× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ৯ ডিসেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার , ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ

পদত্যাগ করছেন জালমে খলিলজাদ

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক
(১ মাস আগে) অক্টোবর ১৯, ২০২১, মঙ্গলবার, ৯:৫৭ পূর্বাহ্ন

আফগানিস্তান বিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত জালমে খলিলজাদ পদত্যাগ করছেন। আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহার ও তালেবানদের ক্ষমতা দখলের দুই মাসেরও কম সময়ের মধ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ঘোষণা দিয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন সোমবার এক বিবৃতিতে বলেছেন, জালমে খলিলজাদের স্থলাভিষিক্ত হবেন তার ডেপুটি টম ওয়েস্ট। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবেন। বর্তমানে আফগানিস্তান বিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের অবস্থান কাতারের রাজধানী দোহা’তে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন আল জাজিরা।
ব্লিনকেন এক বিবৃতিতে বলেছেন, আফগানিস্তান পুনর্জাগরণ বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি জালমে খলিলজাদ তার পদ থেকে পদত্যাগ করবেন। মার্কিন জনগণের জন্য কয়েক দশকে তিনি যে সেবা দিয়েছেন তার জন্য আমার কৃতজ্ঞতা।
দূত খলিলজাদকে তার সার্ভিসের জন্য ধন্যবাদ জানাই এবং একই সঙ্গে বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে তার ভূমিকায় টম ওয়েস্টকে স্বাগত জানাই।
এ বিষয়ে জানেন এমন একজন বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, গত শুক্রবারই পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন খলিলজাদ। পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেনের কাছে আত্মপক্ষ সমর্থন করে একটি চিঠি লিখেছেন খলিলজাদ। বলেছেন, তিনি নতুন দফায় আফগান নীতি নিয়ে কাজ করতে চেয়েছিলেন। আরো বলেছেন, তিনি যেভাবে পরিকল্পনা করেছিলেন আফগানিস্তান সরকার এবং তালেবানদের মধ্যে রাজনৈতিক আয়োজন তেমনটা হয়নি। এ জন্যই সবকিছু জটিল হয়ে উঠেছে এবং সামনের দিনগুলোতে তিনি দৃষ্টিভঙ্গি শেয়ার করার কথা বলেছেন।
জালমে খলিলজাদের জন্ম আফগানিস্তানে। তিনি ২০১৮ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের আফগানিস্তান বিষয়ক বিশেষ দূতের কাজ করে যাচ্ছিলেন। তালেবানদের সঙ্গে প্রশাসনের সমঝোতা প্রচেষ্টায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তিনি যে সমঝোতা প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে, তার পথ ধরে এ বছর আগস্টে আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার করে যুক্তরাষ্ট্র। খলিলজাদ রিপাবলিকানপন্থি হওয়া সত্ত্বেও সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প পরাজিত হওয়ার পর তাকে স্বপদে রাখার সিদ্ধান্ত নেয় নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন। এরপরেই তিনি কট্টরপন্থি তালেবান এবং পশ্চিমা সমর্থিত আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গণির মধ্যে রাজনৈতিক সমাধানের জন্য চাপ দেন। মধ্য আগস্টে আফগান সরকারের পতন হয়। বিনা বাধায় তালেবানরা পুরো দেশের কর্তৃত্ব হাতে নেয়।
খলিলজাদ দেখতে পান তালেবানরা মার্কিনিদের উদ্ধারে সহায়তা করছে। তবে যেসব আফগান মার্কিন সরকারের পক্ষে কাজ করেছেন তারা রয়েছেন ঝুঁকিতে। যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তারা এর আগে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, খলিলজাদ তিন বছর তার পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিতে সবচেয়ে বড় ব্যর্থতার মুখোমুখি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তারা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে এই কূটনীতিক তালেবানদেরকে খুব বেশি ছাড় দিয়েছে। আফগান সরকারকে অব্যাহতভাবে চাপ দিয়েছেন। মার্কিন সরকারের বিভিন্ন অংশের দৃষ্টিভঙ্গি আমলে নিতে তেমন আগ্রহী ছিলেন না।
সম্প্রতি ফরেন পলিসি ম্যাগাজিনে জালমে খলিলজাদ তার আত্মপক্ষ সমর্থন করেছেন। বলেছেন, তালেবানরা ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে সম্পাদিত চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো পূরণ করেছে। তারা কোনো মার্কিন সেনার বিরুদ্ধে আক্রমণ করেনি। সরকারের অনুপস্থিতিতে তালেবানদের সঙ্গে আমাদের আলোচনা করা উচিত হয়নি বলে যারা মন্তব্য করেন, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর