× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ১৮ অক্টোবর ২০২১, সোমবার , ২ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ

লালপুরে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রণোদনার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

বাংলারজমিন

নাটোর প্রতিনিধি
১৪ অক্টোবর ২০২১, বৃহস্পতিবার

নাটোরের লালপুরে প্রণোদনার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে লালপুর পরিষদের চেয়ারারম্যান ও স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক পলাশের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বরাবর আবেদনও করেছেন ভুক্তভোগীরা। অভিযোগের অনুলিপি নাটোর জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন দপ্তর ও প্রেস ক্লাবেও প্রেরণ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, লালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু বকর সিদ্দিক গত রমজান ও ঈদুল ফিতরে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মাধ্যমে ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে ১ হাজার ৭৩০টি পরিবারের জন্য ৪৫০ টাকা করে ৭ লাখ ৭৮ হাজার ৫শ’ টাকা এবং গরিব অসহায় ৫শ’ পরিবারে মাসে ৫শ’ টাকা করে দেয়ার জন্য ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ পান। এ টাকা বিতরণের জন্য তিনি ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের নাম-ঠিকানা, ভোটার আইডি ও মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করেন। এসব অসহায় দরিদ্রদের তিনি জানান, টাকা এলে মোবাইলে চলে যাবে। ৩ মাস অপেক্ষা করেও টাকা না পেয়ে তারা খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, অনেক আগেই এসব টাকা বিতরণ করা হয়ে গেছে। উপজেলা পরিষদে খবর নিতে গিয়ে তারা জানতে পারেন, তাদের নাম-ঠিকানা, ভোটার আইডি ও মোবাইল নম্বরসহ জমা দেয়া তালিকা দেখিয়েই চেয়ারম্যান এ টাকা তুলেছেন। পরে লিখিত অভিযোগ করার জন্য স্বাক্ষর সংগ্রহ শুরু করলে ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যের ভয়ে লোকজন স্বাক্ষর করতে আসেননি।
তারপরও ১১১ জন এ অভিযোগপত্রে স্বাক্ষর করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে লালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু বকর সিদ্দিক পলাশ বলেন, সামনে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, তার প্রতিপক্ষরা তাকে ফাঁসাতে এসব মিথ্যা অভিযোগ করছেন। তার ইউনিয়ন পরিষদে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। যেসব নাম তালিকা করে পাঠিয়েছেন তাদের অনেকে ৩ বার করেও টাকা পেয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে লালপুর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার ভূমি শাম্মী আক্তার বলেছেন, এমন কোনো অভিযোগের বিষয় তিনি জানেন না।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর