× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ৯ ডিসেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার , ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ

পুঁজিবাজারে বড় দরপতন

শেষের পাতা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার
১৯ অক্টোবর ২০২১, মঙ্গলবার

একটানা দরপতনের পর বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বিক্রির চাপে সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার পুঁজিবাজারে বড় ধরনের ধস নেমে এসেছে। গতকালের বড় দরপতন নিয়ে ৬ কার্যদিবস টানা পতনের ধারা বজায় রয়েছে শেয়ারবাজারে। এই ৬ কার্যদিবসে ২৭০ পয়েন্ট সূচক কমেছে। এদিন লেনদেন হওয়া ৩৭৪ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের মধ্যে দাম কমেছে ৩২৪টির, আর বেড়েছে মাত্র ৩৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার। এতে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ডিএসইর প্রধান সূচক কমেছে ৮৯ পয়েন্ট। অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সূচক কমেছে ৩১৫ পয়েন্ট। সূচকের পাশাপাশি ডিএসইর লেনদেন কমে প্রায় তিন মাসের সর্বনিম্ন স্থানে নেমে এসেছে। এতে করে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে একপ্রকার অস্থিরতা বিরাজ করছে।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গত সোমবার থেকে রোববার (১১ থেকে ১৭ই অক্টোবর) পর্যন্ত বস্ত্র, বীমা-আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি এবং ওষুধ ও রসায়ন খাতের দাম কমেছিল।
এই কয়েক দিন কেবল ব্যক্তিক্রম ছিল ব্যাংকের শেয়ার। তবে সোমবার পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংকের শেয়ারের দামও কমেছে। প্রায় সব কোম্পানির দাম কমায় পুঁজিবাজার এখন ধসে রূপ নিয়েছে বলে মনে করেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, নতুন করে এই ধসে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ভয় ঢুকেছে, বাজারে আরও দরপতন হতে পারে। তাই তারা দ্রুত শেয়ার বিক্রি করে দিয়ে টাকা ক্যাশ করে নিচ্ছে।
বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ছায়েদুর রহমান বলেন, পুঁজিবাজার এখন একটি পর্যায়ে এসেছে। বেশকিছু কোম্পানির শেয়ার টানা বেড়েছে, এখন এসব কোম্পানিতে মূল্য সংশোধন হচ্ছে। কিন্তু বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কিত হওয়ার মতো কোনো ঘটনা পুঁজিবাজারে ঘটেনি বলে মনে করেন তিনি। শিগগিরই বাজার ঘুরে দাঁড়াবে।
ডিএসইর তথ্য মতে, ডিএসইতে ৩৭৪টি কোম্পানির ৩২ কোটি ৪৯ লাখ ৩৬ হাজার ১০৬টি শেয়ার হাতবদল হয়েছে। এর মধ্যে ৩৩টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে, কমেছে ৩২৪টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ১৭টির। প্রায় সব কোম্পানির শেয়ারের দাম কমায় ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ৮৯ পয়েন্ট কমে ৭ হাজার ৯৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৩৯৩ কোটি ৮৩ লাখ ৩৬ হাজার টাকা। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৬৫৫ কোটি ৩৭ লাখ ৭৮ হাজার টাকা। অর্থাৎ, আগের দিনের চেয়ে লেনদেন প্রায় তিনশ’ কোটি টাকা কম। যা গত ২ মাস ২৩ দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন। এর আগে চলতি বছরের ২৫শে জুলাই ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৩৫৪ কোটি টাকা। এরপর দিন ২৬শে জুলাই লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৪২৮ কোটি ৯৪ লাখ টাকা।
অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৩১৫ পয়েন্ট কমে ২০ হাজার ৭০৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসইতে লেনদেন করা ৩০৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩৫টির শেয়ারের দাম বেড়েছে, কমেছে ২৫৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৫টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। এ বাজারে লেনদেন হয়েছে ৭৪ কোটি ৫৫ লাখ ২০ হাজার ৩৭৮ টাকা। এর আগের লেনদেন হয়েছিল ৬৩ কোটি ৮২ লাখ ৫৮ হাজার ২১১ টাকার শেয়ার।
বিনিয়োগকারী ময়নুল ইসলাম বলেন, শেয়ারবাজার ভালোর দিকেই যাচ্ছিল। তবে হঠাৎ করে আবার পতন ধারায় চলে যাচ্ছে। এতে করে আমার মতো স্বল্প পুঁজির বিনিয়োগকারীদের মাঝে এখন আবার অস্থিরতা বিরাজ করছে।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর