× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৭ নভেম্বর ২০২১, শনিবার , ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২১ রবিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

ডলারের দাম বেড়েই চলছে

প্রথম পাতা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার
১৬ অক্টোবর ২০২১, শনিবার

রেমিট্যান্স হ্রাস ও আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বাজারে ডলারের সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় গত কয়েক মাসে আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে প্রতি ডলারের দর ৮৫  টাকা ৬৫ পয়সায় উঠেছে। আগস্টের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত প্রতি ডলার বিক্রি হচ্ছিল ৮০ টাকা ৮০ পয়সা। টাকার অবমূল্যায়ন ঠেকাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি বাড়িয়েছে। ইতিমধ্যেই গত দুই মাসে ১০১ কোটি ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরপরও দাম ধরে রাখা যাচ্ছে না। খোলাবাজারে তা আরও বেশি, যা প্রতি ডলার ৮৮ টাকার বেশি।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ডলারের মূল্য বৃদ্ধির উল্লেখযোগ্য দিক হলো, করোনার কারণে অনেক আমদানি বিল যে বিলম্বে পরিশোধের সুযোগ দেয়া হয়েছিল, এতে একসঙ্গে অনেক আমদানি বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে।
অন্যদিকে রপ্তানি যা হচ্ছে, তার আয় প্রত্যাবাসনে বাড়তি সময় দেয়া আছে। এসব কারণে ডলারের ওপর চাপ পড়েছে। পণ্য ও পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় ডলারের মূল্যবৃদ্ধি শিগগিরই কমবে না বলে মনে করছেন অনেকই।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলারের দর ৮৪ টাকা ৮০ পয়সায় অপরিবর্তিত ছিল। তবে ৩রা আগস্ট থেকে দর বাড়তে বাড়তে সর্বশেষ উঠেছে ৮৫ টাকা ৬৫ পয়সায়। এর মানে আন্তঃব্যাংকে এ কয়েকদিনে প্রতি ডলারে ৮৫ পয়সা বেড়েছে। আন্তঃব্যাংকের পাশাপাশি আমদানি, রপ্তানি, রেমিট্যান্স ও নগদ ডলারের দরও বেড়েছে। ডলারের দর বৃদ্ধির এ প্রবণতা রপ্তানিকারক ও রেমিটারদের জন্য খুশির খবর। যদিও বাংলাদেশের চাহিদার একটি বড় অংশ আমদানি দিয়ে মেটানোর ফলে সামগ্রিকভাবে সুফল মেলে না। এদিকে বিশ্বব্যাপী করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় ভ্রমণে বের হওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। যে কারণে নগদ ডলারের দর ৮৯ থেকে ৯০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে। মানি চেঞ্জারেও এ দরে কেনাবেচা হচ্ছে। কিছু দিন আগেও যা ৮৭ টাকার মতো ছিল।
ডলারের চাহিদা থাকা শীর্ষ ব্যাংকগুলোর মধ্যে অগ্রণী, রূপালী ও জনতা অন্যতম। ব্যাংকাররা বলেন, একই পণ্য আনতে এখন দ্বিগুণ খরচ করতে হচ্ছে। পরিবহন খরচও বেড়ে গেছে। তবে সে তুলনায় রপ্তানি বাড়ছে না, প্রবাসী আয়ও কমতির দিকে। এ জন্য ডলারের দাম বাড়ছে।
ডলারের দামের মূল্য বৃদ্ধি ঠেকাতে গত আগস্ট থেকে বিক্রি শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত বুধবার পর্যন্ত ব্যাংকগুলোর কাছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১১০ কোটি টাকা ডলার বিক্রি করে। অথচ কেন্দ্রীয় ব্যাংক ২০২০-২১ অর্থবছরেই ব্যাংকগুলো থেকে ৭৯৩ কোটি ডলার কিনেছিল। সব মিলিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে টান পড়ছে। গত বুধবার রিজার্ভ কমে হয় ৪ হাজার ৬০৮ কোটি ডলার। গত সেপ্টেম্বর শেষেও রিজার্ভ ছিল ৪ হাজার ৬২২ কোটি ডলার।
প্রাপ্ত তথ্য মতে, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে আমদানিতে ব্যয় হয় ১ হাজার ১৭২ কোটি ডলার। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় যা প্রায় ৪৬ শতাংশ বেশি। অথচ প্রথম ২ মাসে রপ্তানি কমে ০.৩১ শতাংশ। অবশ্য সেপ্টেম্বরে রপ্তানিতে প্রায় ৩৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পর প্রথম ৩ মাস বিবেচনায় রপ্তানি ১১.৩৭ শতাংশ বেড়েছে। আর সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রেমিট্যান্স এসেছে ৫৪০ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের প্রথম ৩ মাসের তুলনায় যা ১৯.৪৫ শতাংশ কম।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Masud Ahmed
১৬ অক্টোবর ২০২১, শনিবার, ১১:১৭

প্রবাসী বন্ডের লাভের হার পুর্বাবস্থায় ফিরিয়ে দিন। তাহলেই ডলার আসবে। প্রবাসীদের সাথে জুলুম করবেন না। তাদের স্বার্থে আঘাত দিবেন না। ওয়েজ আর্নার ডেভলেপমেন্ট বন্ড আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দিন সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষ। ধন্য বাদ। মাসুদ আহমেদ, মন্ট্রিয়ল, কানাডা

অন্যান্য খবর