× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৮ অক্টোবর ২০২১, বৃহস্পতিবার , ১২ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ

যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় মৃত্যু সংখ্যা ১৯১৮ সালের ফ্লু-তে মৃত্যু সংখ্যাকে ছাড়িয়ে গেছে

অনলাইন

মানবজমিন ডিজিটাল
(১ মাস আগে) সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১, মঙ্গলবার, ৪:৫৮ অপরাহ্ন

যুক্তরাষ্ট্রে ১৯১৮ সালের মহামারী চলাকালীন ইনফ্লুয়েঞ্জায় মারা যাওয়া মানুষের সংখ্যার তুলনায় করোনাভাইরাস মহামারীতে আরো বেশি লোক মারা গেছেন। জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার পর্যন্ত করোনাভাইরাসের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে ৬,৭৫,০০০ এরও বেশি মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

দেশটির রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র এর অনুমান, ইনফ্লুয়েঞ্জা মহামারী যুক্তরাষ্ট্রে এক শতাব্দী আগে (১৯১৮ থেকে ১৯১৯ সালের মধ্যে) এমন সংখ্যক মানুষের মৃত্যুর কারণ হয়েছিল। তবে, মহামারীবিদ এবং ঐতিহাসিকরা বলছেন- উভয় পরিসংখ্যানের ক্ষেত্রেই সম্ভবত কম গণনা করা হয়েছে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে- বর্তমান মহামারী এবং ১০০ বছরেরও বেশি সময় আগেরটির মধ্যে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে। সেই সময় যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমান সময়ের তুলনায় মানুষ ছিল প্রায় এক-তৃতীয়াংশ৷ স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের মতে, ওই মহামারীটি ছোট বাচ্চা এবং ছোট থেকে মধ্য বয়স্ক, প্রাপ্তবয়স্কদের সহ তরুণদের উপর বিধ্বংসী প্রভাব ফেলেছিল, যেখানে করোনা মহামারী বয়স্কদের সবচেয়ে বেশি আঘাত করেছে।

কিন্তু এটাও সত্য, এক শতাব্দী আগে ফ্লুর জন্য কোন ভ্যাকসিন ছিল না, বা সেকেন্ডারি ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের চিকিৎসার জন্য অ্যান্টিবায়োটিকও ছিল না, যেটা এখন আছে। এখন ভ্যাকসিন এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য অনেকের প্রাণ বেঁচে গেছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর