× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ১৮ অক্টোবর ২০২১, সোমবার , ২ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ

জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বঙ্গবন্ধুর নামে বেঞ্চ উৎসর্গ ঐতিহাসিক ঘটনা: প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন

কূটনৈতিক রিপোর্টার
(৩ সপ্তাহ আগে) সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১, মঙ্গলবার, ১:২২ অপরাহ্ন

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে তার সম্মানে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের উত্তর লনের বাগানে একটি বেঞ্চ উৎসর্গের পাশাপাশি একটি বৃক্ষরোপণকে ঐতিহাসিক ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় বেলা সাড়ে ১১টায় জাতিসংঘ সদর দপ্তরের উত্তর লনের বাগানে প্রধানমন্ত্রী এই বৃক্ষ রোপণ করেন। প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এই বৃক্ষও শতবর্ষের পরেও টিকে থাকবে। শান্তির বারতাই বয়ে বেড়াবে। বৃক্ষটির কাছেই বঙ্গবন্ধুকে উৎসর্গ করে একটি বেঞ্চ উন্মুক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। বেঞ্চটিতে বঙ্গবন্ধুর বাণী রয়েছে। বাসস জানিয়েছে, সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, জাতির জনক সব সময় শান্তির জন্য সংগ্রাম করেছেন। দরিদ্র মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্যই ছিল তার এই সংগ্রাম।
সেখানে বাংলাদেশের দরিদ্র মানুষের কথাও যেমন তিনি ভেবেছেন, তেমনি সারা বিশ্বের ক্ষুধা ও দারিদ্র্যজর্জরিত, শোষিত-বঞ্চিত মানুষের কথাও তিনি বলেছেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়—এটাই ছিল বঙ্গবন্ধুর লক্ষ্য। কারণ, এতেই শান্তি আসবে। শান্তির সন্ধানেই তিনি ছিলেন। শান্তির জন্যই তিনি সংগ্রাম করেছেন। আর শান্তি ছাড়া কখনো কোনো দেশের উন্নতি হয় না।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘এটা আমরা খুব ভালো বুঝি, একটা শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই উন্নতি হওয়া সম্ভব।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আজ এখানে একটি বৃক্ষ রোপণ করা হলো সেই সেপ্টেম্বর মাসে, যে মাসে জাতিসংঘ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় এবং তারপরই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘে আসেন। এখানে বাংলায় ভাষণ দেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘কাজেই সেই মাসে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের উত্তরের লনের বাগানে বৃক্ষ রোপণ করা হলো এবং একটি চেয়ার উৎসর্গ করা হলো। এই বৃক্ষও শতবর্ষের ওপর টিকে থাকবে এবং শান্তির বারতাই বয়ে বেড়াবে।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বৃক্ষ যেমন পরিবেশ রক্ষা করে, তেমনি মানুষকে খাদ্য ও ছায়া দেয়। মানুষের জীবনকেও রক্ষা করে। এ জন্য তিনি জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধিসহ প্রবাসী বাংলাদেশিদের ধন্যবাদ জানান।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের অংশগ্রহণে জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী গত রোববার জাতিসংঘের ৭৬তম অধিবেশনে যোগদানের জন্য ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকি হয়ে নিউইয়র্ক পৌঁছান।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
আবুল কাসেম
২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার, ১২:৫৩

বঙ্গবন্ধু একটি নাম। একটি জীবন। একটি আন্দোলন। একটি ইতিহাস। একটি স্বাধীনতা। আন্দোলন করেছেন একটি জাতিকে শোষণ মুক্ত করার জন্য। একটি জাতিকে স্বাধীন করার জন্য। আন্দোলন করেছেন জন্য শান্তি পূর্ণ আন্দোলন। কখনো সহিংসতা প্রশ্রয় দেননি। শান্তির বারতা ছড়িয়ে দিয়েছেন বিশ্বময়। জাতিসংঘ এদিন স্বাধীন বাংলাদেশের স্বীকৃতি দিয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রী শেখ হাসিনা এদিনটিকে অমর করে রাখার জন্য বৃক্ষ রোপণ করেছেন, বেঞ্চ স্থাপন করেছেন। বৃক্ষটি শতবর্ষ বেঁচে থাকুক। মানুষ বৃক্ষটির ছায়ায় বসবে, আর বেঞ্চের উপর বসে বিশ্রাম নেবে এবং বঙ্গবন্ধুর রুহের মাগফেরাত কামনা করবে এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি।

অন্যান্য খবর