ হাহাকার করছে তাদের কোন নিউজ হয় না। যেমন মামুনুল হক, আমির হামজা সহ অন্যায় ভাবে তাদেরকে বন্দী রাখা হয়েছে, কই তাদের জন্য তো আপনাদের লেখা এতটা স্পষ্ট না? আর আমাদের দেশের অধিকাংশ পত্রিকা ইন্ডিয়ার হয়ে লেখেন, কেন রে ভাই, আপনাকে ইন্ডিয়ান ( গুজবে ভরা)পত্রিকা থেকে ধার করতে হবে কেন??? বিশ্বে কি আর পত্রিকা নাই। নাকি আমরা সারাজীবন অন্যের দালালী করেই যাবো????

Borno bidyan
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, শনিবার, ১১:০২

ট্রান্সজেন্ডার সভ্যতার অংশ হতে পারে না! এদেরকে পুনর্বাসন যদি করতে হয় তবে মঙ্গলগ্রহই হতে পারে উপযুক্ত স্থান! একজন ট্রান্সজেন্ডার মানুষ নিজেকে, তার পরিবারকে ও সমাজকে ধ্বংস করে !

Aziz Hassan
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, শনিবার, ১০:৫০

তালেবান যে কোন চরমপন্থী গ্রুপ না সেটা বিনা রক্তপাতে কাবুল দখল ও ততপরবর্তি ক্রিয়াই প্রমান করে। তবে সাংবাদিকতার নামে সি,এন,এন জাতীয় তথাকথিত বিশ্ব সংবাদ সংস্থা কতটা মিথ্যুক আর ভয়ংকর সেটা এখন ওপেন সিক্রেট !!

Aziz Hassan
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, শনিবার, ১০:৪৯

সমকামিতার শাস্তি আল্লাহ তা’আলা দিয়েছেন লুত সম্প্রদায়কে। তার নজির এখনো জর্ডানের মৃত সাগর। সেই সমকামীদেরকে পাথর বৃষ্টি নিক্ষেপ করে আল্লাহ তাদেরকে হত্যা করেছেন। এবং সেই দৃষ্টান্ত রেখে দিয়েছেন যাতে পৃথিবীতে সমকামিতা আর না হয়, যাতে মানুষ এখান থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেন। তবু মানুষ দৃষ্টি মেলে এসব দৃষ্টান্ত দেখে না।

মোহাম্মদ আব্দুর রহিম
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, শনিবার, ১০:৩১

নিসন্দেহে সবচেয়ে নিকৃষ্ট ও বিকৃত রুচীর মানুষ সমকামিরা। তথাকথিত মানবাধিকার (যারা মানুষের অধীকার বিষয়ে সামান্যই জ্ঞান ধারণকারী ) গোষ্ঠীরা ইসলাম বিরোধী মানসিকতা থেকে মানুষকে ক্রমশ অধিকারের নামে পশুরও অধম করে তুলছে। দায়িত্বজ্ঞানহীন ও ভোগবাদীতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তথাকথিত মানবাধিকার সংঘঠনগুলো তাদের সরকারের পররাষ্ট্র নীতিমালা অনুযায়ী তাদের ভুমিকায় অবতীর্ণ হয়। অবাধ যৌনাচার ও সমকামীতা বৃদ্ধি নৈতিকতা বোধকে ক্রমশ অর্থহীন করে দিচ্ছে। এদের রাষ্ট্রীয়ভাবে আইন করে কঠোর শাস্তির আওতায় আনা উচিৎ। কেননা নিপীড়িত ব্যক্তি ব্যতিত এককভাবে কারো পক্ষে এদের বিরুদ্ধে শাস্তির দাবী করা ছাড়া অন্য ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়ার অধিকার আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কাউকে দেননি। আল্লাহ বিকৃত রুচির মানুষগুলোকেসহ আমাদের সবাইকে হেদায়েত নসীব করুন। আমীন।

Aktar
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, শনিবার, ৯:১৫

সমকামিতা একটা ভয়ানক খারাপ কাজ এদের সমাজে রাখা ঠিক না. তবে মৃত্যুদন্ড দেওয়ার আগে তাদেরকে শুধরে নিতে সুযোগ দেওয়া উচিত.

শহীদ
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, শনিবার, ৯:০৯

অবাধ যৌণাচার, সন্তানের পিতার দাবীতে নারীর আর্তনাদ, থানায় অভিযোগ আবার থানায় পুলিশ কর্তৃক ধর্ষণ, যত্রতত্র অবৈধ সন্তানের লাশ ফেলার সুখ তালেবানের আফগানিস্তানে হবে না। পরকীয়া, সংসার বিনষ্ট, নাইটকিং, নাইটকুইনদের সুখ আফগানিস্তানে হারাম।

Mohammad Nurul Islam
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, শনিবার, ৮:৫৭

সমকামিতার শাস্তি আল্লাহ তা’আলা দিয়েছেন লুত সম্প্রদায়কে। তার নজির এখনো জর্ডানের মৃত সাগর। সেই সমকামীদেরকে পাথর বৃষ্টি নিক্ষেপ করে আল্লাহ তাদেরকে হত্যা করেছেন। এবং সেই দৃষ্টান্ত রেখে দিয়েছেন যাতে পৃথিবীতে সমকামিতা আর না হয়, যাতে মানুষ এখান থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেন। তবু মানুষ দৃষ্টি মেলে এসব দৃষ্টান্ত দেখে না।

মহসীন
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, শনিবার, ৭:০৩

ধর্মীয় বিধান বাস্থবায়ন কি অন‍্যায় ? আপনারা কেন অস্বাভাবিক যৌনতার পথে যাবেন । ইসলামী রাষ্ট্র ছাড়াও অনেক দেশেই অস্বাভাবিক যৌনতা আইন বিরোধী ।

এ,টি,এম,তোহা
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, শনিবার, ৬:৫৭

"লেসবিয়ান, গে, বাইসেক্সুয়াল এবং ট্রান্সজেন্ডাররা হলো প্রকৃতি বিরোধী কিংবা বলা যায় স্রষ্টা বিরোধী নীতি নৈতিকহীন বিকৃত রুচির মানুষ রুপী নিকৃষ্ট প্রাণি। বিশ্বের কোন ধর্মমত এদের সমর্থন করেনা। শুধু মাত্র মানবাধিকারের দোহাই দিয়ে কিছু রাষ্ট্র অধিকাংশ জনমতের বিরুদ্ধে গিয়ে এদের কর্মকাণ্ডকে বৈধতা দিয়েছে। প্রকৃতির সাধারণ নিয়ম হলো নারী পুরুষের যৌনতা বা বিবাহের মাধ্যমে সন্তান জন্মদানের মাধ্যমে মানবজাতির ধারাকে বিশ্বে বহাল রাখা। এরা এই ধারার বিরুদ্ধে। বিশ্বের সব মানুষ যদি এদের মত হয় তাহলে পৃথিবীতে মানবজাতি বিলুপ্ত হবে আর এদের মত লেসবিয়ানও খুঁজে পাওয়া যাবেনা। তাই স্বাভাবিক ভাবেই বলা যায় এরা সৃষ্টির পক্ষে নয় ধ্বংস ও বিলুপ্তির পক্ষে। সুতরাং পৃথিবীকে রক্ষা করতে হলে স্বাভাবিকভাবেই এদেরকে বিলুপ্ত করতে হবে। আর এদের বিলুপ্তির একমাত্র উপায় মৃত্যুদন্ড। ইসলামী আইন অনুযায়ী শুধু নয় সভ্যতা ও আধুনিকতার দাবিও হলো অরুচিকর, অমার্জিত, বিকৃত রুচির অবসান ঘটিয়ে মানব সভ্যতা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। তালেবানরা যদি আধুনিক ও বিজ্ঞান মনস্ক হয় তাহলে দ্রুত এদের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করবে আশাকরি। এর মাধ্যমে হয়তো আল্লাহ খুশি হবেন। কারন তিনি বলেন, মুসলমানরা যখন কোন ভূখন্ডের দায়িত্ব পায় তারা নামাজ কায়েম করে, সৎ কাজের উপদেশ দেয় এবং অসৎ কাজ থেকে মানুষকে বিরত রাখে গে বা লেসবিয়ানরা হলো অসৎ।

ক্ষুদিরাম
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, শনিবার, ৭:২৭

তালেবান যে কোন চরমপন্থী গ্রুপ না সেটা বিনা রক্তপাতে কাবুল দখল ও ততপরবর্তি ক্রিয়াই প্রমান করে। তবে সাংবাদিকতার নামে সি,এন,এন জাতীয় তথাকথিত বিশ্ব সংবাদ সংস্থা কতটা মিথ্যুক আর ভয়ংকর সেটা এখন ওপেন সিক্রেট !!

অন্যান্য খবর