× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২৩ অক্টোবর ২০২১, শনিবার , ৮ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ

আবাহনীর সঙ্গে ড্র করে বসুন্ধরার শিরোপা উদ্‌যাপন

খেলা

স্পোর্টস রিপোর্টার
২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার

জয় দিয়ে মৌসুম শেষ করতে পারলো না চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস। ২০২০-২১ মৌসুমে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগের শেষ ম্যাচে তারা ১-১ গোলে ড্র করলো ঢাকা আবাহনীর সঙ্গে। এই ড্রয়ের ফলে ২৪ ম্যাচ থেকে ৬৫ পয়েন্ট নিয়ে লীগ শেষ করলো বসুন্ধরা কিংস। সমান ম্যাচে ৪৭ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় হয়েছে ঢাকা আবাহনী। ৫২ পয়েন্ট নিয়ে রানার্স আপ হয়েছে শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাব। এটি বসুন্ধরা কিংসের দ্বিতীয় লীগ শিরোপা। এ ছাড়া আবাহনী ছয়বার শেখ জামাল তিনবার বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগের শিরোপার স্বাদ পেয়েছে। একবার শিরোপা জিতেছে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র।

২০০৯ ফুটবল মৌসুমে ৬৭ পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলো ঢাকা আবাহনী। বসুন্ধরার টার্গেট ছিল আবাহনীকে টপকাতে না পারলেও অন্তত স্পর্শ করা। কাল আবাহনীকে হারাতে পারলে সেটা সম্ভব ছিল। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এমন ম্যাচে ২৮ মিনিটে আত্মঘাতী গোলে পিছিয়ে পড়ে চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস। রাফায়েলের ক্রস ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালে বল জড়িয়ে দেন কিংসের অধিনায়ক তপু বর্মণ। ৩০ মিনিটে গোলের দারুণ এক সুযোগ নষ্ট করেন সানডে সিজোবা। ৩৪ মিনিটে রাফায়েলের ফ্রিকিক থেকে সানডের হেড চলে যায় ক্রসবারের উপর দিয়ে। যে তপু আত্মঘাতী গোল করে পিছিয়ে দিয়েছিলেন, সেই তপুর গোলেই ম্যাচে সমতায় ফেরে বসুন্ধরা কিংস। ৩৭তম মিনিটে রবসন রবিনহোর ফ্রিকিক থেকে দারুণ হেডে গোল করেন জাতীয় দলের এই ডিফেন্ডার। প্রথমার্ধের শেষদিকে দু’দফা আবাহনীকে বাঁচিয়েছেন গোলরক্ষক শহিদুল আলম সোহেল। প্রথমবার জনাথনের ক্রস থেকে বিশ্বনাথের হেড বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়েছেন সোহেল। এরপর কর্নার থেকে আসা বলে জনাথনের শট ডান দিকে ঝাঁপিয়ে প্রতিহত করেন শহিদুল আলম সোহেল। ৫২ মিনিটে আবারো সুযোগ নষ্ট করেন আবাহনীর সানডে সিজোবা। ৮৫ মিনিটে আবাহনীর দারুণ চেষ্টা নষ্ট করেন দেন বসুন্ধরার গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকো। সানডের হেড বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে বল বাইরে পাঠিয়েছেন জিকো। শেষ ম্যাচে জয় না পেলেও পুরো মৌসুমের জার্নিতে তৃপ্ত বসুন্ধরার হেড কোচ অস্কার ব্রুজন। তাইতো জাতীয় দল নিয়ে কিছু না বলে বসুন্ধরার এই জয়কে আগে উদ্‌যাপন করতে চাইছেন। পরপর দুটি লীগ শিরোপা জিতে এই কোচ বলেন, সাফল্যের জন্য টিম ম্যানেজমেন্টের সকলেই কৃতিত্ব পাবে। আমাদের দল পুরো মৌসুমে সেভাবে আপস অ্যান্ড ডাউন হয়নি। প্রায় একই তালে মৌসুমটা খেলে গেছি। ম্যানেজমেন্ট পার্থক্য গড়ে দেয়ার মতো প্লেয়ার নিয়ে কাজটা সহজ করে দিয়েছে। ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খেলাতে পেরেছি। অনেক বেশি বিকল্প ছিল। আমি খুবই উপভোগ করেছি পুরো মৌসুমটা। গতকালের ম্যাচ নিয়ে অস্কার বলেন, পুরো মৌসুমেই আবাহনী কঠিন প্রতিপক্ষ ছিল। প্রথমে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েছি। তবে ফিরে এসে আমরা আরও গোলের জন্য অলআউট ফুটবল খেলেছি। তবে পারিনি। কারণ আবাহনী খুব ভালো দল। এএফসি  নিয়ে আফসোস করে তিনি বলেন, এএফসি কাপে আমাদের প্রথম মিশন ছিল। প্রথম মিশনে এক ম্যাচও হারিনি। এটা অবশ্যই ভালো একটা প্রাপ্তি। নতুন দলের জন্য বিশাল অভিজ্ঞতা। আশা করছি সামনে দল সাফল্যের দেখা পাবে।’ এবারের মৌসুমে প্রাপ্তি হিসেবে তারিক কাজী ও নবাবের কথা উল্লেখ করে এই স্প্যানিশ কোচ বলেন, তারিক কাজী অসাধারণ প্রাপ্তি। খুবই কার্যকর একটা লেফটব্যাক। দেশেরও অনেকে আছে। এ ছাড়া কাতার প্রবাসী ওবায়দুর রহমান নবাবও অনেক ভালো। সে সামনের মৌসুমে আরও ভালো ফুটবল খেলবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর