× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ৭ ডিসেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার , ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ

টিএলপির ৩৫০ নেতাকর্মীকে মুক্তি দিয়েছে পাকিস্তান, তবুও আন্দোলন

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক
(১ মাস আগে) অক্টোবর ২৫, ২০২১, সোমবার, ২:৪৩ অপরাহ্ন

সাড়ে তিনশ’ নেতাকর্মীকে মুক্তি দিলেও পাকিস্তানে ধর্মভিত্তিক গ্রুপ তেহরিকে লাব্বাইক পাকিস্তানের (টিএলপি) প্রধানকে মুক্তি দেয়ার দাবিতে চতুর্থ দিনের আন্দোলন চলছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, তাদের প্রধান সাদ রিজভিকে মুক্তি দেয়ার দাবিকে পাকিস্তানের দ্বিতীয় বৃহৎ শহর লাহোরের ২০ কিলোমিটার উত্তরে মুরিডকে শহরের কাছে আজ সোমবার প্রধান সড়কে অবস্থান নিয়েছে টিএলপির কয়েক শত বিক্ষোভকারী। বিষয়টি নিয়ে সরকারের কমিটি এবং দলটির নেতাদের মধ্যে অন্যদিকে সমঝোতামূলক আলোচনা চলছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন আল জাজিরা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ রশিদ আহমেদ বলেছেন, আমরা টিএলপির ৩৫০ জন নেতাকর্মীকে মুক্তি দিয়েছি। টিএলপি নেতাদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে আমরা মুরিডকে সড়কের দুই পাশ উন্মুক্ত করে দেয়ার চেষ্টা করছি। আল জাজিরাকে টিএলপির সেন্ট্রাল ইনফরমেশন সেক্রেটারি পীর ইজাজ আশরাফি বলেছেন, রাজধানী ইসলামাবাদে বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত দফা আলোচনা শুরু হওয়ার কথা আজ সোমবার।

ধর্মভিত্তিক এই দলটি দেশে ব্লাসফেমি ইস্যুতে প্রচারণা চালাচ্ছে এবং দেশজুড়ে বেশ কিছু বিক্ষোভ করে যাচ্ছে। এতে কয়েক বছরে পাকিস্তানের স্বাভাবিক কর্মকা- ব্যাহত হয়েছে। তাদের দাবি শুক্রবার লাহোর থেকে তাদের প্রধান সাদ রিজভিকে মুক্তি দিতে হবে। এরই মধ্যে পুলিশ এবং বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষে কমপক্ষে দু’জন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। অনিশ্চিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, ওই সংঘর্ষে বেশ কিছু বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। টিএলপি নেতা আশরাফি বলেন, কমপক্ষে ৭ জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। টিএলপি প্রধান রিজভি এপ্রিল থেকে জেলে রয়েছেন। ইসলামভীতি নিয়ে গত অক্টোবরে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রনের মন্তব্যের পর পাকিস্তান থেকে ফরাসি রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কারের দাবি তোলে টিএলপি। এতে নেতৃত্ব দেন রিজভি। তারপরই তাকে আটক করা হয়েছে।

প্রশাসনিক এবং সন্ত্রাস বিরোধী যে নির্দেশের অধীনে রিজভিকে আটক রাখা হয়েছে, লাহোর হাইকোর্ট তার পক্ষে যথেষ্ট তথ্য প্রমাণ পায়নি। এর ফলে এ মাসের শুরুর দিকে তাকে মুক্তি দেয়ার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। তবে এখনও সরকারের হেফাজতে আছেন টিএলপি নেতা। এটি একটি উগ্রপন্থি সংগঠন। তাদেরকে সন্ত্রাস বিরোধী আইনের অধীনে এপ্রিলে সরকার নিষিদ্ধ সংগঠন বলে আখ্যায়িত করে। এর মাত্র কয়েকদিন আগে প্রথমবার গ্রেপ্তার করা হয় রিজভিকে।

রোববার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ রশিদ আহমেদ বলেছেন, টিএলপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রত্যাহার করতে চায় সরকার। তবে তারা কয়েক ডজন টিএলপি নেতার বিষয়ে নতুন করে যাচাই বাছাই করছে। এসব ব্যক্তির নাম রয়েছে সন্ত্রাস বিরোধী আইনের অধীনে এবং তাদের বিষয়ে মনিটরিং করা হচ্ছে। ফরাসি রাষ্ট্রদূততে বহিষ্কার প্রশ্নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ ইস্যুটি আমরা পার্লামেন্টে তুলবো। সেখানে স্পিকারকে একটি কমিটি গঠন করতে বলবো, যাতে এ বিষয়ে কাজ শুরু করা যায় দ্রুততার সঙ্গে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর