× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ১৮ অক্টোবর ২০২১, সোমবার , ৩ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ

‘সয়াবিন মিল’ রপ্তানি বন্ধ চায় বিডিএফএ

দেশ বিদেশ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার

খামারিদের রক্ষার্থে ‘সয়াবিন মিল’ রপ্তানির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ডেইরি ফারমার্স এসোসিয়েশন (বিডিএফএ)। পাশাপাশি বিদেশ থেকে প্যাকেটজাত ফ্রোজেন মাংস আমদানি বন্ধ, খামারিদের বিদ্যুৎ বিল কৃষিখাতে আওতাভুক্ত, তরল দুধের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতসহ পশুখাদ্যের দাম কমানোর লক্ষ্যে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) আওতায় সরবরাহ করে দেশে দুধ ও মাংস শিল্পের উন্নয়নের আহ্বান জানান সংগঠনের নেতারা। সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। এ সময় বক্তব্য দেন বিডিএফএ’র সভাপতি মোহাম্মদ ইমরান হোসেন, সহ-সভাপতি আলী আজম রহমান শিবলী, সাধারণ সম্পাদক শাহ এমরানসহ দেশের খামার মালিক সমিতির অনেকে।
লিখিত বক্তব্যে ইমরান হোসেন বলেন, সয়াবিন মিল রপ্তানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকারÑএমন খবরে স্থানীয় সয়াবিন মিল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সয়াবিন মিলের দাম কেজিপ্রতি ১০-১২ টাকা বাড়িয়ে সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। ফলে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থায় সয়াবিন মিল রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা দ্রুত দেয়া দরকার। এটি বন্ধ না হলে দেশের পোল্ট্রি ও মৎস্যসহ প্রাণিসম্পদ খাতে খাদ্য দাম বেড়ে যাবে। খামারিরা বড় ধরনের লোকসানে পড়বেন।
তিনি বলেন, পোল্ট্রি ও গবাদিপশু উৎপাদনে প্রধান হলো খাদ্য খরচ। এগুলোর মধ্যে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিদেশ থেকে প্রাণিজ খাদ্য উপকরণ মিট অ্যান্ড বোন মিল বন্ধ থাকায় সয়াবিন মিলের গুরুত্ব অনস্বীকার্য। দেশের সয়াবিন মিল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সয়াবিন শুল্কমুক্তভাবে (শূন্য) আমদানি করে সয়াবিন তৈল উৎপাদন করে এবং বাই প্রোডাক্টস হিসেবে সয়াবিন মিল দেশীয় বাজারে বিক্রি করে।
আমাদের দেশে সয়াবিন মিলের মোট চাহিদা বছরে প্রায় ১৮ থেকে ২০ লাখ টন। এর মধ্যে ৭৫ থেকে ৮০ শতাংশ দেশীয় সয়াবিন তৈল উৎপাদকারী প্রতিষ্ঠান থেকে এবং অবশিষ্ট ২০ থেকে ২৫ শতাংশ আমদানি করা হয়। অন্যদিকে, খরচের বিপরীতে পণ্যের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় বড় অঙ্কের লোকসানের মুখে পড়তে হবে খামারিদের। দেশের মানুষের স্বার্থে শুল্কমুক্ত সুবিধায় আনা সেই সয়াবিন সিড থেকে উৎপাদিত সয়াবিন মিলই এখন ৩ থেকে ৪টি সয়াবিন তৈল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান মুনাফার স্বার্থে রপ্তানি করছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর