× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ৯ ডিসেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার , ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা- উপস্থিতি ৯০ শতাংশের বেশি

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার
১৮ অক্টোবর ২০২১, সোমবার

 বহুল প্রতীক্ষিত গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার প্রথম পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত হয় বিজ্ঞান বিভাগের (ক ইউনিট) পরীক্ষা। এতে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন এক লাখ ৩১ হাজার ৯০১ জন। দেশব্যাপী ২৬টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন ৯০ শতাংশেরও অধিক শিক্ষার্থী। আগামী ২৪শে অক্টোবর ‘খ’ ইউনিট মানবিক এবং ১লা নভেম্বর ‘সি’ বাণিজ্য ইউনিটে বাণিজ্য বিভাগের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ২০ বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এই বিষয়ে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার টেকনিক্যাল কমিটির আহ্বায়ক ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর বলেন, সোমবার থেকে কেন্দ্রে ওএমআর শিট যাবে। এরপর দ্রুতই ফলাফল প্রকাশ করা হবে। কবে নাগাদ প্রকাশ করা যাবে এই বিষয়ে বলা না গেলেও খুব দ্রুতই তা প্রকাশ করা হবে।
উপস্থিতির বিষয়ে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত সর্বমোট কতোজন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন তা জানা যায়নি। তবে পৃথকভাবে যা জানতে পেরেছি সব কেন্দ্রেই উপস্থিতি ৯০ শতাংশের উপরে। সার্বিকভাবে খুবই শৃঙ্খল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি শাওন শেখ শুভ জানান, বেলা ১২টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ‘এ’ ইউনিটে বিজ্ঞান বিভাগের ভর্তি পরীক্ষা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি) কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়। তবে জিরো পয়েন্ট থেকে গল্লামারী সড়কে তীব্র যানজটের কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন পরীক্ষার্থীরা।
এদিকে, চলতি মাসের ১, ২ ও ৯ তারিখে ঢাবি’র ভর্তি পরীক্ষার মতো এবারো খুবি কর্তৃপক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল পরীক্ষার দিন সকাল ১০টা থেকে পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের গল্লামারী-জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত সকল ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। কিন্তু সরজমিন দেখা যায়, এদিনও গল্লামারী-জিরো পয়েন্ট সড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল না।
এক অভিভাবক নাহিদ কামাল বলেন, আমি ফুলতলা থেকে মেয়েকে পরীক্ষা দিতে নিয়ে এসেছিলাম। গল্লামারী থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক পর্যন্ত আসতেই আমাদের ১৫ মিনিটের বেশি সময় লেগে গেছে।
পরীক্ষার হল পরিদর্শন করেন ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন। হল পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, আমরা শতভাগ সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এ পরীক্ষা গ্রহণ করছি। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আমরা সন্তুষ্ট। গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার ফলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের এবার বহুলাংশে ভোগান্তি কমেছে। তিনি আরও বলেন, এবার বৃহত্তর পরিসরের এ গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার সাফল্যের ওপর নির্ভর করে ভবিষ্যতে আরও অনেক সিদ্ধান্ত হতে পারে।
যানজটের বিষয়ে জানতে চাইলে ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. তাজুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আসলে যেভাবে চাচ্ছে সেটা বাস্তবায়ন সম্ভব না। আমাদের কাছে এই যানবাহনগুলো বিকল্প কোনো রাস্তায় পাঠিয়ে দেয়ার সুযোগ নেই। তবে পরেরদিন থেকে ভারী গাড়িগুলোকে সাচিবুনিয়া বাইপাসে ঘুরিয়ে দেয়া হবে। এতে পরীক্ষার্থীদের দুর্ভোগ কিছুটা হলেও লাঘব হবে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা তত্ত্বাবধায়ক মো. নাজিম উদ্দিন বলেন, যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। এরপরও যানজট দেখা দিলে আমরা যত দ্রুত সম্ভব সমস্যাটি নিরসন করতে চেষ্টা করেছি।
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আরাফ আহমেদ জানান, বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে ৪ হাজার ৭১০ শিক্ষার্থীর মধ্যে পরীক্ষায় উপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ৩শ’ ৬৪ জন। সে হিসেবে পরীক্ষায় উপস্থিতির হার ছিল ৯২ দশমিক ৬৫ শতাংশ। অনুপস্থিত ছিলেন ৩শ’ ৪৬ জন পরীক্ষার্থী।
পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন গুচ্ছ ভর্তি কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও শাবি’র ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জিএসটি) গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থী- অভিভাবকদের কষ্ট লাঘব হয়েছে। এতে বাংলাদেশে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন হয়েছে। আশা করি এই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আগামী দিনে আরও সুন্দরভাবে এ পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেয়া যাবে।
তিনি আরও বলেন, ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আমরা জানতে পেরেছি দেশের অন্যান্য কেন্দ্রগুলোতেও শিক্ষার্থীরা প্রায় শতভাগ অংশগ্রহণ করেছেন। আমরা দুই/একদিনের মধ্যেই ফলাফল ঘোষণা করার চেষ্টা করবো। পরিশেষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি এস জে আরাফাত জানান, উৎসবমুখর পরিবেশে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রে মোট ৩ হাজার ৪৬২ জন ভর্তিচ্ছুর মধ্যে প্রায় ৯৪.৭% পরীক্ষায় উপস্থিত ছিলেন। কোভিড-১৯ পরিস্থিতিকে মাথায় রেখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভর্তি পরীক্ষার্থীদের দেহের তাপমাত্রা পরিমাপ ও মাস্ক পরিধান করে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করে। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যেকোন জরুরি স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে জন্য মেডিকেল টিম প্রস্তুত ছিল। ভর্তি পরীক্ষার্থীদের পরিবহনের জন্য নোবিপ্রবি প্রশাসনের তরফ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব বাস সার্ভিস পরীক্ষার্থীদের প্রদান করা হয়।
নোবিপ্রবি’র ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. দিদার উল আলম পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পরীক্ষা হল পরিদর্শন করেন। ভাইস চ্যান্সেলরের সঙ্গে এসময় উপস্থিত ছিলেন, প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাকী, কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফারুক উদ্দিন, বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ, বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যম ও নোবিপ্রবি ক্যাম্পাস সাংবাদিকবৃন্দ।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি জয়নাল আবেদীন জানান, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষায় উপস্থিতি ৯৬ শতাংশ।
‘ক’ ইউনিটে ২ হাজার ৩৯৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। যা মোট পরীক্ষার্থীর ৯৫.৫৬ শতাংশ। এ ছাড়া ১১১ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫টি একাডেমিক ভবনের ৫৪টি কক্ষে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
‘ক’ ইউনিটের আহ্বায়ক ড. দুলাল চন্দ্র নন্দী বলেন, সবার সহযোগিতায় পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর কিছু ঘটেনি।
পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী বলেন, প্রথমবারের মতো শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ লাঘব করতে ২০টি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে পরীক্ষার আয়োজন করা হয়েছে। প্রশ্নপত্র সংগ্রহ থেকে পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে সুষ্ঠুভাবে।
রাকিব নামের এক পরীক্ষার্থী বলেন, গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা হওয়ায় আমাদের ভোগান্তি অনেকাংশে কমে গেছে। তবে প্রশ্নপত্রের মান খুবই মানসম্পন্ন হয়েছে।
আবির নামের এক পরীক্ষার্থী বলেন, গুচ্ছ পদ্ধতি আমাদের জন্য সুবিধা হয়েছে ঠিকই। কিন্তু একটি ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ। কিন্তু কোনো কারণে যদি পরীক্ষা খারাপ হয়ে যায় তাহলে ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির স্বপ্ন একবারে শেষ হয়ে যাবে।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি খায়রুল ইসলাম সোহাগ জানান, সার্বিকভাবে সুন্দরভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।
কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. ছাদেকুল আরেফিন বলেন, একটি শিক্ষার্থী একবার পরীক্ষা দিয়ে এই ২০ টি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাবে। আমাদের উদ্দেশ্য ছিলো শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আর্থিক, মানসিক ও শারীরিক কষ্ট লাঘব করা। তাই আগামীতে একটি গুচ্ছের আওতায় এসে সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাগুলো নেয়ার আহ্বান থাকবে। ফলাফল প্রকাশ ও প্রশ্ন প্রণয়ন বিষয়ক প্রশ্নে তিনি বলেন, আমারা গুচ্ছভুক্ত ২০ টি বিশ্ববিদ্যালয় মিলে সমন্বিতভাবে প্রশ্ন প্রণয়ন করেছি। পরীক্ষা শেষে আমরা খুব শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করবো।
গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি সিফাত রাকা জানান, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ‘ক’ ইউনিটের পরীক্ষা এই বিশ্ববিদ্যালয়ে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এতে উপস্থিতির হার ছিল শতকরা ৮৫ ভাগ। অত্র বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে ৬,৯১২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫,৮৯২ জন অংশগ্রহণ করেন।
ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ. কিউ. এম. মাহবুব বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রের বিভিন্ন কক্ষ পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি এম বি রিয়াদ জানান, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে ৭ হাজার ৮২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬টি একাডেমিক ভবন ও বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি স্কুলে পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করার লক্ষ্যে প্রশাসনের সহযোগিতায় কাজ করে পুলিশসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনসিসি ও রোভার স্কাউট গ্রুপ।
এ বিষয়ে ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. শেখ আব্দুস সালাম বলেন, প্রথমবারের মতো গুচ্ছের অধীনে সুষ্ঠুভাবে ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। কোনো সমস্যা দৃষ্টিগোচর হয়নি।
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা মাজেদুল ইসলাম জানান, রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) এ প্রায় ৫০০০ শিক্ষার্থীর পরীক্ষার আসন দেয়া হয়। সকাল ১০টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ম ও ২য় গেইটে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের জটলা পড়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ কামাল ভবন, কৃষি অনুষদ ভবন, ড. ওয়াজেদ মিয়া গবেষণা কেন্দ্র- এই তিন ভবনে শিক্ষার্থীদের আসন সুবিন্যস্ত করা হয়। শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ভাবে ব্যবস্থাপনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রি রোভারস সংগঠনের কর্মীরা শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ প্রবেশের অনুমতি দেয় ও দিকনির্দেশনা দেন। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ কর্মীরা নিরাপদ পানির ব্যবস্থা করেন।
ভর্তি পরীক্ষা শুরু হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. শহীদূর রশিদ ভূঁইয়াসহ অন্যান্য শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাবৃন্দ পরিদর্শন করেন। বেশ সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।
এ বিষয়ে ভিসি প্রফেসর ড. শেখ আব্দুস সালাম বলেন, প্রথমবারের মতো গুচ্ছের অধীনে সুষ্ঠুভাবে ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। কোনো সমস্যা দৃষ্টিগোচর হয়নি।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর