× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৭ নভেম্বর ২০২১, শনিবার , ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২১ রবিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

মঠবাড়িয়ায় দাফনের দুই মাস পর কবর থেকে লাশ উত্তোলন

বাংলারজমিন

মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
২৮ অক্টোবর ২০২১, বৃহস্পতিবার

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার ভাইজোড়া গ্রামে রহস্যজনকভাবে নিহত কৃষক বারেক গাজীর (৬০) লাশ ময়নাতদন্তের জন্য প্রায় দুই মাস পর গতকাল কবর থেকে উত্তোলন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পিরোজপুরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ খাইরুল ইসলাম চৌধুরী, মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. প্রীতম কুমার পাইক ও পিরোজপুর পিবিআই’র পরিদর্শক আহসান কবিরের উপস্থিতিতে এ লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। জানা গেছে, গত ২৯শে আগস্ট সকাল ১১ টার দিকে উপজেলার ভাইজোড়া গ্রামের মৃত শের আলীর পুত্র কৃষক আব্দুল বারেক গাজী নিজ জমিতে ইরি ধানের বীজ রোপণ করেন। ওইদিন বিকালে কে বা কারা প্রতিবেশী মৃত ওয়াজেদ আলী হাওলাদারের পুত্র ইউনুস হাওলাদারের দুই গোছা বীজ চুরি করে। কৃষক বারেক গাজীকে সন্ধ্যায় বাড়িতে ডেকে নিয়ে বীজতলা থেকে ধানের বীজ চুরি করে নেয়ার অপবাদ দিয়ে মারধর করে। এতে ঘটনাস্থলেই বারেক গাজী মারা যান। পরে তিনি স্ট্রোক করেছেন বলে ইউনুস হাওলাদার প্রচার চালান। এক পর্যায়ে প্রভাবশালীরা ময়নাতদন্ত ছাড়াই কৃষক বারেক গাজীর পরিবারকে চাপ প্রয়োগ করে মরদেহ দাফন সম্পন্ন করে।
এ ঘটনায় কৃষক বারেক গাজীর আপন ভাই আঃ হালিম গাজী বাদী হয়ে ৬ই সেপ্টেম্বর মঠবাড়িয়া বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যার অভিযোগ এনে ইউনুস হাওলাদারকে (৫৫) আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেন। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ইউনুস হাওলাদার বলেন, বারেক গাজীকে বাড়িতে ডেকেছি এটা সত্য। তবে মারধর করিনি। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিরোজপুর পিবিআই’র পরিদর্শক আহসান কবির বলেন, আদালতের নির্দেশে নিহতের মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ের জন্য আমরা লাশ উদ্ধার করে জেলা মর্গে প্রেরণ করেছি। মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। লাশের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর