× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৫ জানুয়ারি ২০২২, মঙ্গলবার , ১১ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২১ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

বিদেশি শ্রমিক টানতে অভিবাসন নীতি পরিবর্তন করলো জাপান

শিক্ষাঙ্গন

মানবজমিন ডেস্ক
(২ মাস আগে) নভেম্বর ১৮, ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৭:৩০ অপরাহ্ন

অভিবাসন নীতিতে বড় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে জাপান। দীর্ঘদিন ধরেই দেশটিতে অভিবাসীদের জন্য দরজার বন্ধ ছিল। তবে বৃহস্পতিবার জাপানের বিচার মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২২ অর্থবছরের প্রথম দিক থেকে নির্দিষ্ট কিছু চাকরিতে নিযুক্ত থাকা বিদেশিরা জাপানে অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকার অনুমতি পাবেন।

২০১৯ সালে কার্যকর হওয়া একটি আইন অনুযায়ী, কৃষি, নার্সিং এবং স্যানিটেশনের মতো ১৪টি খাতের ‘নির্দিষ্ট দক্ষ শ্রমিকদের’ জাপানি ভিসা দেয়া হয়। তবে নির্মাণ ও জাহাজনির্মাণ খাত ছাড়া অন্য সব খাতের শ্রমিকদের জন্য ৫ বছরের ভিসা দেয় জাপান সরকার। এছাড়া এই শ্রমিকরা তাদের পরিবারের সদস্যদেরও সাথে রাখতে পারতো না। তবে দেশটির সরকার এবার এসব বিধি-নিষেধ শিথিল করতে শুরু করেছে। নতুন নিয়মের অধীনে বিদেশি শ্রমিকরা তাদের ভিসার মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য পুনর্নবায়ন করতে পারবেন এবং পরিবারের সদস্যদেরও জাপানে নিতে পারবেন।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মূলত ভিয়েতনাম ও চীনা শ্রমিকের সংখ্যা বেশি জাপানে। ফলে এই দুই দেশের শ্রমিকরাই বেশি সুবিধা পাবে এই নিয়মের কারণে।  এ নিয়ে জাপান সরকারের শীর্ষ মুখপাত্র হিরোকাজু মাৎসুনো জানান, এ ধরনের যে কোনো পরিবর্তনের মানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি নয়। স্থায়ী বসবাসের অনুমতির জন্য ভিন্ন আবেদন প্রক্রিয়ার প্রয়োজন পড়বে।

উল্লেখ্য, জাপানে দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ আছে অভিবাসন। ফলে দেশটি তীব্র শ্রমিক সংকট তৈরি হয়েছে। যে কারণে আবারও অভিবাসীদের জন্য সীমান্ত খুলে দিতে দেশটির সরকারের ওপর চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে দেশটিতে। ফলে সেখানে মারাত্মক সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তাই জাপান এখন বিদেশী কর্মীদের সুযোগ দিতে চায়। এ কারণেই তাদের স্বাগত জানাতে কাঠামোগত পরিবর্তন আনছে দেশটি।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর