× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২০ জানুয়ারি ২০২২, বৃহস্পতিবার , ৬ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৬ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

রংপুরে এমপিওভুক্তির দাবিতে অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষকদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

শিক্ষাঙ্গন

স্টাফ রিপোর্টার
(২ মাস আগে) নভেম্বর ১০, ২০২১, বুধবার, ৫:৩১ অপরাহ্ন

জনবল কাঠামোতে অন্তর্ভুক্ত করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে কর্মরত অনার্স-মাস্টার্স স্তরের প্রায় ৫,৫০০ শিক্ষকের এমপিওভুক্তির দাবীতে রংপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন ও প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

আজ বুধবার বাংলাদেশ বেসরকারি কলেজ অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষক ফেডারেশন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বংপুরের আঞ্চলিক কার্যালয়ের সামনে  রংপুর জেলা শাখার উদ্যোগে এ মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তরা বলেন, বেসরকারি কলেজসমূহে বিধি মোতাবেক নিয়োগপ্রাপ্ত সারাদেশের ৫,৫০০ জন অনার্স মাস্টার্স শিক্ষক জনবলে অন্তর্ভুক্ত না থাকার অজুহাতে দীর্ঘ ২৮ বছর থেকে সরকারি সুযোগ সুবিধার (এমপিও) বাইরে রয়েছি। প্রতিষ্ঠান থেকে শতভাগ বেতন দেয়ার কথা থাকলেও অধিকাংশ কলেজ কর্তৃপক্ষ তা আমলে নেয়না।করোনাকালে প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় প্রতিষ্ঠান থেকে প্রদত্ত নামমাত্র বেতনটুকুও বন্ধ থাকায় শিক্ষকগণ জীবন- জীবীকার কঠিন সমীকরণে আটকে গেছে। একই প্রক্রিয়ায় নিয়োগ পেয়ে সদ্য জাতীয়করণকৃত কলেজের অনার্স-মাস্টার্স কোর্সের শিক্ষকগণ ক্যাডার/নন -ক্যাডারভুক্ত হয়েছেন, ডিগ্রী ৩য় শিক্ষকগণ জনবলে না থাকার পরেও এমপিওভুক্ত হয়েছেন।অন্যদিকে কামিল (মাস্টার্স) শ্রেণির শিক্ষকগণও এমপিওভুক্ত হয়েছেন।অথচ অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষকগণও এনটিআরসিএ সনদধারী হয়েও জনবল ও এমপিও নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত না থাকায় এমপিওভুক্ত হতে পারছেন না,যা চরম বৈষম্য এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পরিপন্থী।

মানববন্ধনে জানানো হয়, দীর্ঘ ২৮ বছর থেকে পেশাগত দাবি আদায়ের জন্য অনেক শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করার পরেও অদ্যাবধি আমরা সরকারি বেতন-ভাতা থেকে বঞ্চিত রয়েছি। সর্বজন স্বীকৃত সত্য যে,বর্তমান শিক্ষাবান্ধব সরকারের মাধ্যমে শিক্ষা সেক্টরের অনেক বৈষম্য কমেছে কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে,উচ্চশিক্ষায় নিয়োজিত সারাদেশের মাত্র ৫,৫০০ জন শিক্ষক এখনো এমপিওভুক্তির বাইরে রয়েছেন।

মানববন্ধনে আরও জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহনের একাধিক নির্দেশনা, শিক্ষামন্ত্রণালয় সম্পর্কিত নবম ও দশম সংসদের স্হায়ী কমিটির সুপারিশ এবং জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ এর অধ্যায়-০৮ -এ বর্ণিত উচ্চশিক্ষার কৌশল বাস্তবায়নের জন্য এই সকল শিক্ষকের এমপিওভুক্ত করা অত্যন্ত যৌক্তিক ছিলো। বিধি মোতাবেক নিয়োগপ্রাপ্ত ৫,৫০০ জন শিক্ষককে এমপিওভুক্ত করতে প্রতিমাসে ১২ কোটি বছরে ১৪৪ কোটি টাকার বাজেটে ব্যয় বরাদ্দ হলেই আমাদের স্বপ্নপূরণ হয়;জনবল ও এমপিও নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা যায়।এমতাবস্থায় আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শিক্ষামন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনার মাধ্যমে প্রচলিত জনবল কাঠামো সংশোধন করে এমপিওভুক্তি চাই, বেঁচে থাকার সুযোগ চাই।

মানবনন্ধনে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ বেসরকারি কলেজ অনার্স- মাস্টার্স শিক্ষক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি হারুন অর রশিদ, রংপুর জেলা কমিটির সভাপতি মো: আবু সাঈদ মিয়া, সাধারন সম্পাদক মো. নাজমুল হুদা সিদ্দিকীসহ অন্যান্য শিক্ষক নেতৃবৃন্দ।

মানববন্ধন শেষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কার্যালয়ের পরিচালকের মাধ্যমে ভাইস চ্যান্সেলর বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর