× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ৫ ডিসেম্বর ২০২১, রবিবার , ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৯ রবিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ
ইভ্যালি পরিচালনায় বোর্ড গঠন-

সাবেক বিচারপতি মানিককে চেয়ারম্যান করে চার সদস্যের কমিটি

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার
(১ মাস আগে) অক্টোবর ১৮, ২০২১, সোমবার, ১২:০৫ অপরাহ্ন

আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে চেয়ারম্যান করে ই-কমার্স কোম্পানি ইভ্যালি পরিচালনায় বোর্ড গঠন করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। সোমবার বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এই বোর্ড গঠন করেন। বোর্ডের অপর সদস্যরা হলেন- সাবেক সচিব মোহাম্মদ রেজাউল আহসান ও অতিরিক্ত সচিব মাহবুবুল কবির, চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট ফখরুদ্দিন আহম্মেদ ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার খান মোহাম্মদ শামীম আজিজ।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সৈয়দ মাহসিব হোসাইন। অপরদিকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বল। এর আগে ইভ্যালি’র স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি ও হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। পরবর্তীতে ইভ্যালি’র সব নথি আদালতে দাখিল করতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

গত ১২ই অক্টোবর মামলার শুনানিতে আদালত বলেছিলেন, বেসরকারি এই প্রতিষ্ঠান ব্যবস্থাপনায় চারজনের বোর্ড হতে পারে। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, সচিব ও চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টসহ চার-পাঁচজনকে বোর্ডে রাখা যেতে পারে। সেদিন আদালত বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আইনজীবীকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও সচিবের সঙ্গে কথা বলে বর্তমান বা সাবেক সচিব, অতিরিক্ত সচিব- এমন তিনজনের নাম দিতে বলেন। এর ধারাবাহিকতায় ১৩ অক্টোবর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাবিত সাবেক তিনজন সচিবের নাম আদালতে দাখিল করেন তাদের আইনজীবী। শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট আদেশের জন্য ১৮ অক্টোবর তারিখ রাখেন। সে অনুসারে সোমবার মামলাটি কার্যতালিকায় ওঠে।

ক্রম অনুসারে মামলাটি উঠলে চেয়ারম্যানসহ পাঁচ সদস্যের বোর্ড গঠন করে দিয়ে আদালত বলেন, হাইকোর্টের আদেশে পাওয়ার পরপরই তাঁরা (সদস্য) বোর্ড মিটিংয়ে বসবেন। তারা সবকিছু বুঝে নেবে, কোথায় কী আছে। কোম্পানি যেভাবে চলে, সেভাবে প্রথমে বোর্ড মিটিং বসবে। তাদের (বোর্ড) দায়িত্ব হলোÑ টাকাগুলো কোথায় আছে, কোথায় দায় আছে, তা দেখা।

আদালত আরও বলেন, কোম্পানি কোর্টের কাজ হলো, যদি দেখা যায়, কোনো একটি মিটিং করা সম্ভব হচ্ছে না, তখন কোম্পানি কোর্টের স্যুয়োমোটো ক্ষমতা আছে। আদালত বোর্ড গঠন করে দিতে পারেন। এখন এই বোর্ড গঠন করে দেওয়া হলো। তারা (বোর্ড) বসে বিষয়গুলো দেখবে। অডিট লাগবে, তারা অন্যান্য কাজগুলো দেখবে। এরপর সবকিছু করার পর বোর্ড যদি দেখে, কোম্পানিটি চলার যোগ্যতা নেই, তখন অবসায়নের জন্য প্রসিড করবে। কোম্পানি অবসায়ন চেয়ে আবেদনকারী আবেদন করেছে। তখন আবেদনকারীর সঙ্গে বোর্ডও বলবে, কোম্পানিটি অবসায়ন করতে হবে। আর যদি বলে চালানো সম্ভব, তাহলে কোম্পানিটি চলবে। বোর্ড প্রথম বোর্ড মিটিং করে অগ্রগতি প্রতিবেদন দেবে।

গত মে মাসে ইভ্যালিতে ইলেকট্রনিকস পণ্য অর্ডারের পর অর্থ পরিশোধ করে পণ্য ও টাকা না পেয়ে কোম্পানিটির অবসায়ন চেয়ে গ্রাহক ফরহাদ হোসেন গত ২২ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে আবেদন করেন। এতে ইভ্যালি নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য বোর্ড গঠনের আরজিও জানানো হয়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর