× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৯ জানুয়ারি ২০২২, শনিবার , ১৫ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

কারাগারেই দীর্ঘদিনের সঙ্গীকে বিয়ের অনুমতি পেলেন অ্যাসাঞ্জ

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক
(২ মাস আগে) নভেম্বর ১২, ২০২১, শুক্রবার, ৬:০৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ আপডেট: ১১:২৬ পূর্বাহ্ন

বৃটিশ কারাগারে বন্দি জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে তার দীর্ঘদিনের সঙ্গী স্টেলা মরিসকে বিয়ের অনুমতি দেয়া হয়েছে। বর্তমানে উইকিলিকসের এই সহ-প্রতিষ্ঠাতা বৃটেনের বেলমার্শ কারাগারে বন্দি রয়েছেন। বৃটিশ গণমাধ্যম বিবিসির কাছে দেশটির কারা বিভাগের কর্মীরা খবরটি নিশ্চিত করেছেন। কারা বিভাগ বলছে, অন্য কারাবন্দিদের মতোই প্রচলিত নিয়মে কারা গভর্নর অ্যাসাঞ্জের আবেদন বিবেচনায় নিয়ে বিয়ের অনুমতি দিয়েছেন। বৃটেনের বিবাহ আইন ১৯৮৩ অনুযায়ী, বন্দিরা কারাগারে বিয়ের জন্য আবেদন করার সুযোগ পান। আবেদন মঞ্জুর হলে সব খরচ নিজেদের মিটিয়ে বিয়ে করতে হয় তাদের। অ্যাসাঞ্জ এবং স্টেলাও এখন কারাগারেই আইনানুযায়ী বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবেন এবং বিয়ের খরচ তাদের নিজেদেরই বহন করতে হবে।
এক প্রতিবেদনে বিবিসি জানিয়েছে, অ্যাসাঞ্জ ও মরিসের দুই সন্তান রয়েছে। মরিস জানিয়েছেন, লন্ডনের ইকুয়েডর দূতাবাসে অ্যাসাঞ্জ যখন দিন পার করছিলেন তখনই গর্ভধারণ করেন তিনি।
বিয়ের অনুমতি পাওয়ার পর তিনি বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব পাওয়ায় সন্তোষ কাজ করছে। আশা করছি আমাদের বিয়েতে আর কোনো বাধা আসবে না।
দক্ষিণ আফ্রিকান বংশোদ্ভূত আইনজীবী স্টেলা মরিসের সঙ্গে জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের পরিচয় হয় ২০১১ সালে। তখন মরিস অ্যাসাঞ্জের আইনজীবী হিসেবে কাজে যোগ দিয়েছিলেন। সেসময় প্রায় প্রতিদিনই লন্ডনের ইকুয়েডর দূতাবাসে রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকা অ্যাসাঞ্জকে দেখতে যেতেন মরিস। গত বছর মরিস এক বৃটিশ গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে জানান, ওই দূতাবাসেই অ্যাসাঞ্জকে ভালোভাবে জানতে পারেন তিনি। ২০১৫ সাল থেকে অ্যাসাঞ্জের সঙ্গে সম্পর্কের শুরু হয় তার। এর দুই বছর পর তাদের বাগদান সম্পন্ন হয়। এরইমধ্যে তাদের দুই ছেলের জন্ম হয়। সন্তানরা ইকুয়েডর দূতাবাসে বাবার সঙ্গে দেখা করেছিল বলেও জানিয়েছেন মরিস। বর্তমানে ৫০ বছর বয়সী অ্যাসাঞ্জ যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণ থেকে বাঁচতে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর