× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ১৮ অক্টোবর ২০২১, সোমবার , ৩ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চাকরির প্রলোভন

পুলিশের জালে প্রতারক চক্র

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, রবিবার

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চাকরির প্রলোভন ও বন্ধুত্ব করে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- কবির হোসেন, শামসুল কবীর ও ইয়াছিন আলী। গত শুক্রবার রাজধানীর কল্যাণপুর এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে বিভিন্ন ব্যাংকের চেক বই ২৫৭টি, ডেবিট কার্ড ২৩৪টি, মোবাইল ফোন ৮টি ও মোবাইল সিম ১১টি জব্দ করা হয়। গতকাল দুপুরে ডিএমপি’র মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে জানান ডিবি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার একেএম হাফিজ আক্তার।

তিনি জানান, ফেসবুকের মাধ্যমে কানাডায় লোভনীয় চাকরির প্রলোভন দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা আত্মসাতের ঘটনায় ভুক্তভোগী একজনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ১৬ই সেপ্টেম্বর কদমতলী থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা রুজু হয়। এ মামলার ঘটনায় গোয়েন্দা লালবাগ বিভাগ ৩ প্রতারককে গ্রেপ্তার করে।
তিনি জানান, এই চক্রটি বিভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত হয়ে প্রতারণা করে থাকে। এই চক্রের একটি গ্রুপ প্রথমে ভিকটিমের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে তার সঙ্গে নিবিড় বন্ধুত্ব গড়ে তোলে বা ফেসবুকে বিদেশে চাকরির অফার দিয়ে চাকরি প্রত্যাশীদের সঙ্গে হোয়াটস অ্যাপস্‌, মেসেঞ্জার এবং ই-মেইলে যোগাযোগ করে। তাদের কাছে বিভিন্ন ফি’র বাহানায় টাকা জমা দিতে বলে। হোয়াটস অ্যাপস্‌-এর মাধ্যমে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর প্রদান করে।
ফেসবুকে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে উপহার পাঠানোর কথা বলে কাস্টমস কর্মকর্তা সেজে ফোন করে। দ্বিতীয় গ্রুপের কাজ হলো বিভিন্ন নামে ব্যাংক হিসাব খোলা। এসব হিসাবধারীরা কমিশনের বিনিময়ে নিজের বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে বিভিন্ন ব্যাংকে হিসাব খুলতে থাকে এবং ঘন ঘন বাসা এবং মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করে। এই চক্রের তৃতীয় গ্রুপ এসব ব্যাংক হিসাবধারীদের স্বাক্ষরিত চেকবইয়ের পাতা, এটিএম কার্ড এবং কার্ডপিন কুরিয়ারের মাধ্যমে সংগ্রহ করে। চতুর্থ গ্রুপ প্রতিদিন ভিকটিমদের জমাকৃত টাকা চেক বা কার্ড এর মাধ্যমে উত্তোলন করে একজন ম্যানেজারের হাতে তুলে দেয়। ম্যানেজার এই টাকা তাদের কথিত বস এর হাতে পৌঁছায়। এভাবে সাপ্তাহিক বন্ধ ছাড়া প্রত্যহ ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়া যায়। তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃত কবীর হোসেনের কাজ যাবতীয় অর্থ সংগ্রহ করে ম্যানেজারের হাতে পৌঁছে দেয়া। কবির হোসেনের সহযোগী হিসেবে কাজ করে ইয়াসিন। শামসুল কবীর হলো ব্যাংক হিসাবধারী। এরা সবাই মাসিক বেতনের ভিত্তিতে বিভিন্ন স্তরে কাজ করে এবং তাদের অন্য কোনো পেশা নেই বলে প্রাথমিকভাবে তারা জানায়। গ্রেপ্তারকৃতদেরকে কদমতলী থানায় রুজুকৃত মামলায় বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর