× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২৩ অক্টোবর ২০২১, শনিবার , ৮ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ

সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলব অপ্রত্যাশিত

প্রথম পাতা

স্টাফ রিপোর্টার
২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার

১১ সাংবাদিক নেতার ব্যাংক হিসাব তলব করে  কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চিঠি পাঠানোর বিষয়টি অপ্রত্যাশিত বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। এভাবে চিঠিটি পাঠানো উচিত হয়নি বলে মনে করেন তিনি।  গতকাল সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিক নেতারা সাক্ষাৎ করতে গেলে নিজের এ মতামত জানান মন্ত্রী। সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আপনাদের সঙ্গে আমি সম্পূর্ণ একমত। ঘটনাগুলো অপ্রত্যাশিতভাবে ঘটেছে। আসলে আমারও জানা ছিল না। তথ্যমন্ত্রীও বোধ হয় বিষয়টি জানতেন না। আমি সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে আলাপ করেছি। তিনি আপনাদের মতোই একটি চিঠির কথা বলেছেন।
তিনি বলেন, সেই চিঠির উৎপত্তিটা কোথায়, সেটাও আমি দেখেছি। আমার মনে হয় একটি ভুল বোঝাবুঝির মাধ্যমেই চিঠিটা পাঠানো হয়েছে। যেখানেই গিয়ে থাকুক চিঠিটা, আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি এভাবে চিঠি পাঠানো উচিত হয়নি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা বিষয়টি আরেকটু দেখে নিই। কোথা থেকে কীভাবে কী হয়েছে, দেখে ব্যবস্থা নেব। অবশ্যই আপনাদের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে। আপনারা কষ্ট পেয়েছেন, ব্যথা পেয়েছেন। সেই জায়গাটায় কিছু করতে না পারলেও পরবর্তীতে এমনটা যাতে না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখবো। তিনি বলেন, আমি সবার সঙ্গে আলাপ করছি। এনএসআই, সিআইডি, এসবি, বাংলাদেশ ব্যাংক- সবার সঙ্গেই আলাপ করছি। আমি কাল রূপপুর যাচ্ছি, সেখান থেকে এসে আবার বসবো। যাতে এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়, সেগুলো আমরা দেখবো। এ মুহূর্তে আপনাদের সঙ্গে আমি সম্পূর্ণ একমত যে, চিঠিটা অপ্রত্যাশিত। এ সময় সাংবাদিক নেতারা বলেন, ব্যক্তির নামে সবার হিসাব চাওয়া যেতে পারে। সরকার প্রত্যেকেরই হিসাব চাইতে পারে। কিন্তু সাংবাদিক সংগঠনের নেতা পরিচয়ে চাওয়া হয়েছে। সরকারের নীতিনির্ধারকদের না জানিয়ে কেন সংগঠনের পরিচয়ে চাওয়া হলো। কোন সংস্থা চেয়েছে তাও জানানো হয়নি। যখন চাওয়াই হয়েছে তখন কী পাওয়া গেল সেটা জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে। উল্লেখ্য, গত ১২ই সেপ্টেম্বর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি-সম্পাদক সহ ১১ সাংবাদিক নেতার ব্যাংক হিসাব তলব করে চিঠি পাঠায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণাধীন বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। চিঠিপ্রাপ্তরা হলেন- জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান। ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি (বিএনপি সমর্থিত) আব্দুল কাদের গণি চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (আওয়ামী লীগ সমর্থিত) সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু, ঢাকা ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএনপি সমর্থিত) সভাপতি এম আব্দুল্লাহ, মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, ঢাকা ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি (আওয়ামী লীগ সমর্থিত) মোল্লা জালাল, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আব্দুল মজিদ, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোরসালীন নোমানী এবং সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান খান। চিঠিতে সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাবের যাবতীয় তথ্য (অ্যাকাউন্ট খোলার ফরম, কবে খোলা হয়েছে, জমা, উত্তোলনসহ লেনদেন বিবরণী, অ্যাকাউন্টের স্থিতি) চার কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাংকগুলোকে পাঠাতে বলা হয়। চিঠিতে তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্ট নম্বর দেয়া হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর