× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ১৯ অক্টোবর ২০২১, মঙ্গলবার , ৪ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ

করোনা টেস্টের আড়াই কোটি টাকা নিয়ে প্রকাশ কুমার উধাও

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা থেকে
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, বুধবার

খুলনা জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) প্রকাশ কুমার দাশ করোনা টেস্টের আড়াই কোটি টাকা নিয়ে উধাও হয়েছেন। বিদেশগামীদের করোনার নমুনা পরীক্ষার টাকা আত্মসাৎ করে আত্মগোপন করেছেন তিনি। বিষয়টি হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও খুলনা সিভিল সার্জন ডা. নিয়াজ মোহাম্মদ স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় খুলনা সদর থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
সিভিল সার্জন জানান, খুলনা জেনারেল হাসপাতালে বিদেশগামীদের করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়। মেডিকেল টেকনোলজিস্ট প্রকাশ কুমার দাশ নমুনা পরীক্ষার ফি গ্রহণের দায়িত্বে ছিলেন। এ ছাড়া তিনি ল্যাব ইনচার্জেরও দায়িত্বে ছিলেন। কিন্তু তিনি ২০২০ সালের ২রা জুলাই থেকে প্রতিদিন যতজন পরীক্ষা করাতেন, তার চেয়ে কম সংখ্যক মানুষের নাম খাতায় লিপিবদ্ধ করতেন। বাকি টাকা আত্মসাৎ করতেন।
প্রকাশ যে তালিকা দিতেন সে অনুযায়ী ক্যাশিয়ার টাকা বুঝে নিয়ে ব্যাংকে জমা দিতেন। তিনি জানান, এ বিষয়ে তাদের সন্দেহ হওয়ার পর, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে চিঠি দিয়ে প্রকাশের কাছে লিখিত হিসাব চাওয়া হয়। প্রকাশ কুমার বিভিন্ন প্রকার তালবাহানা করে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। এরপর চলতি বছরের ২২শে আগস্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি ১৬ই সেপ্টেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। তদন্ত প্রতিবেদনে দেখা যায়, যে পরিমাণ টাকা জমা হওয়ার কথা ছিল তার চেয়ে ২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা কম জমা দিয়েছে। তদন্ত কমিটি মৌখিকভাবে তাকে জিজ্ঞাসা করলে প্রকাশ কুমার হিসাবে গরমিল রয়েছে বলে স্বীকার করে। এরপর তাকে শোকজ করা হয় এবং লিখিতভাবে হিসাব জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। গত বৃহস্পতিবার তার হিসাব ও টাকা জমা দেয়ার শেষ দিন ছিল। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে অফিসে বসে হিসাব করার একপর্যায়ে প্রকাশ কুমার কাউকে কিছু না জানিয়ে অফিস থেকে দ্রুত চলে যান। এরপর থেকে তিনি আর অফিসে আসেন না। তাকে দ্বিতীয়বার শোকজ করে তার বাসার ঠিকানায় চিঠি পাঠানো হয়। তার বাসায় লোক পাঠিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। সিভিল সার্জন জানান, আত্মসাৎ করা টাকার পরিমাণ প্রায় ২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। গত সোমবার বিষয়টি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয়কে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। আইনজীবীকে দিয়ে মামলার এজাহার লেখানো হচ্ছে, লেখা শেষ হলে খুলনা সদর থানায় মামলা দায়ের করা হবে। সিভিল সার্জন আরও জানান, প্রকাশ কুমার দাশ যাতে দেশত্যাগ করতে না পারে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারকে চিঠি দেয়া হয়েছে। তাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে সিভিল সার্জন জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। তদন্ত প্রতিবেদনে প্রকাশ ছাড়া অন্য কারও সম্পৃক্ত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Muhammad Jalal Hussa
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, বুধবার, ১১:৫০

সর্বত্র চুরি চুরি এবং চুরি। এই দেশে কি হচ্ছে? কোন কন্ট্রোল নেই; কোন চেক নেই সবাই চুরি করছে। একটা লোক কি ভাবে এত টাকা নিয়ে ভাগল? মালিক কর্তৃপক্ষ কি ঘুমাছিল?

অন্যান্য খবর