× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ১ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার , ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৫ রবিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

কে হতে চলেছেন চিলির প্রেসিডেন্ট?

অনলাইন


(১ মাস আগে) অক্টোবর ১৬, ২০২১, শনিবার, ২:০৩ অপরাহ্ন

২১ নভেম্বর প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এদিকে চিলির প্রায় ৫০% মানুষ এখনো নিশ্চিত করতে পারেননি কাকে তাঁরা ভোট দেবেন। সেন্টার অব পাবলিক স্টাডিজের (সিইপি) সমীক্ষায় সম্প্রতি এই তথ্য উঠে এসেছে। বামপন্থী মনোভাবাপন্ন আপ্রুইবো দিগ্নিদাদ দলের গ্যাব্রিয়েল বোরিক ২৩ % সমর্থন নিয়ে দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন ডানপন্থী দল চিলি পোডেমোস মেস-এর সেবাস্তিয়ান সিচেল এবং তৃতীয় স্থানে আছেন রিপাবলিকান পার্টির জোসে আন্তোনিও কাস্ট। চিলির ভোটারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হল নভেম্বরে নির্বাচনের ফলাফল কী হতে চলেছে? দুই ডান-পন্থী প্রার্থী কি ভোট ভাগ করে চিলির রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে কোনো পরিবর্তন আনতে পারবেন? জর্জ হাইন, পারডি স্কুল অফ গ্লোবাল স্টাডিজের অধ্যাপক তথা চিলি সরকারের সাবেক মন্ত্রিসভার সদস্য জানাচ্ছেন, "চিলির প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে উত্তেজনার পারদ ক্রমশ চড়ছে। মে মাসে যে নির্বাচন চিলি দেখেছে তাতে কোনোমতে ২০% ভোট পড়েছিল। যা দেখে মনে হচ্ছে, নতুন বামপন্থী জোট ফ্রেন্ট অ্যাম্প্লিও থেকেই হয়তো কেউ প্রেসিডেন্ট পদে বসবেন। তবে ক্ষমতাসীন জোটের প্রার্থী সিচেল এবং পিনোচেস্টিসটা রিপাব্লিকান পার্টির কাস্টও খুব একটা খারাপ ফল করেন নি। Nuevo Pacto Social এর প্রার্থী হয়ে সেনেটর ইয়াসনা প্রভোষ্টেও তার নাম লিখিয়েছেন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দৌড়ে। ১১ অক্টোবর, প্রভোষ্টে এবং সিচেলের মুখোমুখি বিতর্ক জমে উঠেছিল ।একজন লবিস্ট হিসেবে সিচেলের আগের কার্যক্রম, এবং ২০০৯ সালে তার সন্দেহজনক অর্থায়ন সম্পর্কে কংগ্রেসের প্রচারণা, সিচেলের ভাবমূর্তিতে কিছুটা আঘাত হানে। কেউ কেউ মনে করছেন, ফ্রেন্টে এমপিলো হয়তো ২১ নভেম্বরের ভোট বাজিমাত করতে চলেছেন। তবে আসল প্রশ্ন হল কে হবে রানার আপ? যদি প্রভোস্ট কাস্টকে স্থানচ্যুত করতে সক্ষম হন নির্বাচনে, তাহলে তিনি ১৯ ডিসেম্বর দ্বিতীয় রাউন্ডে লড়াই করার সুযোগ পেয়ে যাবেন। চিলির অধ্যাপক পামেলা ফিগুয়েরো বলছেন, "চিলির আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সম্ভবত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড়সড় একটি নির্বাচন হতে চলেছে। এর কারণ পরিবর্তিত রাজনৈতিক মুহূর্ত এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অনিশ্চিত ভোটার। যেমন গত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনেই দ্বিতীয় রাউন্ডে গিয়ে ফলাফল সামনে এসেছিলো। সাতজন প্রেসিডেন্ট প্রার্থীদের মধ্যে চারজনের ব্যালটে রানঅফে থাকার সুযোগ থাকছে। বামপন্থী গ্যাব্রিয়েল বোরিক ১ মিলিয়ন ভোট পেয়ে প্রথম স্থানটি ধরে রেখেছিলেন। তবে প্রশ্ন উঠছে দ্বিতীয় স্থানে তবে কে? ডানপন্থী প্রার্থীদের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন সেবাস্টিন সিচেল। জোসে আন্তোনিও কাস্ট, অন্য ডানপন্থী প্রার্থী তিনিও সিচেলের ঘাড়েই নিঃশ্বাস ফেলছেন। কেন্দ্র-বাম জোট প্রার্থী ইয়াসনা প্রভোস্টও পুরোনো ভোটারদের মন পেতে লড়াই জারি রেখেছেন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হচ্ছে এককথায় সাংবিধানিক সংস্কার প্রক্রিয়া, যেখানে স্বল্পমেয়াদী এবং দীর্ঘমেয়াদী উভয় ক্ষেত্রেই ফোকাস করা হয়। সমতাভিত্তিক এবং সামাজিক নিরাপত্তা নীতি, মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক গণতান্ত্রিকীকরণ- এই নির্বাচনের লক্ষ্য। চিলির আলবার্তো হুরতাদো বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কোঅর্ডিনেটর ফ্রান্সেসকো ই পেনাগলিয়া ভি জানাচ্ছেন, চিলির ভোটে রাজনৈতিক প্রভাব সাংঘাতিক। যেমন এই মুহূর্তে ভোটের ট্রেন্ড বরিকের দিকে হেলে আছে। ১.৭ মিলিয়ন ভোটার তাঁকে পছন্দ করছেন এবং তার কাছাকাছি সেরকম বিরোধী কেউ নেই। দ্বিতীয় বা তৃতীয় স্থানে সেক্ষেত্রে আসতে চলেছেন কোনো ডানপন্থী প্রার্থী যিনি ২০২৫ আগে পর্যন্ত বিরোধী আসনে বসবেন।

সূত্র: ল্যাটিন আমেরিকা এডভাইসর

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর