× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৪ অক্টোবর ২০২১, রবিবার , ৯ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ

পিছিয়ে পড়েও গোল উৎসব ম্যান সিটির

খেলা

স্পোর্টস ডেস্ক
২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, বুধবার

ওয়কম্ব ওয়ান্ডারার্সের কাছে শুরুতে এক গোল খেয়ে বসে ম্যানচেস্টার সিটি। ঘরের মাঠে পুঁচকে দলের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়ে যেনো আঁতে ঘা লাগে পেপ গার্দিওলার দলের। আক্রমণে ধার বাড়িয়ে ম্যাচের শেষাংশ পর্যন্ত তা-ব চালায় সিটিজেনরা। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে এতিহাদ স্টেডিয়ামে ইএফএল কাপের ম্যাচে ওয়কম্বকে ৬-১ গোলে হারিয়েছে ম্যান সিটি।
জোড়া গোলে ম্যাচসেরা হয়েছেন সিটি ফরোয়ার্ড রিয়াদ মাহরেজ। একটি করে গোল পেয়েছেন কেভিন ডি ব্রুইনা, ফিল ফোডেন, ফেরান তোরেস এবং কোল পালমার।
অনুমিতভাবেই গোটা ম্যাচে ছিল সিটির আধিপত্য। ৭৯ শতাংশ বল দখলে রেখে প্রতিপক্ষের গোলবারের উদ্দেশ্যে মোট ২৬টি শট নেয় গার্দিওলার শিষ্যরা। যার লক্ষ্যে ছিল ১৪টি। অপরদিকে মাত্র ২১ শতাংশ বল দখলে রেখে ১২টি শটের ৪টি লক্ষ্যে রাখতে সমর্থ্য হয় ওয়কম্ব।
রক্ষণভাগে অনিয়মিত চার খেলোয়াড়কে নামিয়েছিলেন গার্দিওলা।
জশ উইলসন-এসব্র্যান্ড, লুক এমবেতে, ফিনলে বার্নস, কনরাড এগান রাইলি, রোমেও লাভিয়া।
ম্যাচের ষোড়শ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায় ম্যান সিটি। সতীর্থের লম্বা ক্রস ডি-বক্সে বল পেয়ে হেড নেন ফেরান তোরেস। কিন্তু সোজাসোজি নেয়া হেড সহজেই ধরে ফেলেন ওয়কম্ব গোলকিপার ডেভিড স্টকডেইল।
২২তম মিনিটে ওয়কম্বকে এগিয়ে দেন ইংলিশ ফরোয়ার্ড ব্রেন্ডন হ্যানলন। তবে লিড নেয়ার আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি সফরকারীদের। ৭ মিনিটের ব্যবধানে সিটির বেলজিয়ান মিডফিল্ডার ডি ব্রুইনা।
৪৩তম মিনিটে লিড এনে দেন রিয়াদ মাহরেজ। লেফটব্যাট উইলসন-এসব্র্যান্ডের এসিস্টে গোলটি করে এই আলজেরিয়ান তারকা ফুটবলার। বিরতিতে যাওয়ার আগ মুহূর্তে স্কোরলাইন ৩-১ করেন ফিল ফোডেন।
বিরতি থেকে ফিরে আক্রমণে ধার বাড়ায় ম্যান সিটি। ৪৬তম মিনিটে রাহিম স্টার্লিংয়ের পাস ধরে বাঁ পায়ে শট নেন রিয়াদ মাহরেজ। আলজেরিয়ান স্ট্রাইকারের শট মাটিতে পড়ে প্রতিহত করেন ওয়কম্ব গোলকিপার।
৭১তম মিনিটে ফোডেনের পাস পেয়ে দারুণ দক্ষতায় লক্ষ্যভেদ করেন তোরেস। ৮৩তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের পঞ্চম গোলটি করেন মাহরেজ।
একেবারে শেষ অংশে গোল স্কোরলাইন ৬-১ করেন কোল পালমার। সতীর্থের পাস পেয়ে মাঝ মাঠ থেকে দৌড়ে এগিয়ে যান। ডি-বক্সের বাইরে থেকে দারুণ শটে ওয়কম্ব গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন এই তরুণ ইংলিশ স্ট্রাইকার।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর