× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ১৬ অক্টোবর ২০২১, শনিবার , ১ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ

৬০ বছর বয়সেও ফুটবল খেলছেন সুরিনামের ভাইস প্রেসিডেন্ট

খেলা

স্পোর্টস ডেস্ক
২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, বুধবার

যৌবনে ছিলেন দক্ষিণ আমেরিকার ছোট্ট দেশ সুরিনামের বিদ্রোহী নেতা। আশির দশকে গড়েছিলেন সুরিনামিজ লিবারেশন আর্মি। ১৯৮৬-১৯৯২ সাল পর্যন্ত দেশটির গৃহযুদ্ধে ছিলেন সক্রিয়। বলছি সুরিনামের ভাইস প্রেসিডেন্ট রনি ব্রন্সউইকের কথা। যার ফুটবল ক্ষুধা এতোই তীব্র যে, ৬০ বছর বয়সেও খেলছেন দেশটির ঘরোয়া টুর্নামেন্টে।
মঙ্গলবার কনকাকাফ লীগের ম্যাচে হন্ডুরাসের ক্লাব অলিম্পিয়ার বিপক্ষে খেলতে নামে ইন্টার মোয়েনগোতাপোই। যে দলের অধিনায়ক-প্রেসিডেন্ট উভয় দায়িত্বই পালন করছেন সুরিনামের ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্রন্সউইক।
শেষ ষোলোর ম্যাচটিতে ইন্টার মোয়েনগোতাপোইয়ের প্রথম একাদশে ছিলেন ৬১ নম্বর জার্সিধারী ব্রন্সউইক। খেলেছেন ৫৪ মিনিট পর্যন্ত। ম্যাচটিতে বড় ব্যবধানে হেরেছে মোয়েনগোতাপোই।
হন্ডুরাসের ক্লাব অলিম্পিয়া পেয়েছে ৬-০ গোলের জয়।
দল হারলেও কনকাকাফ লীগের সবচেয়ে বয়স্ক খেলোয়াড় হওয়ার রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন ব্রন্সউইক। আগামী ২৮শে সেপ্টেম্বর হন্ডুরাসের মাঠে দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে মুখোমুখি হবে অলিম্পিয়া এবং ইন্টার মোয়েনগোতাপোই। দ্বিতীয় লেগের ম্যাচটিতে খেলতে পারবেন না ব্রন্সউইক।
২০০২ সালে ৪১ বছর বয়সে ইন্টার মোয়েনগোতাপোইয়ের স্টেডিয়াম বানিয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতিতে ক্লাবে খেলোয়াড় কাম মালিক হয়ে যান ব্রন্সউইক। সেই থেকে দলটির হয়ে নিয়মিত খেলছেন ব্রন্সউইক। ১৯ বছরের ফুটবল ক্যারিয়ারে নেতিবাচক ঘটনাও ঘটিয়েছেন তিনি। ২০০৫ সালে ম্যাচ চলাকালীন সময়ে এক খেলোয়াড়কে অস্ত্র দেখিয়ে হুমকি দেন তিনি। ২০১২ সালে রেফারিকে গালমন্দ করে নিষিদ্ধ হয়েছিলেন কনকাকাফ লীগ থেকে।
নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে ব্রন্সউইকের ব্যাপারে বলা হয়, ‘ব্রন্সউইক ছিলেন একজন প্রশিক্ষিত প্যারাট্রুপার, একজন ফুটবলার, ব্যাংক ডাকাত, গেরিলা যোদ্ধা ছাড়া, ড্রাগ ডিলার এবং গোল্ড ম্যাগনেট।’
তবে নিউ ইয়র্ক টাইমস জানায়, ডাকাতি, গোল্ড কিংবা ড্রাগ ডিলিং থেকে প্রাপ্ত অর্থ- সবকিছুই স্ব-জাতীয়দের কল্যাণে খরচ করতেন ব্রন্সউইক। জীবদ্দশায় এখন পর্যন্ত ৫০ সন্তানের জনক ব্রন্সউইক।
আশির দশকে ব্রন্সউইকের বিদ্রোহী দল সুরিনামিজ লিবারেশন পার্টি পরিচিত ছিল জঙ্গল কমান্ডো নামে। ১৯৯৮ সালে আফ্রিকানদের অধিকারের জন্য লড়েছেন তিনি। ১৯৯৯ সালে নেদারল্যান্ডস সরকার কর্তৃক বিচারের সম্মুখীনও হয়েছিলেন তিনি। আশির দশকে সুরিনামের প্রেসিডেন্ট চ্যান সান্তোকি ব্রন্সউইককে বিদ্রোহী নেতা থেকে পুলিশে নিয়োগ দেন।
২০২০ সালের জুলাইয়ে সুরিনামের ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ব্রন্সউইক।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর