× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৯ নভেম্বর ২০২১, সোমবার , ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ
এবার রানা দাশগুপ্তের ১১ দফা

না মানলে ‘চলো চলো ঢাকা চলো’

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম থেকে
২৪ অক্টোবর ২০২১, রবিবার

সারা দেশে সামপ্রদায়িক সন্ত্রাসের প্রতিবাদে চট্টগ্রামে গণ-অনশন, গণ-অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। সমাবেশে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সেক্রেটারি এডভোকেট রানা দাশগুপ্ত নতুন করে নিজেদের ১১ দফা দাবি তুলে ধরেন তারা। আর এসব দাবি না মানলে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অভিমুখে চলো চলো ঢাকা চলো কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। পূর্ব-ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে গতকাল ভোর ৬টা থেকে নগরের আন্দরকিল্লা মোড় থেকে শুরু হওয়া গণ-অনশন  কার্যাক্রমে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখার সময় রানা দাশগুপ্ত এই দাবিগুলো উত্থাপন করেন।
 ১১ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- শারদীয় দুর্গোৎসব চলাকালীন দেশের বিভিন্ন জেলায় মন্দির ও পূজামণ্ডপে হামলার ঘটনায় নিহতদের পরিবারের একজন সদস্যকে সরকারি চাকরি, ২০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দান, ক্ষতিগ্রস্ত সব মন্দির, ঘরবাড়ি পুনঃনির্মাণ, গৃহহীনদের পুনর্বাসন, ১৯৭২ সালের সংবিধান পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে সরকারি দলের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিশ্রুত সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠন, বৈষম্য বিলোপ আইন প্রণয়ন, অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইনের দ্রুত বাস্তবায়নসহ ধর্মীয় জাতিগত সংখ্যালঘু ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর কাছে প্রদত্ত অঙ্গীকার দ্রুত বাস্তবায়ন করা।
রানা দাশগুপ্ত বলেন, ‘যারা পূজামণ্ডপ, প্রতিমা ও হিন্দুদের ঘরবাড়িতে হামলা চালিয়েছে তাদের সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারকের নেতৃত্বে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে বিচার করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পরও প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যেসব সদস্য দায়িত্ব পালনে গাফিলতি করেছেন তাদের চিহ্নিত করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি উস্কানিদাতাদের বিরুদ্ধেও দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। তা না হলে আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে চলো চলো ঢাকা কর্মসূচির নামে পদযাত্রা করা হবে।
এদিকে  কর্মসূচিতে অংশ নিতে শেষ রাত থেকে আন্দরকিল্লা মোড়ে ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে মহানগর ও বিভিন্ন উপজেলা হতে সনাতন সমপ্রদায়ের লোকজন জড়ো হতে থাকেন। এই অনশন ও বিক্ষোভ সমাবেশ একপর্যায়ে মহাসমাবেশে পরিণত হয়।
কর্মসূচিতে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো।
জানা যায়, সমাবেশে আগামী ৪ঠা নভেম্বর শ্যামা পূজায় দীপাবলি উৎসব বর্জন ও সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৬টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত কালো কাপড়ে মুখ ঢেকে মন্দিরে অবস্থান, মন্দির-মণ্ডপ ফটকে কালো কাপড়ে সামপ্রদায়িক সহিংসতাবিরোধী স্লোগান সংবলিত ব্যানার টাঙানোর প্রতিবাদী কর্মসূচি দেয়া হয়।
সমাবেশে অন্যদের মধ্যে চসিক কাউন্সিলর জহরলাল হাজারী, জাসদ নেতা ইন্দু নন্দন দে, এডভোকেট চন্দন তালুকদার, ইসকনের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সম্পাদক চিন্ময় কৃষ্ণ দাশ ব্রহ্মচারী, বাংলাদেশ পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি শ্যামল পালিত উপস্থিত ছিলেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর