× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৭ নভেম্বর ২০২১, শনিবার , ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২১ রবিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

খুলনাঞ্চলে তিন মাসে ১০ লাখ মুরগি রাণীক্ষেতে আক্রান্ত

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা থেকে
২৮ অক্টোবর ২০২১, বৃহস্পতিবার

বার্ড ফ্লু ও করোনার লোকসান কাটিয়ে উঠতে পারেনি খুলনাঞ্চলের মুরগির খামারিরা। এরই মধ্যে রাণীক্ষেত নামক ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে লাখ লাখ মুরগি। সরকারি প্রাণিসম্পদ কেন্দ্রে মাঝে মধ্যে ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না। খোলা বাজার থেকে ভ্যাকসিন কিনে খামারে ভাইরাসমুক্ত করতে যেয়ে উৎপাদন খরচ বাড়ছে। গামবোরা, ফাউল পক্স নামক ভাইরাস সালমোনেলা ও ফাউল কলেরা নামক ব্যাকটেরিয়াতেও মারা যাচ্ছে মুরগী। আগস্ট থেকে অক্টোবর পর্যন্ত খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় ৯ লাখ ৯৬ হাজার ৯৫৯টি মুরগি রাণীক্ষেত নামক ভাইরাসে আক্রান্ত হয়। উল্লেখিত সময়ে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৯ হাজার ২৬৬টি মুরগি মারা যায়। জেলাগুলো হচ্ছে- খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, যশোর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, নড়াইল, কুষ্টিয়া, চুয়াডঙ্গা ও মেহেরপুর।
সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত মাগুরা জেলায়। মৃত্যুর দিক থেকে নড়াইল শীর্ষে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দেশি, লেয়ার ও ব্রয়লার জাতের মুরগি রানীক্ষেত ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে। গামবোরা ভাইরাসও মারাত্মক। রানীক্ষেত নামক ভাইরাস প্রতিরোধে সরকারি প্রাণিসম্পদ কেন্দ্র থেকে বিসিআরডি নামক ভ্যাকসিন কিনতে হচ্ছে। সরকারি কেন্দ্রে মাঝে মধ্যে সংকট দেখা দিলে খোলা বাজার থেকে ভ্যাকসিন কিনতে হয়। বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালক ডা. সুখেন্দু শেখর গায়েন বলেছেন, এ অঞ্চলের ৫৯টি প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে ভ্যাকসিন দেয়া হচ্ছে। এক থেকে ২১ দিন বয়সী মুরগির জন্য বিসিআরডি এবং তার ওপর বয়সী মুরগির আরডি ভ্যাকসিন দেয়া হচ্ছে। সরকারি প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ভ্যাকসিনেটরাও ভ্যাকসিন দিচ্ছে। মাঝেমধ্যে ভ্যাকসিনের সংকট হচ্ছে।
খুলনা জেলার রূপসা উপজেলার জয়পুর গ্রামের খামারি মো. তারেক আল মামুন বলেন, গত এক মাসের ব্যবধানে এক অ্যাম্পোল ভ্যাকসিনের দাম বৃদ্ধি পেয়ে পাঁচশ’ থেকে ছয়শ’ টাকা হয়েছে। গত ১৫ দিন আগে ভ্যাকসিন দেয়ার পরও ৬০টি মুরগি মারা যায়। ফলে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি। তিনি আরও জানান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর থেকে ভ্যাকসিন বা পরামর্শ কোনটাই পান না। ফলে ভাইরাস প্রতিরোধ করতে গিয়ে খোলা বাজার থেকে ভ্যাকসিন কিনতে হচ্ছে। একই গ্রামের খামারি ফারুক হোসেন জানান, তার খামারে মুরগি রানীক্ষেত নামক ভাইরাসে আক্রান্ত হলে চিকিৎসা খরচ বাবদ অতিরিক্ত ৮ হাজার টাকা ব্যয় হয়। খুলনাঞ্চলে এক কোটি ৬৩ লাখ দেশি, ৬০ লাখ লেয়ার ও ১৩ লাখ ব্রয়লার মুরগি লালন-পালন হচ্ছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর