× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৭ নভেম্বর ২০২১, শনিবার , ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২১ রবিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ
অভিযোগের পাহাড়

মোশাররফের এপিএস ফুয়াদ গ্রেপ্তার

প্রথম পাতা

ফরিদপুর প্রতিনিধি
১৪ অক্টোবর ২০২১, বৃহস্পতিবার

সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য খন্দকার মোশাররফের এপিএস এএইচএম ফুয়াদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে তাকে ঢাকার বসুন্ধরা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও তদন্ত) জামাল পাশা গতকাল দুপুরে ফুয়াদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তুলে ধরেন তিনি বলেন, ফুয়াদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং, হত্যাসহ মোট আটটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে সাতটি মামলায় অভিযোগপত্র দায়ের করা হয়েছে। ফুয়াদ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে হাতুড়ি বাহিনী ও হেলমেট বাহিনী গঠন করে চাঁদাবাজি, পাসপোর্ট অফিস ও বিভিন্ন হাটবাজারের ইজারা নিয়ন্ত্রণ এবং ভূমি দখল করে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০১৫ সালের ১৫ই জুন বাসস্ট্যান্ডে ছোটন হত্যা মামলার আসামি হিসেবে ফুয়াদকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার রিমান্ড চেয়ে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
এএইচএম ফুয়াদ জেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক। সে ২০২০ সালের ৭ই জুন ফরিদপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযান শুরু হলে আত্মগোপন করে।
মঙ্গলবার রাত ২ টা ২০ মিনিটে বসুন্ধরা এলাকায় তার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। সে তার হাতুড়ি বাহিনী দিয়ে ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে কোতোয়ালি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সামসুল আলম চৌধুরীর ওপর হামলা করে এবং পরবর্তীতে তার বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। একই সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জেলা আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক দীপক মজুমদারের ওপর হামলা করে মারাত্মক জখম করে। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুবল সাহার বাড়িতে হামলারও আসামি ফুয়াদ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Zamal
১৪ অক্টোবর ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১০:০৩

খন্দকার মোশাররফ হোসেনই ফরিদপুরের সব চেয়ে বেশি কাজ করেছেন, উন্নয়ন করেছেন, তিনিই ফরিফপুরে সন্ত্রাসীদের বলয় থেকে আওয়ামীলীগকে বের করে ফরিদপুরকে শান্ত রেখেছেন। যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তারা অসীম ক্ষমতা পেয়ে পরিস্থির শিকার। যারা আমার কথায় হাসি পাবেন তারা অতীতের আওয়ামিলীগের নেতাদের খোজ নিয়ে দেখবেন তারা কি ছিলো। সন্ত্রাস, দালাল, ভোগী,গুটিবাজ, ফেসবুকে নিজের বিজ্ঞাপন দেয়া নেতাদের হাত থেকে ফরিদপুর মুক্ত হোক। ত্যাগী নেতাদের নিয়ে, তৃণমূল কর্মীদের মতামত নিয়ে, ফরিদপুরের সকল কমিটি হোক। শুভ কামনা থাকলো আফফান ইবনে যোবায়ের (অতুন) এর জন্য। আসন্ন যুবলীগের তার ভালো মানুষের বড় পদ দেয়া হোক।

Siddq
১৩ অক্টোবর ২০২১, বুধবার, ৭:০৭

এত দিন এদের কোন অপরাধ ছিল না। সম্পর্ক বিচ্যুতি ঘটেছে তাই অপরাধ চোখে পরছে।

অন্যান্য খবর