× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ১৮ অক্টোবর ২০২১, সোমবার , ২ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ

৪ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তায় নাকাল তাড়াশের ৭ গ্রামের মানুষ

বাংলারজমিন

শফিউল হক বাবলু, তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) থেকে
১৪ অক্টোবর ২০২১, বৃহস্পতিবার

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে আদিবাসী অধ্যুষিত ৭ গ্রামের প্রায় ৪০ হাজার মানুষের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা গুড়মা-বেড়খাড়ির সড়কের সংযোগস্থল পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার প্রায় দেড় দশকেও পাকাকরণ হয়নি। ফলে ওই সাত গ্রামের লোকজনকে তাদের উৎপাদিত ফসল আনা-নেয়া, পণ্য পরিবহন, কবরস্থান, শ্মশানে যাওয়া, রোগী পরিবহন, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়ায় জন্য নাকাল অবস্থায় পড়তে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। আর দীর্ঘ সময় রাস্তাটি বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকায় চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে এসব গ্রামের লোকজনকে। স্থানীয়রা জানান, এই বেহাল রাস্তা দিয়ে ক্ষিরশীন, ছয়কাটি, জোশাই, দোগাড়িয়া, শিলংদহ, আড়ংগাইল, ধলাপাড়া গ্রামের মানুষ ফসলি মাঠের ফসল আনা-নেয়া, পণ্য পরিবহন, রোগী পরিবহন, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়ার সময় চরম দুর্ভোগের মধ্যদিয়ে চলাচল করছেন। স্থানীয় ক্ষীরশীন গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি গুপেন মাহাতো বলেন, প্রায় ১২-১৫ বছর পূর্বে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ওয়ার্ল্ড ভিশন এই গ্রামীণ রাস্তায় মাটির কাজ করেছিল। এরপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তাড়াশ উপজেলা প্রকৌশল বিভাগ (এলজিইডি) আর এ রাস্তা পাকাকরণের কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। ফলে এই রাস্তার পুরোটাতেই এখন বড় বড় গর্ত আর খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাটি কাদা মাটিতে একাকার হয়ে যায়।
আর তখন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এসব গ্রামের লোকজনকে তাদের বিবিধ কাজ করতে হয়। এমনকি রাস্তাটি বেহাল দশার কারণে এলাকার কোমলমতি শিক্ষার্থীদেরও বিদ্যালয়ে যাতায়াতে ভোগান্তি পোহাতে হয় এমনটি জানিয়েছেন দোগাড়িয়া গ্রামের কৃষক সাদেক।
এ ছাড়া শিলংদহ, গুড়মা গ্রামের কৃষক সাইদুর রহমান, আবেদ, আব্দুর রহমানসহ একাধিক ব্যক্তি আরও জানান, এলাকার জনগুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাটির বেহাল অবস্থার কারণে বর্তমানে কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারে না। এমনকি পায়ে হেঁটে চলাচল করা কষ্ট সাধ্য। অথচ এই রাস্তা দিয়ে ক্ষিরশীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও শিলংদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ক্ষিরশীন গ্রামের কবরস্থান, মহাশ্মশান ও  মসজিদে যাতায়াতের একমাত্র পথ। আর সে পথটি দীর্ঘ দেড় দশকেও পাকা হয়নি। দেশিগ্রাম ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মো. আব্দুল কুদ্দুস বলেন, রাস্তাটি ওই সাত গ্রামের জনগণের যাতায়াতের জন্য একটি জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। তাই আমরা রাস্তাটি পাকাকরণের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগে বারবার তাগাদা দিলেও তারা কোনো উদ্যোগই নেয়নি। এ প্রসঙ্গে তাড়াশ উপজেলা প্রকৌশলী মো. আবু সায়েদ বলেন, গুড়মা থেকে ক্ষিরশীন গ্রাম পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার রাস্তা পাকাকরণের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর