× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৫ অক্টোবর ২০২১, সোমবার , ৯ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ

বঙ্গবন্ধুর দর্শন ধারণ করে স্বপ্নপূরণে কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা: স্পিকার

অনলাইন

সংসদ রিপোর্টার
(৩ সপ্তাহ আগে) সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১, মঙ্গলবার, ৬:১৯ অপরাহ্ন

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি বলেছেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডিজিটাল সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার অপূর্ণ স্বপ্নপূরণে কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণের পর পার্বত্য শান্তিচুক্তি, পানিবণ্টন চুক্তি, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের জন্য চুক্তি তিনি করেছিলেন, যার কারণে আজ আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে পেরেছি। উন্নয়নের প্রতিটি ক্ষেত্রে শক্ত ভীত রচনা করতে কাজ করছেন  প্রধানমন্ত্রী। বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ সম্পাদন ও দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই তাঁর রাজনীতির মূল দর্শন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে রাজধানীর বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ পার্কে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন আয়োজিত 'স্বপ্নের রূপকার'  নামক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে স্পিকার এসব কথা বলেন। এসময় প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে শিশু চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের কর্মচারীদের আবাসন প্রকল্পের প্রশংসা করেন স্পিকার। তিনি বলেন, দীর্ঘ দুর্গম সংগ্রামী জীবন পাড়ি দিলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের উন্নয়নের লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হননি। ১৯৪৭এ জন্মের পর থেকে তিনি রাজনৈতিক আবহে বড় হয়েছেন।
তাঁর পিতা-মাতা দুজনই ছিলেন রাজনৈতিকভাবে বিচক্ষণ ব্যক্তিত্ব। ১৯৭৫ সালে জাতির পিতাকে নির্মমভাবে হত্যার পর এদেশের ইতিহাসকে ভিন্নপথে পরিচালিত ও স্বাধীনতার চেতনাকে ভূলুণ্ঠিত করার অপপ্রয়াস চালানো হয়। ১৭মে ১৯৮১ স্বজনহারার বেদনা বুকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর জনগণের ভাত ও ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন, স্বৈরশাসনের অবসানের সংগ্রাম, সংবিধান লংঘনের মাধ্যমে হারানো গণতন্ত্র পুনরূদ্ধার, আইনের ঊর্ধ্বে থাকা বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকাজ কার্যকর করার মাধ্যমে আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের জন্য নেতৃত্ব দিয়েছেন। ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সমগ্র বিশ্বের নিকট বাংলাদেশ অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিকভাবে আজ উন্নয়ন বিস্ময়। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু নির্মাণ, কর্ণফুলীর তলদেশে টানেল নির্মাণ, অর্থনৈতিক সূচকে প্রবৃদ্ধি, রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি, পায়রা বন্দর নির্মাণ, অবকাঠামো উন্নয়ন, মানবসম্পদ সহ আজ দেশের সকল ক্ষেত্রে উন্নয়ন বিস্ময়কর। অতিসম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ কর্তৃক এসডিজি প্রগ্রেস এওয়ার্ডে ভূষিত হয়েছেন। তিনি তাঁর পিতার মতো এদেশের মানুষকে গভীরভাবে ভালবাসেন, দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর যে অপূর্ণ স্বপ্ন বঙ্গবন্ধু দেখেছিলেন, সে স্বপ্নের বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর সুদক্ষ নেতৃত্বেই প্রতিষ্ঠিত হবে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র‍্যমুক্ত উন্নত ডিজিটাল বাংলাদেশ। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম এমপি, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপি বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত লি জ্যাং-কিউন ও তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মোস্তফা ওসমান তুরান বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও গণমাধ্যমকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
আবুল কাসেম
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার, ৭:৪৭

বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টি রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিলো। আওয়ামী লীগ ছাড়া বাকিরা গতানুগতিক সরকার পরিচালনা করেছে। কিন্তু, আওয়ামী লীগের কান্ডারী শেখ হাসিনা একটি ভিশন নিয়ে সরকার পরিচালনা করেছেন। এখনো তিনি তাঁর লক্ষ্যে অবিচল। স্বাধীনতার পর হেনরি কিসিঞ্জার বাংলাদেশকে বলেছিলেন 'তলা বিহীন ঝুড়ি'। এরপর বঙ্গবন্ধুকে স্ব পরিবারে হত্যা করা হয়েছিলো। সন্দেহ আছে হত্যাকান্ডে সিআইএ- এর মদদ ছিল। শেখ হাসিনার প্রতি আল্লাহ তায়ালার যে কত কৃপা, কত রহমত তা একটু খেয়াল করলেই বোঝা যায়। ১৫ আগস্টের মর্মান্তিক হত্যাকান্ডের সময় তিনি দেশে ছিলেননা। দেশে আসার পর তাঁকে বার বার হত্যা করার চেষ্টা করেও হত্যা করা যায় নি। 'রাখে আল্লাহ মারে কে!' এসব কিছুই সর্বশক্তিমান আল্লাহর রহমত সন্দেহ নেই। তিনি শোক চাপা দিয়ে, শোককে শক্তিতে পরিনত করে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য একটা ভিশন স্থির করে পথ চলা শুরু করেছেন। তাঁর হয়তো প্রতিজ্ঞা ছিলো 'তলা বিহীন ঝুড়ি'র বদনাম ঘুচিয়ে দিতেই হবে। সেই লক্ষ্যে আজো চলছেন অবিরাম। প্রথম মেয়াদে ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করে ৩০বছর মেয়াদের জন্য ভারতের সঙ্গে গঙ্গার পানি চুক্তি করেন। শান্তি চুক্তি করে অশান্ত পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ফিরিয়ে আনেন। 'বঙ্গবন্ধু সেতু' নির্মাণ করে অবহেলিত উত্তর বঙ্গের সঙ্গে রাজধানীর যোগাযোগ নিরবচ্ছিন্ন করেন। খাদ্য উৎপাদনে দেশ হয় স্বনির্ভর। তাঁর দরদী মনের পরিচয় পাওয়া যায় দুস্থ মহিলা, বিধবা ও প্রতিবন্ধী এবং মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ভাতার ব্যবস্থা করার মাধ্যমে। একটি বাড়ি একটি খামার ও আশ্রয়হীনদের জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্প এবং বয়স্কদের জন্য শান্তি নিবাস তাঁর মানুষের জন্য দায়বদ্ধতার অনুভূতির সাক্ষ্য বহন করে। আরেকটি বড়ো অর্জন হলো বাংলা ভাষাকে আন্তর্জাতিক ভাষার মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করা। ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে তিনি 'শেখ হাসিনার উদ্যোগ ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ' স্লোগান ধারণ করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে মনোনিবেশ করেন। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে দেশ এখন স্বয়ং সম্পূর্ণ। লোডশেডিং-এর অতিষ্ঠ থেকে নগর বাসি তো বটেই গ্রামের মানুষেরাও এখন রেহাই পেয়েছে। মাধ্যমিক পর্যন্ত বিনা মূল্যে বই সরবরাহ তাঁর শিক্ষা বান্ধব মানসিকতার পরিচয় বহন করে। সামুদ্রিক জলসীমা বিরোধের নিষ্পত্তি করতে সক্ষম হয়েছেন ভারত ও মায়ানমারের সঙ্গে। কৃষিকার্ড- এর প্রচলন করেছেন কৃষকদের জন্য। বিনা জামানতে বর্গাচাষীদের জন্য ঋণের ব্যবস্থা করেছেন। প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক এবং ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপন করেছেন সারা দেশে। ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রের জলসীমার বিরোধ তিনি নিষ্পত্তি করতেও সক্ষম হয়েছেন। নিজস্ব তহবিল থেকে স্বপ্নের 'পদ্মা সেতু' নির্মাণ তাঁর সাফল্যের গগন স্পর্শ করেছে। ভারতের সাথে তিন বিঘা করিডোর মিমাংসা তিনি করেছেন। মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপন তাঁর বিজ্ঞান মনস্কতার পরিচয় বহন করে। তাঁর আরো অনেক সাফল্যের গগন চুম্বি উদাহরণ রয়েছে যা এই স্বল্প পরিসরে বলে শেষ করা যাবেনা। এছাড়া তিনি বহু আঞ্চলিক আন্তর্জাতিক ও জাতিসংঘের পুরষ্কারে ভূষিত হয়ে দেশের গৌরব বৃদ্ধি করেছেন। আগেই বলেছি তিনি একটি ভিশন স্থির করে দেশের হাল ধরেছেন। গতানুগতিক ধারার বাইরে ভিশন '৪১ সফলতার সঙ্গে তিনি শেষ করতে পারার আশাবাদ ব্যক্ত করছি।

অন্যান্য খবর