× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৮ নভেম্বর ২০২১, রবিবার , ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২২ রবিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

যুবলীগের বর্ধিত সভা ঘিরে অচল ব্রাহ্মণবাড়িয়া

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে
(১ মাস আগে) অক্টোবর ২৩, ২০২১, শনিবার, ৩:০৪ অপরাহ্ন

জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভা ঘিরে অচল ব্রাহ্মণবাড়িয়া। আশুগঞ্জ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পর্যন্ত প্রায় ২৫ কিলোমিটার পথে সৃষ্টি হয়েছে দীর্ঘ যানজটের। কেন্দ্রীয় নেতাদের স্বাগত জানাতে এই পথের স্থানে স্থানে অবস্থান নেন যুবলীগের শতশত নেতাকর্মী। এর আগে শতশত মোটর সাইকেল ও পিকআপ ভ্যান ও মাইক্রোতে করে যুবলীগের নেতাকর্মীরা মহড়া দেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আশুগঞ্জ টোলপ্লাজায় জেলা যুবলীগের নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেল শোভাযাত্রাসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের বরণ করেন। সেখান থেকে প্রায় ৭-৮’শর বেশি মোটরসাইকেল নিয়ে জেলা শহরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন তারা। এসময়ে ঢাকা-সিলেট ও কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে মোটরসাইকেল ও ফুলের তোড়া নিয়ে মিছিলে তীব্র যানযট সৃষ্টি হয়। জেলা পুলিশ সুত্র জানিয়েছে, যুবলীগের এই সভাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রায় আড়াইশো পুলিশ ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে।

১৭ বছর ধরে জেলা যুবলীগের সম্মেলন নেই।
ফলে বর্ধিত সভা ঘিরে চাঙ্গা হয়ে উঠেছেন জেলা যুবলীগের নেতাকর্মীরা। পদপ্রার্থীরা নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে মহড়ার আয়োজন করেন। তোরন,ব্যানার-ফেষ্টুনে সাজ সাজ রব উঠে গোটা এলাকায়। আজ শনিবার দুপুরে জেলা শিল্পকলা একাডেমীর মিলনায়তনে এই বর্ধিত সভা হবে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন চট্টগ্রাম বিভাগের সাংগঠনিক দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় যুবলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ব্যারিষ্টার শেখ ফজলে নাঈম। সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমান চপল ছাড়াও তার সাথে কেন্দ্রীয় যুবলীগের নেতারাও উপস্থিত থাকবেন। ২০০৪ সালের ২৮শে জুন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা যুবলীগের সম্মেলন হয়। ৭১ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটির সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক হন এডভোকেট মাহবুবুল আলম খোকন আর সিরাজুল ইসলাম ফেরদৌস। প্রায় একবছর পর ২০০৫ সালের ১৮ই জুন কেন্দ্রীয় যুবলীগ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির নানক ও মির্জা আজম এই কমিটির অনুমোদন দেন। সেখানে সম্মেলনের তারিখ থেকে ৩ বছরের জন্যে কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। কিন্তু এখনো বহাল আছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা যুবলীগের সেই কমিটি। ১৭ বছরে জেলা যুবলীগের কমিটিতে থাকা অর্ধেক সদস্যই অস্তিত্বহীন এখন। মৃত্যু,দলের অন্য ইউনিটে পদ গ্রহণ, মামলায় জেলে ও প্রবাসে রয়েছেন তারা। উপজেলা ইউনিটগুলোও বেহাল।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর