× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৯ নভেম্বর ২০২১, সোমবার , ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

পিএসসি’র প্রশ্নফাঁসে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার
২০ অক্টোবর ২০২১, বুধবার

‘বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইন, ২০২১’-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। খসড়া আইনে প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের সর্বনিম্ন ৩ এবং সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গণভবন থেকে তিনি এবং সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা যোগ দেন।  বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, খসড়া আইনে ১৫টি ধারা রয়েছে। পরীক্ষা পদ্ধতি কীভাবে হবে সেটার একটা আউট লাইন খসড়া আইনে করে দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে রুল দিয়ে ব্যাখ্যা দেয়া হবে। পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষা সংক্রান্ত কিছু অপরাধের কথা বলা হয়েছে।
কেউ যদি প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকে খসড়া আইনে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ডের কথা বলা হয়েছে। এক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৩ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। জরিমানাটা সুনির্দিষ্ট করে দেয়া হয়নি। পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করলে সর্বোচ্চ ২ বছর, সর্বনিম্ন এক বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হতে পারে। উত্তরপত্রের জালিয়াতির সঙ্গে যারা জড়িত থাকবেন তাদের সর্বোচ্চ ২ বছর ও সর্বনিম্ন এক বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হতে পারে। কোনো পরীক্ষার্থী যদি অসদুপায় অবলম্বন করেন বা অন্য কোনো ব্যক্তিকে অসদুপায়ে সহযোগিতা করেন তাহলে সেও সর্বোচ্চ ২ বছর ও সর্বনিম্ন এক বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে। পরীক্ষা সংক্রান্ত দায়িত্ব পালনে বাধা দিলে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে খসড়া আইনে। পরীক্ষা পরিচালনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি যদি কোনো অপরাধ করে তাহলে ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হতে পারে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, মোবাইল কোর্টের মধ্যেও এটা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমেও পরীক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে যারা যুক্ত থাকবে, তাদের বিচারের আওতায় এনে সঙ্গে সঙ্গে শাস্তি দেয়া যেতে পারে। কিছুদিন থেকে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির নিয়োগ পিএসসি’র মাধ্যমে নেয়ার বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা- জানতে চাইলে তিনি বলেন, খসড়া আইনে আছে, সরকার প্রদত্ত যেকোনো দায়িত্ব পালন করবে পিএসসি। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, তৃতীয় শ্রেণির নিয়োগের বিষয়টি আলোচনা হয়েছে। কিন্তু এখনো প্রিসাইজের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে বিভিন্ন ফোরামে, সর্বোচ্চ ফোরামে, এই জাতীয় আলোচনা হয়েছে- আলাদা একটা পিএসসি গঠন করে করা (তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগ) যায়। তবে প্রিসাইজ কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। কমিশনে কমপক্ষে ৬ জন সদস্য থাকবেন জানিয়ে তিনি বলেন, তবে সদস্য কোনোভাবেই ১৫ জনের বেশি হবে না। একটা আউট লাইন করে দেয়া হয়েছে। বাকি ফরমেশনটা রুল দিয়ে করে দেয়া হবে। এ ছাড়া মন্ত্রিসভা ‘যাকাত তহবিল ব্যবস্থাপনা আইন-২০২১’-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। কেন্দ্রীয়ভাবে যাকাত সংগ্রহ ও বিতরণের জন্য এই অনুমোদন দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘খসড়া আইনটিতে ১৪টি ধারা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, সরকারিভাবে যাকাত সংগ্রহ ও বিতরণ করা হবে এবং আধুনিক তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরকারিভাবে যাকাত দানে উদ্বুদ্ধকরণ করা হবে। যাকাত সংগ্রহ কেন্দ্র স্থাপন, যাকাত দানে আগ্রহী ব্যক্তিদের যাকাত যোগ্য সম্পদ ও প্রত্যয়ন প্রদান। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, যাকাত তহবিল গঠন করা হবে। তহবিলের অর্থ সরকারিভাবে সংগৃহীত হবে। প্রবাসী বাংলাদেশি, বিদেশি কোনো ব্যক্তি বা সংস্থা থেকে প্রাপ্ত অর্থ যেকোনো তফসিলি ব্যাংকের যাকাত ফান্ডে জমা দিয়ে যাকাত আদায় করতে পারবেন। আর একটি বোর্ড থাকবে। ধর্মমন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী এটার চেয়ারম্যান থাকবেন। যাকাত বোর্ডে সদস্য থাকবে ১০ জন। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কমিটি করে দেবে ইসলামী ফাউন্ডেশন বা ধর্ম মন্ত্রণালয়। কালেকশন ও ডিস্ট্রিবিউশন তারা করবেন। কাকে কাকে কীভাবে দেবে এটা তারা ঠিক করবে। তাদের একটি অ্যাকাউন্ট থাকবে, সেখান থেকে তারা সংগ্রহ করবে। এ ছাড়া মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘চট্টগ্রাম শাহী জামে মসজিদ আইন-২০২১’- এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদনও দেয়া হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর